বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি রুখতে কড়া হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

খেলা ৮ আগস্ট ২০২৬ ৩০৭২

ঝিনাইদহের শৈলকূপায় হাট পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান জানান, কৃষকদের জিম্মি করে অসাধু ব্যবসা ও অবৈধ মজুতদারি করলে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান প্রয়োগ করা হবে।

বাজার সিন্ডিকেট ও মজুতদারি রুখতে কড়া হুঁশিয়ারি আইনমন্ত্রীর

ঝিনাইদহের শৈলকূপা এলাকার পাট ও পেঁয়াজের পাইকারি বাজার ও আড়ত ঘুরে দেখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ২০২৬ সালের ৮ আগস্ট অনুষ্ঠিত ওই পরিদর্শনে তিনি বলেন, অসাধু ব্যবসায়ী চক্রের দৌরাত্ম্যে প্রান্তিক কৃষকরা চরম ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। এই পরিস্থিতি থেকে কৃষকদের সুরক্ষা দিতে এবং বাজার ব্যবস্থার শৃঙ্খলা ফেরাতে সরকার জোরালো পদক্ষেপ নিচ্ছে।

মন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, অসাধু উপায়ে পণ্য মজুতকরণ ও সিন্ডিকেট তৈরির বিরুদ্ধে ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইন অনুযায়ী কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ওই আইনে অবৈধ মজুতদারির সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের বিষয়টি ভেবেচিন্তে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

কৃষকদের পরিশ্রমের সঠিক মূল্য না পাওয়ার বিষয়টি তুলে ধরে আইনমন্ত্রী উল্লেখ করেন, হাটে এসে তারা অবৈধ চাঁদা ও সিন্ডিকেটের মুখে পড়েন। এক মণ পাট বা পেঁয়াজ বিক্রির ক্ষেত্রে বাড়তি দুই কেজি তোলা ছাড়াও পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর পক্ষ থেকে আলাদা বখরা নেওয়া হতো। ফলে ৪০ কেজির জায়গায় কৃষককে দিতে হতো ৪৫ কেজি, যা পুরোপুরি অন্যায্য।

তিনি আরও জানান, সব হাটে ইতিমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনামা পাঠানো হয়েছে। শৃঙ্খলা ভেঙে অনাচার করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। কোনো ব্যবসায়ী অতিরিক্ত সুবিধা না পেয়ে মালামাল কেনা বন্ধের হুমকি দিলে তাকে বাজার ছেড়ে যাওয়ার পরামর্শ দিয়ে মন্ত্রী বলেন, এতে বিকল্প ব্যবসায়ীদের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

উক্ত বাজার পরিদর্শনকালে আইনমন্ত্রীর সঙ্গে উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন বাবর ফিরোজ এবং দলটির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন