সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

খেলা ৮ আগস্ট ২০২৬ ৩০৩৫

মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিরতার পটভূমিতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত ও জোটবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' স্বাক্ষর করেছে।

সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষর

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সংঘাত এবং হুতি বিদ্রোহীদের তৎপরতায় মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালীতে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী বিভিন্ন রাষ্ট্রও এই সহিংসতায় জড়িয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে নিজেদের নিরাপত্তাব্যবস্থা সুসংহত করতে গত শুক্রবার সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তান 'মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি' সই করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র এখন আগের মতো নির্ভরযোগ্য অংশীদার না থাকায় এবং ইয়েমেনের হুতিরা সৌদি আরবে আঘাত হানায় রিয়াদ নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে। এই ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার উদ্দেশ্য হলো সম্মিলিত নিরাপত্তা বাড়ানো এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থায়িত্ব রক্ষায় একসঙ্গে কাজ করা।

পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, সদস্য যেকোনো একটি দেশের ওপর আক্রমণ হলে তা তিনটি রাষ্ট্রের ওপরই আক্রমণ বলে ধরে নেওয়া হবে। যার মূল উদ্দেশ্য যৌথ প্রতিরোধ সক্ষমতা বৃদ্ধি করা। তবে তুরস্কের রাষ্ট্রপতির যোগাযোগ দপ্তর থেকে জানানো হয়েছে, সমঝোতাটি নির্দিষ্ট কোনো দেশের বিরুদ্ধে নয়। তাদের অপতথ্যবিরোধী সংস্থাও উল্লেখ করে, ন্যাটোর প্রতিশ্রুতিসহ তুরস্কের অন্যান্য আন্তর্জাতিক অঙ্গীকারের সঙ্গে এর কোনো দ্বন্দ্ব নেই।

একইভাবে রিয়াদও একে কোনো সামরিক কিংবা সাম্প্রদায়িক বলয় হিসেবে দেখছে না। সৌদি আরবের জনকূটনীতি বিষয়ক উপমন্ত্রী রায়েদ ক্রিমলি জানিয়েছেন, এই পদক্ষেপে অস্ত্র প্রতিযোগিতা বা পারমাণবিক আকাঙ্ক্ষার কোনো স্থান নেই; বরং টেকসই সামর্থ্য অর্জনের ওপরই জোর দেওয়া হয়েছে। তিনি আরও আশ্বস্ত করেন, এ চুক্তি অঞ্চলের কোনো দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে না।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন