NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬ | ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দূরত্বের ভার বহন করতো যে চিঠি আকবর হায়দার কিরণের দ্য স্মেল অব লেটার্স কবিতার ইতিবাচক পাঠ সানিসাইডের কবিতার মঞ্চে কবিতায়, কথায় ও শিকড়ের স্মৃতিতে মনিজা রহমান বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
Logo
logo

খাবারে প্রাকৃতিক সুগন্ধি বিলানো সেই পোলাওপাতা


এম আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত:  ২৬ জুলাই, ২০২৬, ০২:৫৭ পিএম

খাবারে প্রাকৃতিক সুগন্ধি বিলানো সেই পোলাওপাতা

এম আব্দুর রাজ্জাক বগুড়া থেকে : খাবারে (ফিরনি-পায়েস) প্রাকৃতিক সুগন্ধির জন্য এক ধরনের পাতা ব্যবহার করা হয় যা পোলাওপাতা নামে পরিচিত। এর প্রমাণ পাওয়া যায় এই গাছের ছোট কিংবা বড় যেকোন পাতা আঙ্গুল দিয়ে ডললে এক ধরনের রস বেড়িয়ে আসে যার গন্ধ সত্যিই পোলাওয়ের মতো। অনেকেই এক পোলাওপাতা বললেও অধিকাংশ গ্রামে এক ক্ষিষাপাতাও বলে ।সম্প্রতি এই পোলাওপাতা গাছ বগুড়া জেলার আদমদিঘী উপজেলার নিমাইদিঘী গ্রামের  আবু তালেব সরদারের বাড়িতে দেখা যায়। আধোঁছায়াযুক্ত স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় ভালো জন্মে বলে এই পোলাওপাতা দেখতে সবুজ সতেজ লম্বা, সরু এবং খাড়া যার অগ্রভাগ তীক্ষ। তবে এই পাতায় কোনো কাঁটা নেই। কথা হয় সেই বাড়ির এক গৃহিনীর সাথে । তিনি জানান, যেকোন খাবারে রান্নার সময় ব্যবহার করা এবং খাবার পরিবেশনের আগে এই পাতা ফেলে দেওয়া হয়। সরজমিনে গিয়ে  " নিউইয়র্ক বাংলা ডটকমের বগুড়া প্রতিনিধি এম আব্দুর রাজ্জাক দেখেন যে, আনারসের গাছের মতো এর গোড়া হতে মোথা আকারে অনেকগুলো ছোট ছোট চারা বের হয়েছে।গোড়ায় জন্মানো এই ছোট ছোট চারাগুলো আলাদা করে লাগালে এর বংশবৃদ্ধি ঘটে। পোলাওপাতা গাছ বহুবর্ষজীবী । তেমন কোনো যত্ন ছাড়াই বাসা-বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা ফুলের টবে শোভা পায়। এর বৃদ্ধি আধোঁছায়াযুক্ত স্যাঁতস্যাঁতে জায়গায় ভালো হয়।পোলাওপাতা গাছের বৈজ্ঞানিক নাম অর্থাৎ উদ্ভিদতাত্ত্বিক নাম Pandanus Amaryllifolius জানা যায়, বাংলাদেশের উপকুলীয় যেমন সাতক্ষীরা,খুলনা,বাগেরহাট প্রভৃতি জেলা এমনকি উত্তরবঙ্গের ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়ে, নঁওগা, বগুড়াতে এটি বেশি দেখা যায়।