ইংরেজি পড়া বুঝলেও মুখে বলতে আটকানোর কারণ ও প্রতিকার
ইংরেজি পড়া বা শোনার পর বুঝতে পারলেও অনেকেই মুখে স্বতঃস্ফূর্তভাবে বলতে পারেন না। মূলত অনুশীলনের অভাব, ভুলের ভয় এবং মনে মনে অনুবাদের মানসিকতাই এই সমস্যার মূল কারণ।

ইংরেজি ভাষার চলচ্চিত্র, ভিডিও বা লিখিত বার্তা সহজেই অনুধাবন করতে পারলেও অনেকেই যোগাযোগের সময় সাবলীলভাবে কথা বলতে পারেন না। শিক্ষাজীবনে দীর্ঘ সময় এই বিষয়টি পড়ার পরও অনেকের ক্ষেত্রে এমন জড়তা দেখা দেয়। এর মাধ্যমে স্পষ্ট হয় যে সমস্যাটি জানার পরিধিতে নয়, বরং মুখে কথা বলার অনুশীলনের অভাবের মধ্যে নিহিত।
কোনো শব্দ পড়ে বুঝতে পারা এবং হঠাৎ প্রয়োজনীয় মুহূর্তে সেটি উচ্চারণ করার ক্ষমতা এক নয়। ইংরেজি কেবল শোনা বা পড়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে মৌখিক দক্ষতা বাড়ে না। পাশাপাশি ব্যাকরণগত ভুল বা উচ্চারণগত ক্রটির কারণে অন্যের হাসির পাত্র হওয়ার ভয়ও বড় বাধা হিসেবে কাজ করে। এই ভীতি ও অতিরিক্ত উদ্বেগের দরুন সহজ বক্তব্য প্রকাশের ক্ষেত্রেও মানুষ থেমে যায়।
আমাদের পাঠ্যক্রম মূলত পরীক্ষাভিত্তিক হওয়ায় এতে লিখিত ব্যাকরণ ও মুখস্থ উত্তরের ওপর জোর দেওয়া হয়। এর ফলে তাৎক্ষণিক কথোপকথন চালিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি গড়ে ওঠে না। উপরন্তু, অনেকে মনে মনে মাতৃভাষায় বাক্য সাজিয়ে পরে তা ইংরেজিতে রূপান্তর করতে যান। এই মানসিক অনুবাদের প্রক্রিয়াও স্বাভাবিক কথনের গতি শ্লথ করে দেয়।
কথোপকথনে কঠিন শব্দ ব্যবহারের প্রয়োজনীয়তা নেই, সাধারণ শব্দ দিয়েই ভাব প্রকাশ সম্ভব। এই জড়তা কাটাতে দৈনন্দিন পরিচিত বিষয়ে নিজে নিজে কথা বলা, রেকর্ড শুনে আত্মমূল্যায়ন করা এবং বন্ধুদের সঙ্গে সীমিত সময়ের জন্য চর্চা করা বেশ কার্যকর হতে পারে।
