বাংলাদেশের জীবন্ত মূকাভিনয়ের কিংবদন্তি মাইম আইকন কাজী মশহুরুল হুদা’র একক মূকাভিনয় প্রদর্শিত হয়েছে নিউ মেক্সিকোর আলবুকারর্ক শহরের আফ্রিকান আমেরিকান পারফরমিং আর্টস সেন্টারে। ৫৫তম বিজয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে আলবুকারর্ক শহরে কমিউনিটির উদ্যোগে দীর্ঘকাল পর ‘হুদা’র মাইম ফ্যান্টাসী’ নামে একক মূকাভিনয় শো’র আয়োজন করা হয়। মূকাভিনয় শিল্পকে স্বাধীনতা-উত্তর বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত করার ক্ষেত্রে কাজী মশহুরুল হুদা অন্যতম পথপ্রদর্শক হিসেবে পরিচিত।
চার দশকেরও বেশি সময় ধরে তার গবেষণা, অভিনয় ও শিক্ষকতার মাধ্যমে তিনি দেশ-বিদেশে ‘মাইম আইকন’ এবং ‘ইন্টারন্যাশনাল মাইম এম্বাসেডর অব বাংলাদেশ’ হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। তিনি বাঙলার সংস্কৃতিকে অবলম্বন করে মূকাভিনয় শিল্পকে নিজস্ব আইডেন্টিটি নির্মাণের জন্য বাঙলা মূকাভিনয় গবেষণা কেন্দ্র তৈরী করেছেন এবং গবেষণার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। হুদা’র মাইম ফ্যান্টাসিতে শিল্পী দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন ফর্ম, টেকনিক, স্টাইল এর উপর গবেষণামূলক কাজ করেছেন। তার সমন্বয়ে ৭টি স্কেচ প্রদর্শন করেন।
যেখানে ছিল- বাঙলা মূকাভিনয়ের নমুনাসহ ট্রেডিশনাল, আধুনিক, অতি আধুনিক মাইম প্রদর্শন। মাইম আইকন কাজী মশহুরুল হুদা বলেন, ‘৭০ বছরের জন্মদিনে একক শো আমার আগামীর প্রেরণা।’ এখন থেকে নিয়মিত শো করার ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এখন থেকে দেশ-বিদেশে নিজের গবেষণামূলক কার্যক্রম তুলে ধরব এবং ট্রেডিশনাল ও কর্পোরেল মাইমের ফিউশন পারফরম্যান্স এর ওপর পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজ করব।’ মূকাভিনয় শিল্প নিয়ে বেশ কিছু গবেষণামূলক গ্রন্থের রচয়িতা হুদা সাংবাদিকতার সঙ্গেও জড়িত। তিনি এজন কবিও।শিশু-কিশোরদের জন্য তিনি লিখেছেন বেশ কয়েকটি মূকাভিনয় শিক্ষার একাডেমিক বই।
