এসআইবিএল থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি

রাজনীতি ৬ আগস্ট ২০২৬ ৪৬৬৩

এক্সিম ব্যাংকের পর এবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক থেকেও প্রশাসক সরিয়ে নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মাধ্যমে একীভূত হওয়া ব্যাংকগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার প্রক্রিয়ায় আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল নবগঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক।

এসআইবিএল থেকে প্রশাসক প্রত্যাহার, সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণে অগ্রগতি

সংকট কাটিয়ে উঠতে একীভূত হওয়া শরিয়াহভিত্তিক পাঁচ প্রতিষ্ঠানের প্রশাসনিক দায়িত্ব বুঝে নেওয়ার কার্যক্রমে নতুন অগ্রগতি হয়েছে। এক্সিম ব্যাংকের ধারাবাহিকতায় এবার সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক (এসআইবিএল) থেকেও প্রশাসক প্রত্যাহার করে নিয়েছে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) তথ্যটি নিশ্চিত করে জানান যে, পর্যায়ক্রমে অবশিষ্ট ব্যাংকগুলো থেকেও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিনিধি তুলে নেওয়া হবে। এর ফলে পাঁচটি প্রতিষ্ঠানের দুটির সার্বিক পরিচালনা ও তদারকি নতুন গঠিত সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংকের পর্ষদের কাছে হস্তান্তরের আইনি প্রক্রিয়া শেষ হলো।

বিগত সরকারের সময়ে এসআইবিএলসহ চার প্রতিষ্ঠানের মূল চালিকাশক্তি ছিল এস আলম গ্রুপ এবং এক্সিম ব্যাংকের দায়িত্বে ছিলেন বিএবি’র সাবেক প্রধান নজরুল ইসলাম মজুমদার। আমানতকারীদের অর্থ পরিশোধে ব্যর্থতার কারণে সৃষ্ট সংকট সামলাতে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এই পাঁচ ব্যাংক মিলে 'সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক' গঠন করে।

নতুন এই ব্যাংকটির পরিশোধিত মূলধনের পরিমাণ ৩৫ হাজার কোটি টাকা। এতে সরকারের দেওয়া ২০ হাজার কোটি টাকার পাশাপাশি বাকি ১৫ হাজার কোটি টাকা সাধারণ আমানতকারীদের গচ্ছিত অর্থের বিপরীতে শেয়ারে রূপান্তরিত করা হয়েছে।

তবে প্রযুক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক একীকরণের কাজ পুরোপুরি শেষ না হওয়ায় এখনো ব্যাংকিং লেনদেন ও বৈদেশিক বাণিজ্য নস্ট্রো হিসাবের মাধ্যমে পুরোনো নামেই পরিচালিত হচ্ছে। প্রযুক্তিগত সমন্বয় কাজ শেষে একক সত্তা হিসেবে এটি পুরোদমে চালু হবে এবং গ্রাহকের আস্থা পুনর্গঠনে নতুন ঋণ ও আমানত প্রকল্প চালু করার প্রস্তুতি চলছে।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন