বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

রাজনীতি ৬ আগস্ট ২০২৬ ৩০৩৫

বঙ্গভবনের পরবর্তী অধিবাসী হিসেবে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। জাতীয় সংসদে বিএনপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় তাদের মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন।

বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

বাংলাদেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধান পদে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম জোরালোভাবে বিবেচনায় রয়েছে। দলের নীতি-নির্ধারণী মহলে রাষ্ট্রপতির প্রার্থী হিসেবে তাকে বেছে নেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চলছে। সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তারেক রহমানের নেতৃত্বে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে বিএনপি সরকার গড়ে তোলে। পরবর্তীতে প্রার্থী চূড়ান্তকরণের সর্বময় ক্ষমতা দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপর ন্যস্ত করেছে বিএনপির স্থায়ী কমিটি।

রাষ্ট্রপতি পদে নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে নির্বাচন কমিশন ইতিমধ্যে সময়সূচি নির্ধারণ করেছে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ১৩ই আগস্ট মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়, ১৬ই আগস্ট তা যাচাই এবং ১৮ই আগস্ট প্রার্থিতা ফিরিয়ে নেওয়ার শেষ দিন রাখা হয়েছে। তৎকালীন আওয়ামী লীগ মনোনীত ২২তম রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন মেয়াদ শেষ হওয়ার প্রায় দেড় বছর পূর্বেই গত ২৪শে জুলাই পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। বর্তমান সংসদে বিএনপির একক আধিপত্য থাকায় তাদের মনোনীত প্রার্থীই রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে স্থলাভিষিক্ত হতে যাচ্ছেন। প্রধান বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামী এ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী না দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে, তবে দলটির সাধারণ সম্পাদক মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেছেন যে প্রার্থীর ব্যাপারে সরকার বিরোধীদের সঙ্গে কোনো পরামর্শ করেনি।

ফখরুল ছাড়াও আলোচনায় অন্যান্য প্রবীণ নেতাদের নাম এলেও বিএনপির অধিকাংশ নীতি-নির্ধারক একজন বর্ষীয়ান ও সক্রিয় রাজনীতিককে বঙ্গভবনে পাঠাতে চান। দীর্ঘ সময় ধরে বেগম খালেদা জিয়ার কারাবাস ও তারেক রহমানের নির্বাসনে থাকার সময়ে মির্জা ফখরুল দেশের ভেতরে চরম প্রতিকূল পরিস্থিতিতে বিএনপিকে সুসংগঠিত রাখতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। এই দীর্ঘ রাজনৈতিক ত্যাগের সম্মানার্থেই তাকে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে সমাসীন করার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। যদিও দলের একাংশের মতে, বর্তমান মন্ত্রিপরিষদ ও সরকার পরিচালনায় তার মতো অভিজ্ঞতা সম্পন্ন নেতার উপস্থিতি অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আইনগত বিধান অনুসারে, নির্ধারিত দিনে একক প্রার্থী বৈধ হলে সরাসরি বিজয় ঘোষণা করা হবে, আর একাধিক প্রার্থী থাকলে জাতীয় সংসদে ভোটের আয়োজন করা হবে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন