সারদায় প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, পিপিএম

এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে :
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর ২০২৬ ) রাজশাহীর সারদায় বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির ঐতিহাসিক প্যারেড গ্রাউন্ডে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ও ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ)-এর ছয় মাস মেয়াদি মৌলিক প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ, পিপিএম।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, এমপি প্যারেড পরিদর্শন, অভিবাদন গ্রহণ এবং বিভিন্ন বিষয়ে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করেন। এ সময় তিনি নবীন পুলিশ কর্মকর্তাদের পেশাদারিত্ব, নিরপেক্ষতা ও মানবিক আচরণের মাধ্যমে ‘জনগণের পুলিশ’ হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, জনগণের প্রত্যাশা পূরণে পুলিশকে আরও আন্তরিক ও সেবামুখী হতে হবে। ভয়ভীতি ও পক্ষপাতিত্বের ঊর্ধ্বে থেকে আইনি সেবা ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জনগণের আস্থা অর্জনে কাজ করতে হবে। সংবিধান ও প্রচলিত আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে নিরপেক্ষ তদন্ত, অপরাধ দমন এবং নিরপরাধ মানুষের অধিকার সুরক্ষার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সংসদ সদস্যরা, বাংলাদেশ পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির, বিপিএম, বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমির প্রিন্সিপাল মো. মাইনুল হাসান, বিপিএম এবং রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) মো. রেজাউল আলম সরকার। এ ছাড়া সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, আমন্ত্রিত অতিথি, প্রশিক্ষণার্থীদের অভিভাবক এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমের সাংবাদিকরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
এবারের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচ থেকে বেস্ট সার্জেন্ট হিসেবে মোহাঃ ওমর ফারুক, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হিসেবে সাইফুল ইসলাম এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে মোহাঃ আসাদুজ্জামান পুরস্কার অর্জন করেন।
অন্যদিকে, ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর (২০০৬ ব্যাচ) থেকে বেস্ট ক্যাডেট হিসেবে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, বেস্ট একাডেমিক হিসেবে মো. বোরহানুল ইসলাম, বেস্ট ইন ফিল্ড অ্যাক্টিভিটিজ হিসেবে দেওয়ান গোলাম রসুল এবং বেস্ট শ্যুটার হিসেবে মো. কামাল গনি পুরস্কার লাভ করেন।
প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজের মধ্য দিয়ে ২৭তম শিক্ষানবিশ সার্জেন্ট ব্যাচের ৮৪ জন এবং ৪৩তম ক্যাডেট সাব-ইন্সপেক্টর ব্যাচের ১৬২ জনসহ মোট ২৪৬ জন প্রশিক্ষণার্থী তাঁদের মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করে বাস্তব কর্মজীবনে প্রবেশ করেন
