চীনা প্রযুক্তিতে ইরানের সামরিক অগ্রগতি ও নতুন কৌশলগত সমীকরণ

সম্পাদকীয় ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৮৮৭

বেইজিংয়ের মিসাইল প্রযুক্তি ও জ্বালানি ক্রয়ের ওপর ভর করে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে তেহরান। তবে এই দ্বিপক্ষীয় ঘনিষ্ঠতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে উদ্বেগ বাড়ছে।

চীনা প্রযুক্তিতে ইরানের সামরিক অগ্রগতি ও নতুন কৌশলগত সমীকরণ

বর্তমান বিশ্বরাজনীতিতে তেহরান ও বেইজিংয়ের দ্বিপক্ষীয় জোটে নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে। ক্ষেপণাস্ত্র তৈরিতে চীনের দেয়া আধুনিক প্রযুক্তি ইরানের প্রতিরক্ষা ক্ষমতাকে বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এর ফলে অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কিংবা যেকোনো ধরনের সশস্ত্র সংঘাতের মুখেও নিজেদের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে দেশটি। প্রতিরক্ষাব্যবস্থা জোরদার করার পাশাপাশি তেহরান বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে নতুন মিত্রতার ভিত্তি স্থাপন করছে।

বেইজিংয়ের সঙ্গে এই নিবিড় যোগাযোগ ইরানের সামনে নানা সুযোগ তৈরি করেছে। বর্তমানে দেশটি থেকে বিপুল পরিমাণ অপরিশোধিত খনিজ তেল কিনছে চীন, যা অর্থনৈতিক চাপ কাটিয়ে উঠতে তেহরানকে বড় স্বস্তি দিচ্ছে। এর পাশাপাশি দুদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সামরিক অংশীদারত্ব দিন দিন নতুন উচ্চতায় পৌঁছাচ্ছে।

তবে এই পারস্পরিক সহযোগিতার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলে নানা আশঙ্কা ও সমালোচনা তৈরি হয়েছে। তেহরান যদি কখনো এই সামরিক প্রযুক্তি ব্যবহারে বাধ্য হয়, সে ক্ষেত্রে বৈশ্বিক প্রতিক্রিয়া কী দাঁড়াবে—তা নিয়েও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। সামনের দিনগুলোতে বেইজিং ও তেহরানের এই কৌশলগত মেলবন্ধন কী রূপ নেয়, তা-ই এখন দেখার বিষয়।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন