রবীন্দ্রনাথের প্রয়াণদিবসে ঢাকায় 'ইতি রবীন্দ্রনাথ' শীর্ষক বিশেষ সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা
বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী স্মরণে ঢাকায় আয়োজিত 'ইতি রবীন্দ্রনাথ' অনুষ্ঠানে সংগীত ও আবৃত্তির মাধ্যমে শ্রদ্ধা জানানো হয়। ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে তুলে ধরাই ছিল এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য।

বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ৮৫তম প্রয়াণবার্ষিকী স্মরণে ঢাকার ইন্দিরা গান্ধী কালচারাল সেন্টার (আইজিসিসি) 'ইতি রবীন্দ্রনাথ' শিরোনামে রবীন্দ্রসংগীত ও কাব্য আবৃত্তির একটি বিশেষ সন্ধ্যার আয়োজন করে। গত বৃহস্পতিবার রাতে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কবিগুরুর শাশ্বত মানবতাবাদী আদর্শ এবং ভারত ও বাংলাদেশের অভিন্ন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করা হয়।
অনুষ্ঠানে চমৎকার রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করে উপস্থিত দর্শক-শ্রোতাদের বিমোহিত করেন কণ্ঠশিল্পী স্বপ্নীল সজীব। পাশাপাশি আবৃত্তিশিল্পী সামিউল ইসলাম পলকের গলায় উঠে আসে কবিগুরুর কবিতা। সংগীতশিল্পী স্বপ্নীল আধুনিক, লোক ও পপ ধারার গানে অত্যন্ত সুপরিচিত এবং বিভিন্ন সাংস্কৃতিক মঞ্চ, কনসার্ট ও টেলিভিশনে নিয়মিত গান গেয়ে থাকেন। অন্যদিকে আবৃত্তিশিল্পী পলক ২০০১ খ্রিষ্টাব্দের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে স্বর্ণপদক পেয়েছিলেন। বাংলাদেশ বেতার ও টেলিভিশনের নিয়মিত এই শিল্পী কলকাতার রবীন্দ্র সদনে একক আবৃত্তি পরিবেশনার পাশাপাশি ভারতের সারেগামা ও হিন্দুস্তান রেকর্ডসের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা রাখেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার শ্রী দীনেশ ত্রিবেদী তাঁর বক্তব্যে জানান, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের সাহিত্যিক সৃষ্টি ও জীবনদর্শন ভারত এবং বাংলাদেশের যৌথ সংস্কৃতি, শান্তি ও পারস্পরিক মেলবন্ধনের এক অবিচ্ছেদ্য ভিত্তিপ্রস্তর। বিশ্বকবির সার্বজনীন মানবতাবাদী চেতনা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে উভয় দেশের জনগোষ্ঠীকে উদ্বুদ্ধ করে চলেছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, দুই দেশের মধ্যকার শিল্পচর্চা, সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সামাজিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় রূপ দিতে এ ধরনের অনুষ্ঠান আয়োজনের ধারা অব্যাহত রাখা হবে।
