ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা

সম্পাদকীয় ৮ আগস্ট ২০২৬ ৩১০৯

চীনা ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি ও জ্বালানি ক্রয়ের মাধ্যমে সামরিক ও অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হচ্ছে ইরান। তবে এই কৌশলগত সমীকরণ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ইরানের সামরিক ও অর্থনৈতিক শক্তিতে চীনের ক্রমবর্ধমান ভূমিকা

বর্তমান ভূরাজনীতিতে ইরান ও বেজিংয়ের পারস্পরিক সহযোগিতা বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে। চীনের উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তির সহায়তায় তহরান তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বহুগুণ শক্তিশালী করে তুলেছে। ফলে যেকোনো ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা কিংবা প্রথাগত সামরিক সংঘাতের মধ্যেও নিজেদের টিকিয়ে রাখার সক্ষমতা অর্জন করেছে দেশটি। এর মাধ্যমে ইরান শুধু নিজেদের সশস্ত্র বাহিনীকে আধুনিকায়ন করছে না, বরং এশীয় শক্তির সঙ্গে নতুন কৌশলগত অক্ষ গড়ে তুলছে।

প্রতিরক্ষা খাতের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ক্ষেত্রেও এই অংশীদারিত্ব ইরানকে বড় ধরনের স্বস্তি দিয়েছে। আন্তর্জাতিক কড়াকড়ির মধ্যেও চীন ইরানের অপরিশোধিত খনিজ তেলের প্রধান ক্রেতায় পরিণত হওয়ায় দেশটির অভ্যন্তরীণ অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ পাচ্ছে। একই সঙ্গে দুই দেশের সামরিক যৌথতা এক নতুন উচ্চতায় প্রবেশ করছে।

তবে এই ভূরাজনৈতিক সমীকরণ ঘিরে বৈশ্বিক পর্যায়ে নানামুখী আলোচনা ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় দুই দেশের সম্পর্ক নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে। বিশেষ করে ইরান যদি এই ক্ষেপণাস্ত্র প্রয়োগের পথে হাঁটে, তবে তার বৈশ্বিক পরিণতি কতটা ভয়াবহ হবে তা বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। সার্বিকভাবে, আগামী দিনে বেজিং-তহরান সম্পর্কের গতিপথ কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর রাখছে বিশ্ব।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন