মেজরের জামায়াতে যোগদান ও অতীত বক্তব্য নিয়ে রাশেদ খানের সমালোচনা
কারামুক্তির পর সংবর্ধনা পাওয়া অবসরপ্রাপ্ত মেজর আক্তারুজ্জামানকে নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন রাশেদ খান। তিনি জুলাইয়ের আন্দোলন ও মুক্তিযুদ্ধের প্রসঙ্গ তুলে ধরে এই সংবর্ধনার সমালোচনা করেন।

সম্প্রতি কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর সাবেক সামরিক কর্মকর্তা মেজর (অব.) আক্তারুজ্জামানকে সংবর্ধনা দেয় জামায়াতে ইসলামী। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কড়া সমালোচনা করেছেন রাজনৈতিক প্রতিনিধি রাশেদ খান।
তিনি জানান, ২০২৪ সালের জুলাই মাসে একটি টকশোতে আলোচনার সময় আন্দোলনকারীদের রাজাকারের সন্তান বলে অভিহিত করেছিলেন আক্তারুজ্জামান। রাশেদ খানের মতে, উক্ত অনুষ্ঠানে সঞ্চালকের প্রশ্নের জবাবে তিনি স্পষ্ট ভাষায় দাবি করেন যে আন্দোলনরত সবাই শতভাগ রাজাকারের বংশধর এবং এতে জামায়াত-শিবির জড়িত রয়েছে।
সাবেক এই সামরিক কর্মকর্তার অবস্থানের পরিবর্তন নিয়ে মন্তব্য করে রাশেদ খান বলেন, যিনি একসময় দলটিকে সন্ত্রাসী আখ্যা দিতেন, তিনি এখন মঞ্চে দাঁড়িয়ে দলীয় স্লোগান দিচ্ছেন। এই প্রসঙ্গে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ভবিষ্যতে শেখ হাসিনাও যদি ক্ষমা চেয়ে দলে আসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, তবে জামায়াত তাকে গ্রহণ করবে কি না।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, সংবর্ধনা সভায় জামায়াত আমিরের পাশে দাঁড়িয়ে আক্তারুজ্জামান মন্তব্য করেন যে তৎকালীন ইয়াহিয়া খান যাকে আটকাতে পারেননি, তাকে অন্য কেউ কীভাবে আটকাবে। ১৯৭১ সালের এই উল্লেখের মাধ্যমে সংবর্ধিত ব্যক্তিত্ব দলের জন্য অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছেন বলে রাশেদ খান মত প্রকাশ করেন।
