জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু

প্রবাস সংবাদ ১২ অক্টোবর ২০২৬ ৪৬২৬

‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের পক্ষে ঢাকাবাসী’র ব্যাপক সমর্থন

জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু

নিউইয়র্ক: বাংলাদেশ সোসাইটির আসন্ন নির্বাচনে ‘পরিবর্তনের শ্লোগান’ নিয়ে প্রতিদ্ব›িদ্বতাকারী ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের উদ্যোগে ব্যাপক সমর্থন জানালো বৃহত্তর ঢাকাবাসী। নিউইয়র্ক প্রবাসী বৃহত্তর ঢাকাবাসী’র ব্যানারে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এই সমর্থন জানানো হয়। বিশেষ করে ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের সিনিয়র সহ সভাপতি দুলাল বেহেদু, সহ সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মোহাম্মদ নওশাদ হোসেন ও সাহিত্য সম্পাদক মোহাম্মদ এ আখতার বৃহত্তর ঢাকার সন্তান হওয়ায় প্যানেলটিকে যোগ্য প্যানেল হিসেবে সমর্থন জানোনো হয়। উল্লেখ্য, দুলাল বেহেদু বৃহত্তর ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের সভাপতি’র দায়িত্ব পালন করছেন। সভায় দুলাল বেহেদু বলেন, সোসাইটির নির্বাচনে আমি জয়ী হই বা না হই আমি সোসাইটির পাশে থাকবো, কমিউনিটির পশে থাকবো এবং শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদানে সাধ্যমত সহযোগিতা করবো। এটি আমার ওয়াদা।

সভায় ঢাকাবাসীর পক্ষ থেকে আয়োজক কমিটির বক্তারা যোগ্য প্যানেল হিসেবে ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের পক্ষে কাজ করা এবং ২৫ অক্টোবরের নির্বাচনে জয়ী করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। অপরদিকে সভায় ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ফিরোজ আহমেদ তাদের বক্তব্যে ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশী কমিউনিটির গড়ার পাশাপাশি স্বচ্ছ, পরিচ্ছন্ন সোসাইটি প্রতিষ্ঠার প্রতিশ্রæতি দেন।

গত ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে আয়োজিত এই সভায় বিপুল সংখ্যক ঢাকাবাসী সপরিবারে অংশ নেন। এছাড়াও বিপুল সংখ্য বাংলাদেশী-আমেরিকান সভায় উপস্থিত হওয়ায় সভাটি উৎসবমুখর হয়ে উঠে। সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত সভার কার্যক্রম চলে। বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্যদিয়ে সভার কার্যক্রম শুরু হয়। এরপর পবিত্র কোরআন থেকে তেলাওয়াত এবং বিশেষ দোয়া মুনাজাত করেন মাওলানা কাজী মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক এবং গীতা থেকে পাঠ করেন বিমল চন্দ্র বর্মণ। পরবর্তীতে ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের প্রার্থীর নিয়ে সরচিত কবিতা পাঠ করেন

বিশিষ্ট রাজনীতিক, ব্যবসায়ী, সংগঠক ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের প্রধান উপদেষ্টা গিয়াস আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সোসাইটির সাকে সভাপতি ও সাবেক ট্রাষ্টিবোর্ড চেয়ারম্যান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী মোহাম্মদ এ আজিজ। প্রধান বক্তা ছিলেন বিশিস্ট রাজনীতিক ও ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের অন্যতম উপদেষ্টা গিয়াস উদ্দিন। আমন্ত্রিত অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট রাজনীতিক জিল্লুর রহমান জিল্লু, সাবেক ছাত্রনেতা আলাউদ্দিন ভুলু, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ রব মিয়া, সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার নাসির খান পল ও জামাল আহমেদ জনি, ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের সভাপতি পদপ্রার্থী আজমল হোসেন কুনু ও সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী ফিরোজ আহমেদ, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহŸায়ক রুহুল আমীন সিদ্দিকী, যুগ্ম আহŸায়ক ভিপি জহির মোল্লা ও প্রধান সমন্বয়কারী বাবুল চৌধুরী, বাংলাদেশ সোসাইটির সাবেক সহ সভাপতি ফারুক চৌধুরী, সাবেক স্কুল ও শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক নূরুল হক, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র সাবেক সভাপতি বদরুন্নাহার খান মিতা, জালালাবাদ এসোসিয়েশন অব আমেরিকা’র (একাংশ) সভাপতি মইনুল ইসলাম, নারায়নগঞ্জ সমিতির সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ মহসিন, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট ও মূলধারার রাজনীতিক শেখ শাহজাহান, নবাবগঞ্জ এসোসিয়েশনের সভাপতি গোলাম এন হায়দার মুকুট।

সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা ও সাভার উপজেলা এসোসিয়েশনের সভাপতি এবং অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহŸায়ক আমানুল্লাহ আমান। সভায় দুলাল বেহেদু সহ অতিথিবৃন্দ ছাড়াও অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকা জেলা এসোসিয়েশনের উপদেষ্টা শেখ সালাউদ্দিন খোকন ও মুক্তিযোদ্ধা আজাদ হোসেন, মুন্সিগঞ্জ-বিক্রমপুর সমিতির সাবেক সভাপতি শাহাদৎ হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আমজাদ হোসেন সেলিম, কমিউনিটি অ্যাক্টিভিষ্ট নূর আমিন, মিজানুর রহমান মিজান, সৈয়দ এ আর ফারুক প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও সভায় সোসাইটির বিগত নির্বাচনে ‘সেলিম-আলী’ প্যানেল থেকে নির্বাচন করে বিজয়ী ৬ প্রার্থী এবার ‘সেলিম-আলী’ প্যানেল ত্যাগ করে ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলে যোগ দেয়া প্রার্থী যথাাক্রমে আবুল কালাম ভূইয়া, মোহাম্মদ নওশেদ হোসেন, মফিজুর রহমান রুমি, মোহাম্মদ জামিল আনসারী, মোহাম্মদ আখতার বাবুল ও সিদ্দিক পাটোয়ারীও বক্তব্য রাখেন। যৌথভাবে সভা পরিচালনা করেন আসাদ জামান ও আয়োজক কমিটির সদস্য সচিব সেলিম ইব্রাহীম।

সভায় এম আজীজ বলেন, বাংলাদেশ সোসাইটির বর্তমান নেতৃত্ব আর কর্মকান্ড নিয়ে নানা কথা হচ্ছে। বর্তমান কমিটির কোন যোগ্য নেতৃত্ব আমরা দেখছি না। তারা মিথ্যাচার করছে। আমরা চাই সোসাইটিতে যোগ্য নেতৃত্ব। আমরা সবাইকে নিয়ে সোসাইটিকে শক্তিশালী করতে চাই।

নাসির খান পল বলেন, সোসাইটিতে নেতৃত্ব দিতে সেলিম-আলীরা সম্পূর্ণ ব্যর্থ। তারা সোসাইটির অর্থ তথা আমাদের অর্থ অপচয় করেছে। তারা নির্বাচনী ওয়াদা রক্ষা তো করেই নি বরং মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে কমিউনিটিকে বিভ্রান্ত করছে। তাই আমরা যোগ্য নেতৃত্ব চাই। ‘কুনু-ফিরোজ’ জয়ী হলে সোসাইটিতে যোগ্য নেতৃত্ব ফিরে আসবে। তিনি এই প্যনেলকে জয়ী করতে সবার সহযোগিতা চান।

জিল্লুর রহমান জিল্লু বলেন, আমি রাজনীতি করি। একট দল করি। কুনু ভাই আমার বড় ভাই। কিন্তু সোসাইটিত্বে যোগ্য নেতৃত্ব চাই বলেই ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলকে সমর্থন করছি। ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেল যোগ্য হলে তিনি এই প্যানেলকে জয়ী করতে ঢাকাবাসীর প্রতি অনুরোধ জানাই।

