হাসিনা আকতার নিগার
বাংলাদেশের পটভূমিতে সরকার বদলের সাথে সাথে সব কিছু বদলে যাবে এটা যেন একটা অলিখিত সংবিধান। তার বিশেষ উদাহরণ হলো দেশাত্মবোধক সঙ্গীত।বিগত সময়ে যেমন ' প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ কিংবা আবার জমবে মেলা হাটখোলা ' - এ গান গুলো গাওয়া কিংবা শুনা যেত না তেমনি এখন মুক্তিযুদ্ধের গানগুলো মুখে আনাও কঠিন বিষয়। এ কথা বলার কারন হলো, ছাত্ররা, ২০২৪ সালের জুলাই তে, কোটা বিরোধী আন্দোলনের মধ্যে দিয়ে শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটিয়ে দেশের আমূল পরিবর্তন করার স্বপ্ন দেখেছিল। আর সে স্বপ্নের এক ভয়াবহ রূপ দেখিয়েছে, ড: ইউনুসের অন্তবর্তী সরকারের সময় দেশের সাহিত্য,সংস্কৃতি ও সংগীত চর্চার পথকে রুদ্ধ করার মধ্য দিয়ে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের ঢাল হিসাবে ব্যবহার করে জামায়েত ইসলাম দেশে তাদের শাসন ব্যবস্থা কায়েমের জন্য মরিয়া হয়ে উঠে।
ড: ইউনুস হ্যামিলননের বাঁশীওয়ালা হয়ে অনেক নতুন নতুন স্বপ্ন দেখিয়ে ছিল বটে। তবে সে আর স্বপ্ন জাগানিয়া বাঁশি হয়ে উঠেনি। জামায়াতে ইসলামী আর ছাত্রদের নতুন দল এনসিপির চিন্তা একই ঘরনার বলেই কাওয়ালী গানের আসর যেমন বসেছিল তেমনিভাবে দেশের ইতিহাসকে মুছে নতুন ইতিহাস রচনার চেষ্টারত ছিল তারা। তবে সে চিন্তাকে দেশের মানুষ বুঝতে পেরেই নির্বাচনের মাধ্যমে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছে তাদের অতীতের ভালো মন্দকে বিবেচনা করে। কারন দেশের মানুষের কাছে বিকল্প কোন পথ নেই। এক্ষেত্রে জনগণের প্রত্যাশা বিএনপি অতীতের ভুল পথে হাঁটবে না। তার কিছু নমুনা প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া নিজের ব্যক্তিজীবনে দেখাচ্ছেন। সে সাথে হয়তো বা প্রত্যাশা করেন, তার পথেই হাঁটবে দল এবং সাংসদগন।
বাস্তব চিত্র যদিও এখন পর্যন্ত তেমনটা নয়। নির্বাসিত জীবনে তারেক জিয়ার যে পরিবর্তন ঘটেছে তা দেশ পরিচালনায় বাস্তবায়ন করতে চায় বলেই, সবার আগে নিজেকে সাধারণ মানুষের নেতা হিসাবে উপস্থাপন করেছে নানাভাবে। প্রধানমন্ত্রী নিজের ব্যয় সংকোচন করার পাশাপাশি নিরাপত্তার বলয় কমিয়ে যানজটের দুর্ভোগ কমাতে চেষ্টা করছে। তার জন্য অবশ্যই সাধুবাদ কাম্য। এখন প্রশ্ন হলো জুলাই আন্দোলন পরবর্তী বাংলাদেশ কি মানুষের প্রত্যাশা পূরন করতে পারছে কিংবা পারবে কি? জুলাই সনদ বনাম বিএনপির ৩১ দফাকে বারবার মুখোমুখি করা হচ্ছে। বিএনপি জুলাই সনদ ও গন ভোটকে সর্মথন করেছে শুধু মাত্র নির্বাচনের জন্য। তাদের মূল লক্ষ্য হলো ৩১ দফা বাস্তবায়ন। সে অনুসারে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড সহ নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছেন বা চলমান প্রক্রিয়া রয়েছে। সব কিছুকে চাপিয়ে যখন মীর্জা ফখরুল ইসলাম বলেন " তারেক রহমান ছাড়া আর কারো পরিবর্তন ঘটেনি।"
ঘুষ থেকে শুরু করে তদবির চাঁদাবাজি সবই আগের মত আছে। তাহলে, পরিবর্তনের হাওয়া কি উবে যাচ্ছে ক্রমশ নাকি বলতে হবে বাংলাদেশের পরিবর্তন কেবলই অলীক স্বপ্ন। চারদিকে জুলাই আন্দোলনের ক্রেডিট নেয়ার যে কাড়াকাড়ি তা দেখে কি মনে হয় না, এটা শেখ হাসিনার ৭১ কে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে রূপান্তরিত করার প্রতিধ্বনি। ২০২৪ থেকে ২০২৬ সালে মাত্র দুই বছরেই এনসিপি,বিএনপি, জামায়েত ইসলাম সবাই বলে আন্দোলনে মূল কান্ডারী হিসাবে সকলেই সম্মিলিত নয় স্বতন্ত্র ভূমিকা পালন করেছে। কিন্তু কেউ বলে না, কোটা বিরোধী আন্দোলন থেকে একদফা দাবি হাসিনার বিদায়ে সেই জনগণের ভূমিকাই মুখ্য ছিল, যারা তাদের সন্তানকে লড়াই করতে সাহস দিয়েছে। এমনকি সন্তান ঘরে ফিরবে কিনা সে চিন্তাকে উপেক্ষা করে আন্দোলনে সামিল করতে দ্বিধা বোধ করেনি। কারণ দাম্ভিকতায় অন্ধ হয়ে শেখ হাসিনা হিতাহিত জ্ঞানশুন্য হয়ে রক্তের হোলিখেলায় মেতে উঠেছিল।
আর তার এ কর্মকাণ্ডের কারনে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি কিংবা আওয়ামী লীগ সমর্থকরাও দাঁড়িয়েছে তাদের সন্তানদের পাশে। সেখানে বিচ্ছিন্নভাবে কোন দলীয় পরিচয় ছিল না। একথা সবাইকে স্বীকার করতে হবে জুলাই আন্দোলনের মূলকান্ডারী জেন- জি বলে যাদের কেউ মানতে পারে না তারাই। সময়ের সাথে সাথে তাদের মধ্যে সবাই কিন্তু ক্ষমতা লোভী বা অর্থের পিছনে ছুটে যায়নি। বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের প্রথম সারির নেতাদের ক্ষমতার মোহতে আবিষ্ট করার জন্য দায়ী এদেশের রাজনৈতিক দলগুলো আর ড: ইউনুস। রাজনৈতিক দল হিসাবে গুপ্ত থাকা জামায়াতে ইসলামী এখন এনসিপিকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তাতেও কোন সন্দেহ নেই। যে ছেলে মেয়েরা একটা নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেছিল সেই তাদেরকে পুরনো ধাঁচের রাজনৈতিক দল গঠনের পথ নিয়ে ড: ইউনুস আগামীর বাংলাদেশকে আবারও ধবংস করল। বাংলাদেশের ইতিহাসে সকল সময় সকল আন্দোলনের হোতা ছিল ছাত্ররাই। আন্দোলনের সফলতা নিয়ে তাদের ফিরে যাবার কথা ছিল পড়ালেখার জগতে। এবার হয়েছে তার বিপরিত ঘটনা। রাজনৈতিকভাবে অপরিপক্ক ছেলে মেয়েদের চিন্তার জগতে ক্ষমতার মোহকে এমনভাবে প্রবেশ করিয়েছে তার ফল দেখা গেল নির্বাচনে ৭১ বিরোধী দলের সংগে জোট গঠনের মধ্য দিয়ে। জুলাই আন্দোলনের সম্মুখ সারির নেতারা এভাবে সাংসদ না হয়ে যদি জনগণের পক্ষ থেকে সরকারের কাজের আলোচনা সমালোচনা করত তাহলে মানুষের কাছে তাদের গ্রহযোগ্যতা বাড়ত বৈ কমত না। তার সাথে সাথে নিজেদের রাজনৈতিক প্রজ্ঞার বিকাশ ঘটাতে পারত বলিষ্ঠভাবে।
দু:খজনক হলো, এ জেন -জিদের নিয়ে বিপাকে আছে সারা দুনিয়া। তাদের অস্থিরতা আর তথ্য প্রযুক্তির প্রভাব অনেক ক্ষেত্রেই চলন বলনকে বিপরীতে দিকে ধাবিত করছে। নতুন আর পুরাতনের মধ্যে পার্থক্য থাকবেই কিন্তু এদের ভাষার ব্যবহার এতটাই নিম্নমুখী যা মেনে নেয়া কষ্টকর। বিশেষ করে যদি বাংলাদেশের রাজনীতিকে লক্ষ্য করা হয়, সেখানে প্রথাগত রাজনৈতিক দলের তরুনদের সাথে এনসিপির পার্থক্য পাহাড়সম।এনসিপি জন্মের আগেই সরকারের অংশ হয়ে তারা ভাবে তাদের সব কিছু ঠিক।কারণ তাদের কারনেই ১৬ বছরের নির্যাতিত বিএনপি আজ ক্ষমতায়। তাদের আন্দোলনের কাছে বিএনপির আন্দোলন অসার। কারন প্রশাসনের প্রশ্রয়ে শেখ হাসিনা দীর্ঘ সময় বিএনপিকে সেভাবে রাজপথে দাঁড়াতে দেয়নি। বিশেষ করে বেগম খালেদা জিয়ার কারাগারে অন্তরীন হবার পর অনেক বড় নেতারা সাহস করে মাঠে নামেনি মামলা হামলার ভয়ে। কিন্তু গনতন্ত্রের নামে একধরনের রাজতন্ত্রের কাছে জিম্মি হয়ে গিয়েছিল সারাদেশ।দেশে এখন যেমন সবাই বিএনপি সমর্থক তেমনি বিগত সময়ে আওয়ামী লীগ ছাড়া আর কিছুই ছিল না।
কিন্তু কেন এমন হয়? কারন দেশের সকল কিছুতেই রাজনৈতিক ট্যাগিং। ২০২৪ সালের জুলাই থেকে তরুণদের আচরনে যে বিষয়টি লক্ষ্যনীয় তা হলো তাদের ভাষার ব্যবহার। গালিকে তারা ব্যবহার করে শ্লোগানে। এর ধারাবাহিকতায় এনসিপি সিনিয়র নেতাদের থেকে শুরু করে স্কুল কলেজের ছেলে মেয়েরা সিনিয়র ব্যক্তি সহ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কথা বলতে সাধারণ ভদ্রতাটুকু তারা দেখাতে পারে না। আর তাদের অনুসরণ করা ছেলে মেয়েদের আচরণ নিয়ে সাধারন মানুষের মধ্যে এক ধরনের আতংক কাজ করছে। এখন প্রশ্ন জাগছে, শেখ হাসিনার একক দীর্ঘমেয়াদি শাসন ব্যবস্থা, কেবল কি রাজনীতিকে ধবংস করেছে নাকি অবকাঠামো উন্নয়নের অন্তরালে অধ:পতন ঘটিয়েছে শিক্ষা ও নৈতিকতার? এর উত্তর শিক্ষার্থীরা দিয়েছে, এইচএসসি পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক কালের আন্দোলনে। তাদের ভাষার ব্যবহার, আচরণ দেখে স্তম্ভিত হয়েছ জাতি। সাম্প্রতিককালে জুলাই পদযাত্রায় এনসিপি হামলার শিকার হয় হবিগঞ্জে। সেখানে যে কথাটা বারবার আলোচনায় আসে তাহলো এনসিপির নেতা নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর অসংলগ্ন কথাবার্তার বিষয়টি।
এনসিপির উপর এ হামলাকে যদি ওবিএনপি একটা বিছিন্ন ঘটনা হিসাবে উপস্থাপন করছে। কিন্তু এটা বলে গনতন্ত্রের নতুন পথে হাঁটা বিএনপি সরকার দায় এড়াতে পারে না।কারন কথা বলার অধিকার সবার আছে। কোন কথা অন্যায়মূলক বা মানহানিকর হলে তার জন্য আইনি ব্যবস্থা নেয়ার ও অধিকার রয়েছে। অথচ তা না করে সংঘাতে যাওয়া এ মুহুর্তে সরকারের জন্য ভুল সিদ্ধান্ত। মিডিয়াতে সবাই দেখেছে, এনসিপিকে মামলা না করার জন্য পুলিশের টালবাহানার কাহিনি। সব কিছু মিলিয়ে একটা কথা পরিস্কার দেশের কাছে, যে যেই দল করুক না কেন অন্যায়ের প্রতিবাদ হবেই। কারন জুলাইয়ের আন্দোলন মানুষকে শিখিয়েছে - অন্যায়কে মেনে নিয়ে দলবাজি করলে তার পরিনতি কতটা ভয়ংকর। বিএনপি সরকার প্রধান তারেক জিয়া দেশের জন্য একটা পরিবর্তন চাইছেন তা এখন পর্যন্ত বলা যায়।তবে সে পথ ততটা সহজ নয়। ইতমধ্যে সচিবালয় থেকে স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন পদের নিয়োগ নিয়ে কথা উঠেছে। পদ বানিজ্য, টেন্ডার সংক্রান্ত লেনদেন সব কিছুই চলছে আগের মত। বাংগালীর নৈতিক অধ:পতন ঘটেছে বহু আগে।তাই সরকার বদল হলে ও মানুষের ধারনা বদল হয় না। তারেক জিয়ার একার পক্ষে দলের সকল স্তরের পরিবর্তন করা কোনভাবেই সম্ভব নয়।
