মার্কিন পোশাক বাজারে চীন ও ভারতের চেয়ে কম ধাক্কায় বাংলাদেশ
চলতি বছরের প্রথমার্ধে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি পোশাকের মোট আমদানি কমেছে। তবে প্রতিযোগী চীন ও ভারতের বড় দরপতনের তুলনায় বাংলাদেশি পোশাকের রপ্তানি ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কম।

বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পাঠানো পোশাকের প্রায় এক-পঞ্চমাংশই যায় যুক্তরাষ্ট্রে, যা একক দেশ হিসেবে দেশটির সবচেয়ে বড় পোশাক রপ্তানি গন্তব্য। তবে বিশ্বজুড়ে তৈরি হওয়া আর্থিক চাপ ও চড়া শুল্কের কারণে আমেরিকান বাজারে পোশাকের সার্বিক চাহিদা বেশ কমে গেছে। ফলে চলতি বছরের প্রথমার্ধে সে দেশে তৈরি পোশাকের সামগ্রিক আমদানি হ্রাস পেয়েছে। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগের অঙ্গসংগঠন অফিস অব টেক্সটাইলস অ্যান্ড অ্যাপারেল (ওটেক্সা) প্রকাশিত বৃহস্পতিবারের প্রতিবেদনে এই চিত্র উঠে এসেছে। ওটেক্সার দেওয়া হিসাব অনুযায়ী, জানুয়ারি থেকে জুন মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে পোশাকের মোট আমদানি কমে ৩৫ দশমিক ০৯ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর মধ্যে চীন থেকে পোশাক আমদানি কমার হার ছিল সবচেয়ে বেশি, যা ৩৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। অন্যদিকে কম্বোডিয়া থেকে ১২ দশমিক ৩২ শতাংশ, ভিয়েতনাম থেকে ১ দশমিক ০৮ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়া থেকে ৩ দশমিক ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত মূল্যের পোশাক আমদানি করা হয়েছে। আলোচ্য সময়ে পাকিস্তানের মতোই দরপতনের শিকার হয়েছে বাংলাদেশের পোশাক, তবে চীন ও ভারতের বড় দরপতনের তুলনায় তা কিছুটা কম ছিল।