জামাল উদ্দিন আহমেদ জনি আবারো বর্তমান কমিটির সময়ের ৯০ হাজার ডলার কিভাবে ইফতার পার্টির খরচ, ২৪ হাজার ডলার ফটো কার্ড, ম্যাগাজিনের খরচ, কবর ক্রয়ে অর্থ ফেরৎ নেয়া প্রভৃতি ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন তুলেন এবং তার হিসাব চান। কবর ক্রয়ের অর্থ কেন ফেরৎ আনা হলো তার ব্যাখ্যা দিতে হবে এবং বিদায়ী কমিটিকে আগের মূল্যেই সোসাইটির কবর ক্রয় করে দিতে হবে। তিনি আজমল হোসেন কুনু ও ফিরোজ আহমেদ-কে স্বচ্ছ ও পরিচ্ছন্ন ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করে এই প্যানেল-কে জয়যুক্ত করার অনুরোধ জানান।

গিয়াস আহমেদ বলেন, একটি মহল সিন্ডিকেট তৈরী করে সোসাটির নেতৃত্ব ধরে রাখছে। ফলে সোসাইটির কোন কাজ হচ্ছে না। অথচ আমরা বলছি সোসাইটি আমব্রেলা সংগঠন। সোসাইটির ৩৫ হাজার সদস্য হলে সিটি ও ষ্টেট প্রশাসনের অনুদান পাওয়ার কথা, সেই উদ্যোগ নেই। তিনি বলে, আমরা সোসাইটিকে গণমুখী করেছি। এই গণমুখিতা ধরে রাখতে গণমুখী কর্মসূচী দরকার। তাই ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলকে বিজী করা দরকার।

গিয়াস উদ্দিন বলেন, যারা মিথ্যাচার করেন, প্রতিশ্রæতি ভঙ্গ করেন তাদের যেমন আল্লাহ পছন্দ করেন না, আমরাও তাদের পছন্দ করবো না। সোসাইটির কর্মকর্তারা কথা দিয়ে কথা রাখেননি। তারা প্রতিশ্রæতি ভঙ্গ করেন। তাই আমরা ঢাকাবাসী তাদের সমর্থন করতে পারি না। তিনি বলেন, ‘সেলিম-আলী’ ভন্ড প্রতারক। তারা তাদের নির্বাচনী প্রতিশ্রæতি রক্ষা করতে পারেনি।

আজমল হোসেন কুনু বলেন, নির্বাচন ঘিরে আমার এবং প্যানেলের বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চলছে। বলা হচ্ছে আমার পরিবার আমার সাথে নেই। বলা হচ্ছে আমরা নির্বাচন থেকে সরে যাচ্ছি। কিন্তু প্রমান হচ্ছে আমার কাজিন জিল্লুর রহমান আর আমি আজ একই মঞ্চে, আমরা জয়ের জন্যই নির্বাচন করছি। তিনি বলেন, আমরা অপপ্রচারে বিশ্বাসী নই, কাজে বিশ্বাসী। যা বলবো তাই তাই করবো। তিনি তার নির্বাচনী প্রতিশ্রæতির কথা তুলে ধরে বলেন, আগেও বলেছি, এখনো বলছি সোসাইটির নির্বাচন ঘিরে কোন মিথ্যা প্রতিশ্রæতি, আশ্বাস দেবো না। সোসাইটির কোন অর্থ অপচয় করবো না। তবে প্রয়োজনের জন্য যা করা দরকার তাই করবো। তিনি বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে আমাদের প্রথম কাজ হবে ফিউনেরাল হোম প্রতিষ্ঠা করা।

ফিরোজ আহমেদ বলেন, আমরা স্বচ্ছ আর জবাবদিহীমূলক সোসাইটি গড়তে চাই। নিউ ইমিগ্র্যান্টদের চাকরীর সুযোগের পথ দেখানো, নিউইয়র্ক-ঢাকা-নিউইয়র্ক রুটে বিমান চালু সহ প্রবাসীদের সমস্যা মোকাবেলায় তিনি কতিপয় কর্মসূচী বাস্তবায়নের প্রতিশ্রæত দেন এবং নতুন প্রজন্মকে সোসাইটীমুখী করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

মফিজুর রহমান রুমি বলেন, সোসাইটিতে ‘সেলিম-আলী’দের অসততা, অস্বচ্ছতার কারনেই আমরা তাদের ত্যাগ করেছি। সোসাইটিকে গণমুখী করতেই আমরা আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ সভায় এলইডি স্কীনে তুলে ধরেছি। তিনি বলেন, আমরা গণমুখী সোসাইটি চাই, সোসাইটি নিয়ে কোন মিথ্যাচার চাই না।

সভায় দোহার উপজেলা সমিতি ইউএনএ’র সভাপতি মোস্তফা কামাল মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন। এছাড়াও উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে কুইন্স সোসাইটির সভাপতি ও ব্রাক্ষণবাড়িয়া সোসাইটির সাবেক সভাপতি কাজী তোফায়েল ইসলাম, খুলনা সোসাইটি ইউএসএ’র সভাপতি ওয়াহিদ কাজী এলিন, সোসাইটির সাবেক কর্মকর্তা সাদী মিন্টু, ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির যুগ্ম আহŸায়ক টি মোল্লা, কুইন্স নির্বাচন পরিচালনা পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব কাজী আবু নাসের, এস্টোরিয়া নির্বাচন পরিচালনা পরিচালনা কমিটির আহŸায়ক জাবেদ উদ্দিন প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দেন ‘কুনু-ফিরোজ’ প্যানেলের নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য সচিব আনোয়ার হোসেন। প্যানেলের প্রার্থীর হলেন: সভাপতি- আজমল হোসেন কুনু, সিনিয়র সহ সভাপতি- দুলাল বেহেদু, সহ সভাপতি- আবুল কালাম ভূইয়া, সাধারণ সম্পাদক-ফিরোজ আহমেদ, সহ সাধারণ সম্পাদক- মোহাম্মদ নওশাদ হোসেন, কোষাধ্যক্ষ- মফিজুল ইসলাম ভূইয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক- মোহাম্মদ জামিল আনসারী, সাংস্কৃতিক সম্পাদক- আহমেদ আর চৌধুরী, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক- সৈয়দ গৌসুল হোসাইন, সমাজকল্যাণ সম্পাদক- কয়েস আহমেদ, সাহিত্য সম্পাদক- মোহাম্মদ এ আখতার, ক্রীড়া ও আপ্যায়ন সম্পাদক- মোর্শেদ আলম, স্কুল ও শিক্ষা সম্পাদক- মোহাম্মদ মাইন উদ্দিন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক সম্পাদক- বেগম এম চৌধুরী, যুব ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক- কাজী আর হাসান এবং কার্যকরী সদস্য- সিরাজুদ্দিন হক, মোহম্মদ এ সিদ্দিক, মোহাম্মদ আবুল বাসার, মাসুদুল হক সানু, মোহাম্মদ কাওসার আলম ও মোহাম্মদ এম ইসলাম।

ঢাকাবাসী ছাড়াও নিউইয়র্ক সিটির কুইন্স, ব্রæকলীন, ব্রঙ্কস এবং বাফেলো থেকে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী এই সভায় যোগ দেন। নৈশভোজের মাধ্যমে সভার সমাপ্তি ঘটে। উল্লেখ্য, আগামী ২৫ অক্টোবর, রোববার নির্বাচনে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

ছবিতে দেখুন

জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু
জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু
জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু
জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু
জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু
জয়ী হই বা না হই সোসাইটির পাশে থাকবো, শিক্ষা বৃত্তি প্রদানে সহযোগিতা করবো : দুলাল বেহেদু
আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন