চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজন অনুষ্ঠিত

লাইফস্টাইল ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ৪৭৭৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজন অনুষ্ঠিত

আশরাফুল হাবিব মিহির

প্রবাসের ব্যস্ত জীবনে শেকড়ের টান, পুরোনো বন্ধুত্ব এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সোনালি স্মৃতিকে নতুন করে জাগিয়ে তুলতে নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকা ইনকের ৩০তম বনভোজন-২০২৬।

গত ৩০ আগস্ট ২০২৬, রোববার, নিউইয়র্কের লং আইল্যান্ডের সানকেন মিডো স্টেট পার্কের ইস্ট অরচার্ড প্যাভিলিয়নে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। এতে নিউইয়র্কসহ আশপাশের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শতাধিক সাবেক শিক্ষার্থী, তাঁদের পরিবার ও আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেন। প্রবাসের মাটিতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের এই মিলনমেলা পরিণত হয় আনন্দ-উচ্ছ্বাস, স্মৃতিচারণ ও পারস্পরিক সৌহার্দ্যে ভরপুর এক প্রাণবন্ত আয়োজনে।

সকাল থেকেই বনভোজনস্থল পরিণত হয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীদের এক প্রাণের মিলনমেলায়। দীর্ঘদিন পর সহপাঠী, বন্ধু ও পরিচিতজনদের সঙ্গে দেখা হওয়ায় পুরো আয়োজনজুড়ে ছিল আনন্দ-উচ্ছ্বাস, প্রাণবন্ত আড্ডা ও পুরোনো দিনের স্মৃতিচারণ। প্রকৃতির সবুজ সৌন্দর্য, নির্মল পরিবেশ এবং আপনজনদের সান্নিধ্যে দিনটি হয়ে ওঠে আনন্দঘন, ব্যতিক্রমী ও স্মরণীয়।

নিউইয়র্কের ব্রুকলিনের চার্চ ম্যাকডোনাল্ড এবং ওজন পার্ক ও কুইন্সের জ্যামাইকা থেকে নির্ধারিত সময়ে বাস ছেড়ে যাওয়ার মধ্য দিয়ে শুরু হয় বনভোজনের আনুষ্ঠানিক যাত্রা। সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত অংশগ্রহণকারীদের জন্য পরিবেশন করা হয় প্রাতঃরাশ। পরে সকাল সাড়ে ১১টায় উদ্বোধনী পর্বের মধ্য দিয়ে শুরু হয় দিনের মূল অনুষ্ঠান।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন অব নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজনের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন সংগঠনের প্রধান উপদেষ্টা ও অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম প্রাণপুরুষ জনাব পারভেজ গাজী। বেলুন উড়িয়ে তিনি আনন্দঘন এই আয়োজনের শুভ সূচনা করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক দুইবারের নির্বাচিত সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা সাবিনা শারমিন নিহার, সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোহাম্মদ মুহিত, সাধারণ সম্পাদক মীর কাদের রাসেল, প্রধান সমন্বয়ক ত্রিদিপ চৌধুরী, বনভোজন কমিটির আহ্বায়ক ইকবাল মোহাম্মদ, সদস্য সচিব মাহফুজুল হাসান কিশোর, সঞ্জীব তালুকদার, কবিতা সেন, জেবুন বেলা, খুকু আহমেদসহ সংগঠনের উপদেষ্টা, কর্মকর্তা ও সদস্যবৃন্দ।

আয়োজনের বিভিন্ন পর্যায়ে সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি নারী ও তরুণ প্রজন্মের সক্রিয় অংশগ্রহণ পুরো অনুষ্ঠানকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে। বনভোজনের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম সুষ্ঠু ও সফলভাবে পরিচালনা করেন সংগঠনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারহানা আক্তার। দিনব্যাপী আয়োজনের অন্যতম আকর্ষণ ছিল খেলাধুলা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতা। শিশুদের দৌড় প্রতিযোগিতা, নারী-পুরুষের বল নিক্ষেপ, ফুটবলসহ নানা ধরনের খেলাধুলার আয়োজন ছিল অনুষ্ঠানে। দুপুর ২টায় অনুষ্ঠিত ফুটবল ম্যাচে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা স্বতঃস্ফূর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন।

বিকেলে মিউজিক্যাল পিলোসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে বয়োজ্যেষ্ঠরাও মেতে ওঠেন আনন্দ-উচ্ছ্বাসে। প্রতিযোগিতার প্রাণবন্ত পরিবেশ যেন সবাইকে ফিরিয়ে নেয় বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের সেই হাসি-আনন্দে ভরা দিনগুলোর স্মৃতিতে। খেলাধুলা ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতার সার্বিক তদারকিতে ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা সাবিনা শারমিন নিহার, সহসাধারণ সম্পাদক মনসুর আহমেদ, সদস্যসচিব মাহফুজুল হাসান কিশোর, কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুল ইসলাম দিদার, হোসনে আরা বেগম, শিমু আক্তারসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্য।

বনভোজনের খাবারের আয়োজনেও ছিল বাঙালিয়ানার আন্তরিক ছোঁয়া। প্রাতঃরাশের পর মধ্যাহ্নভোজে পরিবেশন করা হয় পোলাও, সাদা ভাত, গরু, খাসি ও মুরগির কোরমা, সালাদ, রসগোল্লাসহ নানা ধরনের দেশীয় পদ। পাশাপাশি দিনভর ছিল চা-কফির ব্যবস্থা। প্রবাসের মাটিতে পরিচিত দেশীয় খাবারের স্বাদ এবং আপনজনদের সঙ্গে একসঙ্গে বসে খাওয়ার আনন্দে তৈরি হয় এক আন্তরিক ও আবেগঘন পরিবেশ। খাবারের টেবিল ঘিরে চলে গল্প, আড্ডা ও স্মৃতিচারণ, যা বনভোজনের আনন্দকে করে তোলে আরও পরিপূর্ণ।

আপ্যায়নের সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা পারভেজ গাজী ও সাবিনা শারমিন নিহার, সিনিয়র সহসভাপতি অনুপ দাস, কোষাধ্যক্ষ শুভাশীষ বড়ুয়া, সাংগঠনিক সম্পাদক বাবর খাদেমী, সহসম্পাদক মনসুর আহমেদ এবং সদস্য সাইফুল ইসলাম, ইকবাল হোসাইন, হাবিব উল্লাহসহ সংগঠনের অন্যান্য সদস্যরা।

বনভোজনের সাংস্কৃতিক পর্বে বিশেষ আকর্ষণ ছিলেন জনপ্রিয় ক্লোজআপ তারকা রাজীব ভট্টাচার্য। তাঁর মনোমুগ্ধকর পরিবেশনা পুরো আয়োজনে যোগ করে ভিন্নমাত্রা। বাংলা গানের পরিচিত সুরে উপস্থিত চবিয়ানদের অনেকেই ফিরে যান কৈশোর ও তারুণ্যের সেই স্মৃতিময় দিনগুলোতে। প্রবাসের মাটিতে বাংলা সংস্কৃতি ও সংগীতের চর্চাকে এগিয়ে নিতে এমন আয়োজন উপস্থিত চবিয়ানদের মধ্যে সৃষ্টি করে ব্যাপক আনন্দ ও আবেগ। গান, আড্ডা ও স্মৃতিচারণে সাংস্কৃতিক পর্ব হয়ে ওঠে দিনব্যাপী আয়োজনের অন্যতম উপভোগ্য মুহূর্ত।

অনুষ্ঠানের শেষভাগে ছিল বহুল প্রতীক্ষিত র‍্যাফেল ড্র। এতে পুরস্কার হিসেবে ছিল স্যামসাং ফোন, স্যামসাং ৫৫-ইঞ্চি টিভি, রোকু ৫০-ইঞ্চি টিভি, স্যামসাং ৪৩-ইঞ্চি টিভি, একাধিক এইচপি ল্যাপটপ, অ্যাপল আইপ্যাড এবং সেন্ট্রি সেফ। আকর্ষণীয় এসব পুরস্কারকে ঘিরে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও আগ্রহ। র‍্যাফেল ড্রকে ঘিরে পুরো আয়োজনের শেষ মুহূর্তগুলোও হয়ে ওঠে আনন্দ, উত্তেজনা ও প্রত্যাশায় ভরপুর।

বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন সংগঠনের উপদেষ্টা পারভেজ গাজী ও মিনারা গাজী, সাবিনা শারমিন নিহার, কবিতা সেন, সঞ্জীব তালুকদার, জি. এম. ফারুক ও তাহমিনা আক্তার, তারেক আব্দুল্লাহ ও সহসভাপতি মাকসুদা খানম, দিবাকর সেন, ত্রিদিপ চৌধুরী ও পিংকি চৌধুরী, সভাপতি অধ্যাপক গোলাম মোহাম্মদ মুহিত, মাসুদ সিরাজী, ইকবাল হোসাইন, সিনিয়র সহসভাপতি অনুপ দাস, সহসভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান বকুলসহ সংগঠনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩০তম বনভোজনের মতো বৃহৎ আয়োজন সফল ও সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে সংগঠনের সদস্যদের পাশাপাশি অনেক শুভানুধ্যায়ী, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন। তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা ও সমর্থনে আয়োজনটি আরও বর্ণিল ও সফল হয়ে ওঠে। সহযোগিতাকারীদের মধ্যে ছিলেন সংগঠনের উপদেষ্টা মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির, মনসুর আহমেদ, দিবাকর সেন, ডাক্তার আকাশ, সঞ্জীব তালুকদার, কবিতা সেন, পারভেজ গাজী, রেজাউল করিম সগীর, আবদুল আজিজ নঈমী, সাবিনা শারমিন নিহার, অধ্যাপক মাহবুব মাওলা, মহিউদ্দিন মোহাম্মদ আলমগীর, ত্রিদিপ চৌধুরী, অ্যাডভোকেট এম. এ. হামিদ, জসিম উদ্দিন এবং ‘পরাণে আগ্রাবাদ’-এর অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা খোরশেদ আলম বাবুসহ আরও অনেকে।

