গণভবনে ‘জুলাই জাদুঘর’ উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
শেখ হাসিনার সাবেক বাসভবন গণভবনে চালু হলো ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’। বুধবার এটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আন্দোলনের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের নিরপেক্ষ বিচারের আশ্বাস দেন।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। পতনসংবাদের পর পরই ঢাকার শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত তাঁর সরকারি বাসভবন গণভবনে ক্ষুব্ধ জনতা প্রবেশ করে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে সেই গণভবনকেই 'জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর'-এ রূপান্তর করা হয়।
অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে এই স্মৃতিশালা নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। বুধবার বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বিগত আমলের গুম-খুনের নিন্দা জানান এবং জুলাই আন্দোলনের প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ বিচার নিশ্চিতের প্রতিশ্রুতি দেন।
তারেক রহমান উল্লেখ করেন, প্রতিষ্ঠানটি কেবল ২০২৪ সালের নৃশংসতার নিদর্শন হিসেবে থাকবে না, বরং এটি দেশবাসীর গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস ফুটিয়ে তুলবে। তিনি আরও জানান, জাদুঘরটি কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর একক রাজনৈতিক বয়ান প্রচারের স্থান হবে না। দেশের গণতন্ত্রকামী সাধারণ জনতাই এই অভ্যুত্থানের মূল চালিকাশক্তি।
উল্লেখ্য, জাতিসংঘের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছিল, জুলাই মাসের আন্দোলন দমনে আগের সরকারের নেওয়া কঠোর পদক্ষেপের কারণে ১৪০০-র বেশি মানুষের প্রাণহানি ঘটেছিল।
