হাসিনাকে অবতরণের অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি জটিল হতো: ভারতীয় রাষ্ট্রদূত
শেখ হাসিনাকে বহনকারী বিমান দিল্লিতে নামার অনুমতি না পেলে পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত বলে জানিয়েছেন ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি জানান, তাঁর প্রত্যর্পণের আইনি প্রক্রিয়া অব্যাহত রয়েছে।

২০২৪ সালের অগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হয়ে ভারতে যান তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেসময় তাঁর বিমান দিল্লিতে অবতরণের অনুমতি দেওয়া ছাড়া নতুন দিল্লির সামনে অন্য কোনো পথ খোলা ছিল না বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত দীনেশ ত্রিবেদী। শনিবার ঢাকায় একটি আলোচনাসভায় তিনি মন্তব্য করেন, অবতরণের সুযোগ না দিলে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নিতে পারতো।
শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর দাবি প্রসঙ্গে ভারতীয় রাষ্ট্রদূত জানান, বিষয়টি বর্তমানে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই কাজ চলছে। তবে এ প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন বিষয় যুক্ত থাকায় প্রত্যর্পণের নির্দিষ্ট দিনক্ষণ আগে থেকে বলা সম্ভব নয়।
ত্রিবেদী আরও উল্লেখ করেন, ভারতীয় কোনো বাহিনী ঢাকা থেকে তাঁকে তুলে নিয়ে যায়নি, বরং তিনি বাংলাদেশের নিজস্ব সামরিক বিমানে দিল্লিতে পৌঁছান। তিনি জানান, এই আকস্মিক পরিস্থিতির জন্য ভারত আগে থেকে প্রস্তুত ছিল না। শেখ হাসিনা সে সময় পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী পদে থাকায় প্রতিবেশী দেশ হিসেবে বাস্তবতা মেনে নেওয়াই ছিল ভারতের জন্য একমাত্র দায়িত্বশীল পদক্ষেপ।