বিভিন্ন পুরস্কারের স্পনসর হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেন হুমায়ুন কবির, ত্রিদিপ চৌধুরী, সঞ্জীব তালুকদার ও কবিতা সেন, তারেক আব্দুল্লাহ, জি. এম. ফারুক, মাসুদ সিরাজী, ইকবাল হোসেনসহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী ও শুভানুধ্যায়ী। তাঁদের আন্তরিক সহযোগিতা ও উদারতায় র‍্যাফেল ড্রসহ পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে আরও আকর্ষণীয় ও বর্ণিল। র‍্যাফেল টিকিট বিক্রির মাধ্যমে সংগঠনের কার্যক্রমে সহযোগিতা করেন মাকসুদা খানম, শিমু আক্তার, শীলা মুহিত, নাছিমা আক্তার ও প্রমা।

এবারের বনভোজনে নিউইয়র্কসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য থেকে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যরা অংশগ্রহণ করেন। উপস্থিত ছিলেন জেবুন বেলা, শেলী বড়ুয়া, খুকু আহমেদ, রেনু বারী, সালেহা সানু, নার্গিস আক্তারসহ আরও অনেক চবিয়ান ও তাঁদের পরিবারের সদস্যরা। অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সুদূর কানাডা থেকেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী হেলাল উদ্দিন সুমন তাঁর পরিবারের সদস্যদের নিয়ে উপস্থিত হন।

আমন্ত্রিত অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি এম. এস. আলম, সাধারণ সম্পাদক রুহুল আমিন সরকার, জাহাঙ্গীরনগর এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক প্রশান্ত মল্লিক অয়ন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার সৈয়দ সেলিম, নুরুল আমিন, মাকছুদুল হক চৌধুরী, আলী নূর, ইউসুফ নবীসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জীবনের এক অমূল্য অধ্যায়। ক্যাম্পাসের দিনগুলো, বন্ধুদের আড্ডা, প্রিয় শিক্ষকদের সান্নিধ্য, সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা আর অসংখ্য স্মৃতির পাতা আজও তাঁদের হৃদয়ে অমলিন। নিউইয়র্কের এই বনভোজন যেন সেই সোনালি দিনগুলোকেই আবার জীবন্ত করে তুলেছিল। দীর্ঘদিন পর কেউ খুঁজে পেয়েছেন হারিয়ে যাওয়া বন্ধুকে, কেউবা নতুন করে পরিচিত হয়েছেন সহপাঠীদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে। গল্প, আড্ডা, হাসি-আনন্দ ও স্মৃতিচারণে কখন যে দিনটি পেরিয়ে গেছে, তা যেন টেরই পাননি কেউ। প্রবাসের ব্যস্ত জীবনের মাঝে এই মিলনমেলা চবিয়ানদের জন্য হয়ে উঠেছিল শেকড়ের কাছে ফিরে যাওয়ার এক অনন্য উপলক্ষ্য।

এ আয়োজন আবারও প্রমাণ করেছে, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন শুধু একটি সংগঠন নয়; এটি প্রবাসে ছড়িয়ে থাকা চবিয়ানদের এক বৃহৎ পরিবার। দেশ থেকে হাজার হাজার মাইল দূরে থেকেও তাঁরা নিজেদের শেকড়, সংস্কৃতি ও পারস্পরিক বন্ধনকে গভীরভাবে ধারণ করে চলেছেন। সময় ও দূরত্বের ব্যবধান পেরিয়ে এমন আয়োজন তাঁদের সেই বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করে তোলে।

দিনব্যাপী কর্মসূচিতে ছিল প্রাতঃরাশ, উদ্বোধনী অনুষ্ঠান, খেলাধুলা, মধ্যাহ্নভোজ, মিউজিক্যাল পিলো, শুভানুধ্যায়ীদের বক্তব্য, বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও বহুল প্রতীক্ষিত র‍্যাফেল ড্র। সবশেষে সভাপতির ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং সমবেত কণ্ঠে বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে শেষ হয় দিনের আনুষ্ঠানিকতা। তবে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও অংশগ্রহণকারীদের হৃদয়ে থেকে যায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস ও স্মৃতিময় দিনের রেশ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ৩০তম বনভোজন-২০২৬ তাই শুধু একটি বনভোজন ছিল না; এটি ছিল বন্ধুত্ব, স্মৃতি, সংস্কৃতি ও শেকড়ের সঙ্গে নতুন করে সংযোগ স্থাপনের এক আবেগঘন উৎসব। নিউইয়র্কের সবুজ প্রান্তরে একদিনের এই মিলনমেলা যেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সোনালি দিনগুলোকে আবারও ফিরিয়ে দিয়েছিল প্রবাসী চবিয়ানদের হৃদয়ে।

ছবিতে দেখুন

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজন অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজন অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজন অনুষ্ঠিত
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় এলামনাই অ্যাসোসিয়েশন নর্থ আমেরিকার ৩০তম বনভোজন অনুষ্ঠিত
আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন