অর্থনৈতিক সংকট তীব্র হওয়ার জন্য সরকারের অব্যবস্থাপনাকে দায়ী করলেন মঞ্জু
দ্রব্যমূল্যের বৃদ্ধি ও অর্থনৈতিক অস্থিরতায় দেশের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। এই অবস্থা মোকাবিলায় সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে জাতীয় ঐক্যের ওপর জোর দিয়েছেন তিনি।

নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দরবৃদ্ধি, জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতের অব্যবস্থাপনা এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবক্ষয়ের ফলে দেশ এক গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মজিবুর রহমান মঞ্জু। ২ নভেম্বর, সোমবার দলীয় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সম্পাদকীয় কমিটির বিশেষ সভায় সভাপতি হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এসব কথা বলেন।
মঞ্জু জানান, ব্যাংকব্যবস্থা ও শেয়ারবাজারে এখনো কোনো আশাব্যঞ্জক পরিবর্তন আসেনি। এর পাশাপাশি তৈরি পোশাক খাত ও জনশক্তি রপ্তানিতে নতুন সংকটের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে আরও নাজুক করবে। মজুরি সংক্রান্ত একটি আন্দোলনকে কেন্দ্র করে তৈরি পোশাকশিল্পে যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে, তা ক্রমান্বয়ে অন্যান্য পেশাতেও বিস্তৃতি লাভ করতে পারে বলে তিনি সতর্ক করেন।
তিনি দাবি করেন, সবাইকে সঙ্গে নিয়ে রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে সরকারের সদিচ্ছার অভাব রয়েছে। অপরদিকে অভিজ্ঞতার অভাবে বিরোধী শক্তিগুলোও তাদের কাঙ্ক্ষিত ও দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখতে পারছে না। অর্থনীতি পুনরুদ্ধার ও ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকানোর স্বার্থে সরকারি ও বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার ওপর তিনি জোর দেন। একই সঙ্গে বিরোধী দলগুলো যেন সংসদ ও রাজনৈতিক ময়দানে কার্যকর ভূমিকা পালনের সুযোগ পায়, সেই পরিবেশ তৈরি করা আবশ্যক বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
উক্ত সভায় উপস্থিত ছিলেন দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার যোবায়ের আহমেদ ভূইয়া, অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা, এবিএম খালিদ হাসান, আমিনুল ইসলাম, মো. আলতাফ হোসাইন, শাহাদাতুল্লাহ টুটুল, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্যারিস্টার আব্বাস ইসলাম খান নোমান, গোলাম রব্বানী রাজা, আব্দুল হালিম খোকন, সেলিম খান, কেফায়েত হোসাইন তানভীর, মোহাম্মদ প্রিন্স, হাদীউজ্জামান খোকন, অ্যাডভোকেট সাঈদ নোমান, গাজী নাসির, অধ্যক্ষ ইয়ামিনুর রহমান, অ্যাডভোকেট মতিয়ার রহমান, মিয়া মো. তৌফিক, প্রকৌশলী ড. শাহেদুল ইসলাম, রাজিয়া সুলতানা, ওমর ফারুক এবং সফিউল বাশার।
