NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

চীনের তরুণরা গণিতে অনন্য: ওকুনকভ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৯ জুন, ২০২৬, ০৩:৪৫ এএম

চীনের তরুণরা গণিতে অনন্য: ওকুনকভ

ফিল্ডস পদক বিজয়ী গণিতবিদ আন্দ্রেই ওকুনকভ সম্প্রতি বেইজিংয়ে সিএমজিকে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ক্যালিগ্রাফি থেকে শুরু করে চা সংস্কৃতির প্রতি তাঁর গভীর আগ্রহ রয়েছে। তিনি প্রাচ্যের চিন্তাভাবনা এবং গাণিতিক নীতির মধ্যে সংযোগ অন্বেষণ করছেন। চীনা বিজ্ঞান একাডেমির একজন বিদেশি সদস্য এবং নোবেল পুরস্কার বিজয়ী হিসেবে তিনি বিশ্বাস করেন যে, “গণিতের ভবিষ্যৎ চীনে নিহিত।”

২০২৩ সালের নভেম্বরে, ওকুনকভ চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সেসের বিদেশি সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ঐতিহ্যবাহী চীনা সংস্কৃতির প্রতি গভীর আগ্রহ দেখিয়েছেন। ক্যালিগ্রাফি অনুকরণ থেকে শুরু করে চা অনুষ্ঠান শেখা পর্যন্ত, তিনি এসব ঐতিহ্যবাহী সাংস্কৃতিক অভিজ্ঞতার মাধ্যমে প্রাচ্যের চিন্তাধারা এবং গাণিতিক নীতির মধ্যে গভীর সংযোগ অন্বেষণ করার চেষ্টা করেছেন।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ক্যালিগ্রাফি ভালোবাসি। এই প্রাচীন ঐতিহ্যগুলো গণিতে চীনের বর্তমান অবস্থানের সাথে এক আকর্ষণীয় সাদৃশ্য তৈরি করে। নিঃসন্দেহে, চীনই গণিতের ভবিষ্যৎ। এখানে অনেক তরুণ আছেন, যাঁরা গণিতের শিল্প ও বিজ্ঞানের প্রতি নিবেদিতপ্রাণ এবং পারদর্শী। তাঁরা অবিশ্বাস্য গভীরতার সাথে এই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর আংশিক কারণ চীনের দীর্ঘ গাণিতিক ঐতিহ্য, তবে চীন ভবিষ্যতেরও প্রতিনিধিত্ব করে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে চীনের অর্জন, যেমন—অটোমোবাইল, ব্যাটারি, মোবাইল ফোন এবং উচ্চ-গতির রেল, অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য এবং গণিতের ক্ষেত্রেও একই কথা সত্য। চীনে এমন নিষ্ঠা এবং আবেগের সাথে গণিত অধ্যয়নরত তরুণদের সংখ্যা সত্যিই অসাধারণ।”

তিনি মনে করেন, গণিত এখন পর্যন্ত সবচেয়ে নির্ভুল এবং যৌক্তিকভাবে একমাত্র ভাষা, যা নির্দিষ্ট কিছু ঘটনা ও সমস্যা সঠিকভাবে বর্ণনা করতে সক্ষম। এই নির্ভুলতার জন্যই গণিতের ব্যবহার প্রয়োজন। ঠিক এই নির্ভুলতাই আমাদের দৈনন্দিন সমস্যাগুলোকে আরও নিবিড়ভাবে মোকাবিলা করতে সাহায্য করে। আধুনিক প্রযুক্তি এই উচ্চ স্তরের নির্ভুলতার ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল। বিশ্বের এই পরিশীলিত বোঝাপড়া ছাড়া, আজ আমাদের কাছে যা আছে—আশ্চর্যজনক ইলেকট্রনিক ডিভাইস থেকে শুরু করে উচ্চ-গতির ট্রেন কোনোটিই সম্ভব হতো না।


সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেন, “আমি চাইনিজ একাডেমি অফ সায়েন্সেসের একজন বিদেশি সদস্য। গত বছর, আমি মহাগণভবনে সাধারণ সম্পাদক শি চিনপিংয়ের বক্তৃতা শুনেছিলাম। ভাষণে তিনি জোর দিয়েছিলেন যে, উন্নয়নের ক্ষেত্রে সৃজনশীলতাই হলো প্রথম চালিকাশক্তি। এটা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক! আমি বলতে চাই, চীনা সরকার একটি শিক্ষণ সমাজ গঠনের পক্ষে, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনকে সমর্থন করে এবং গণিতের মতো মৌলিক বিজ্ঞানের বিকাশকে সমর্থন করে। এটি অত্যন্ত প্রশংসনীয় একটি উদ্যোগ। আধুনিক সমৃদ্ধির ভিত্তি নিঃসন্দেহে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ওপর নিহিত। সরকার যদি এটিকে অগ্রাধিকার দেয়, তবে এর প্রতি আমার শ্রদ্ধা ছাড়া আর কিছুই নেই। এটি সত্যিই চমৎকার।

সূত্র:অনুবাদ: লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।