বে টার্মিনাল বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও গতি বাড়বে: নৌপরিবহনমন্ত্রী
চট্টগ্রাম বন্দরের বে টার্মিনাল প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে বন্দরটির পরিচালন সক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি পণ্য পরিবহনে গতি আসবে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনারের সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা জানান।

বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত বে টার্মিনাল প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের দ্রুতবর্ধনশীল আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের চাহিদা মেটানো এবং বন্দর ব্যবস্থাপনা আধুনিকায়ন সম্ভব হবে বলে মন্তব্য করেছেন নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। ৩ নভেম্বর সিঙ্গাপুরের অনাবাসী হাইকমিশনার ডেরেক লো ঢাকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে এলে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
বৈঠকে চট্টগ্রাম বন্দরের এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পে সিঙ্গাপুরের বিনিয়োগের সুযোগ এবং দেশটির খ্যাতিমান বন্দর পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘পিএসএ ইন্টারন্যাশনাল’-এর টার্মিনালটি পরিচালনার আগ্রহ ও প্রস্তুতি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা হয়। নৌপরিবহনমন্ত্রী জোর দিয়ে বলেন, অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও বৈদেশিক বাণিজ্য প্রসারে আধুনিক বন্দর অবকাঠামোর ভূমিকা অপরিসীম। দেশের অর্থনীতির সার্বিক প্রবৃদ্ধির সাথে সঙ্গতি রেখে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিক প্রযুক্তির সংযোজন এবং দক্ষ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে বে টার্মিনাল প্রকল্প বড় ভূমিকা রাখবে।
তিনি জানান, বাংলাদেশের সমুদ্র ও বন্দর খাতের সার্বিক অগ্রযাত্রায় সিঙ্গাপুরের প্রযুক্তি, অভিজ্ঞতা এবং নতুন বিনিয়োগ অত্যন্ত ফলপ্রসূ হতে পারে। এই লক্ষ্যে দুই দেশের মধ্যকার চলমান পারস্পরিক সহযোগিতা আরও জোরদার করার ওপর তিনি আলোকপাত করেন।
সংশ্লিষ্টদের মতে, আন্তর্জাতিক বন্দর পরিচালনায় পিএসএ ইন্টারন্যাশনালের দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের বন্দর খাতের আধুনিকায়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। এ ধরনের বিশ্বমানের আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব বন্দরের পরিচালন দক্ষতা ও সেবা মানকে বৈশ্বিক পর্যায়ে উন্নীত করবে। বৈঠকে হাইকমিশনার ডেরেক লো দ্বিপক্ষীয় অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারে সিঙ্গাপুরের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
