NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ২৩, ২০২৬ | ৮ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড Minister of Home Affairs holds bilateral meetings with Pakistan, Viet Nam and UN leaders at UNHQ আমেরিকা প্রবাসী বিশিষ্ট সাংবাদিক আকবর হায়দার কিরণের জন্মদিন পালিত বগুড়ায় নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সম্মাননা পেলেন দুই কৃতি অ্যালামনাই
Logo
logo

আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না: সি চিন পিংকে বাবা সি চং স্যুন


ছাই উইয়ে মুক্তা,বেইজিং: প্রকাশিত:  ২৩ জুলাই, ২০২৬, ০৪:০৮ পিএম

আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না: সি চিন পিংকে বাবা সি চং স্যুন

 


সি চং স্যুন একবার তার ছেলে সি চিন পিং-কে বলেছিলেন: ‘তুমি যত বড় কর্মকর্তাই হও না কেন, আন্তরিকতার সাথে জনগণের সেবা করতে ভুলো না; সত্যিকার অর্থেই জনগণের কথা ভাববে, গণমানুষের সাথে সংযোগ স্থাপন করবে এবং তাদের জন্য সহজলভ্য হবে।’

১৯৪৫ সালের অক্টোবরে মাও সেতুং চীনা কমিউনিস্ট পার্টির কমরেডদের সাথে সি চং স্যুনকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। তখন তিনি বলেছিলেন, উত্তর-পশ্চিম ব্যুরোর সম্পাদক হিসেবে এই তরুণ কমরেডকে দায়িত্ব দিতে হবে। তাঁর নাম সি চং স্যুন। তিনি জনগণের মধ্য থেকে বেরিয়ে আসা একজন জননেতা।

জাতীয় বিপদের সময়ে জন্মগ্রহণকারী এই সর্বহারা বিপ্লবী সি চং স্যুন কৃষকদের মধ্যে বেড়ে উঠেছেন। জনগণ, বিশেষ করে কৃষকদের প্রতি তাঁর গভীর মমত্ববোধ ছিল। তিনি সবসময় বলতেন, আমি একজন কৃষকের ছেলে। 

সি চং স্যুন সুইত্য-র স্থানীয় সিপিসি কমিটির সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব গ্রহণ করার সাথে সাথে ৫ লাখ ২০ হাজার বাসিন্দার সেবায় আত্মনিয়োগ করার প্রতিশ্রুতি দেন। তিনি সকল স্তরের ক্যাডারদের গ্রামে গিয়ে জনসাধারণের জন্য কাজ করতে ও তাদের বিভিন্ন সমস্যা সমাধান করতে আহ্বান জানান।  

সি চিন পিং বলেন, বাবার আচরণ সম্পর্ককে জানতে হবে, বাবার কাজ দেখে শিখতে হবে, সন্তানসুলভ দৃষ্টিকোণ থেকে বাবাকে অনুসরণ করতে হবে, মিতব্যয়ী জীবন কাটানোর দিক্ষা বাবার কাছ থেকে নিতে হবে। 

সি চিন পিং মনে করেন, একজন ব্যক্তি জনগণের সেবা করার মাধ্যমে পিতামাতার প্রতি সবচেয়ে বড় সুবিচার করতে পারে। এই শিক্ষা তিনি পেয়েছেন তাঁর বাবার কাছ থেকে। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।