কারন মনস্তাত্ত্বিকভাবে তাদের ১৬ বছরের আর্থিক চাওয়া পাওয়া হিসাব মেলাতে গিয়ে পুরনো পথে হাঁটবে এটাই স্বাভাবিক। তাই বিএনপির ভেতর সংস্কার হয়েছে তা কিন্তু এখনো দৃশ্যমান নয়।বরং এলাকার প্রভাব বিস্তারে কেবল হাত বদল হয়েছে। আর এ হাত বদলের মধ্য দিয়ে যদি আওয়ামী লীগের মত বিএনপিকে আগামীতে দেশ ছাড়া হতে হয় তবে সেটা হবে এ জাতির জন্য কফিনে শেষ পেরেক মারার মত ঘটনা। ৩৬ জুলাইয়ের পরবর্তীতে বাংলাদেশ গনতান্ত্রিক ধারায় সব দলের মতের সমন্বয়ে চলবে বলে বলা হলেও তা সম্ভব নয় এটা প্রতীয়মান । এখানে বিশেষ ভাবে লক্ষনীয় দেশের আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দূর্বল অবস্থান।পুলিশ তার পুরনো পদ্ধতিতে গনহারে মামলা দিয়ে হয়রানি করছে রাজনৈতিক ট্যাগ দিয়ে। একাজ করার অন্তরালে সরকার ও বিরোধী দলের হাত রয়েছে তা বুঝা যায় তাদের কার্যক্রম দেখে। সরকারের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী নিজের কাজের চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর মুখপাত্র হয়ে অনেক বেশি ব্যস্ত সংবিধান সংস্কার আর বিশ্লেষণ নিয়ে। তোষামোদের রাজনীতি থেকে পুলিশ প্রশাসন কেবল আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে। এ বিষয়টি সামনের স্থানীয় নির্বাচনে বিএনপির জন্য যে চ্যালেঞ্জ হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
কারণ অনেক ধারণা করে স্থানীয় নির্বাচনে আওয়ামী পন্থীদের সবাই দলে টানার চেষ্টা করবে নানাভাবে।দলীয় প্রতীক বাদ দিয়ে নির্বাচন হলে সেখানে আওয়ামী পন্থীদের নির্বাচনকে বাধা দিতে কাজ করবে পুলিশ প্রশাসন। আর তা হবে কারো না কারো আজ্ঞা পালনের জন্যই। তারেক জিয়া তার বিগত দিনের রাজনীতিতে বন্ধু বেষ্টনীকে প্রাধান্য দিয়ে যে ভুল করেছে তা করার সুযোগ নেই আর। দেশের আর্থিক পরিস্থিতি নাজুক। সেখানে আবার যদি দুর্নীতি পুরনো ধারায় চলে, তবে দেশ আবার তুলনায় করবে বিএনপিকে তার অতীতের শাসনামলের সাথে। জামায়েত ইসলাম চায় সরকার ভুল করুক। আর সরকারের সাথে দ্বন্ধে জড়িয়ে এনসিপি আরো নড়বড়ে হোক। এ চিন্তাটা জামায়াতে ইসলামের মাইনাস ফূর্মলার অংশ।
তাছাড়া আওয়ামী লীগকে সরকার রাজনীতি করার সুযোগ করে দিচ্ছে বলে বিরোধী দল যে ট্যাগের রাজনীতি করছে তা দেশকে বিভক্ত করার খেলা। বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশা থাকে প্রকৃতপক্ষে বড় দুটি রাজনৈতিক দলকে ঘিরে। সেখানে শেখ হাসিনার চরম ভুল ছিল বিএনপিকে ধবংস করার অপচেষ্টা আর মুক্তিযুদ্ধকে ব্যক্তিগত সম্পত্তিতে পরিনত করা।আওয়ামী লীগের এ পরিনত থেকে বিএনপিকে শিক্ষা নিতে হবে এটাই-অতি বাড়াবাড়ি করলে জনগনই দল ও সরকারকে সময়ের প্রবাহে আস্তাকুঁড়ে ফেলে দেয়। তাই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক জিয়া শুধু নিজের পরিবর্তন দিয়ে দেশ ভালো চালাতে পারবে না,যদি না তার মন্ত্রী, সাংসদ, নেতা কর্মীরা নিজেদের পরিবর্তন না করে। তবে বিএনপির রাজনীতিতে নতুন আর প্রবীণদের চিন্তা চেতনায় মধ্যপন্থী ভাবনাটা থাকতে হবে। তা না হলে নিজেদের অজান্তেই দেশ পড়বে সংকটময় পরিস্থিতিতে।
