NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬ | ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
সানিসাইডের কবিতার মঞ্চে কবিতায়, কথায় ও শিকড়ের স্মৃতিতে মনিজা রহমান বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন
Logo
logo

ইউনেস্কোর তালিকায় স্থান পেল বাঙালির প্রধান উৎসব দুর্গাপুজো


নাজিম উদ্দিন, মুর্শিদাবাদ প্রকাশিত:  ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

ইউনেস্কোর তালিকায় স্থান পেল বাঙালির প্রধান উৎসব দুর্গাপুজো

নাজিম উদ্দিন 

ইউনেস্কোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে বাঙালির শ্রেষ্ঠ উৎসব দুর্গাপুজোকে। গত বছরের ১৩ ডিসেম্বর থেকে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত ফ্রান্সের প্যারিসে আয়োজিত ইন্টারগভর্নমেন্ট কমিটির ১৬ তম অধিবেশনে ‘কলকাতার দুর্গাপুজো’-কে ইউনেসকোর ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ অব হিউম্যানিটির তালিকায় যুক্ত করা হয়। ফ্রান্স, বেলজিয়াম, সুইজারল্যান্ড, ব্রাজিল,বলিভিয়ার মতো বিশ্বের মাত্র ৬ দেশের উৎসব এখনও পর্যন্ত UNESCO-র স্বীকৃতি পেয়েছে। এবার সেই তালিকায় যোগ হল দুর্গাপুজো। ২০০১ সাল থেকে দেশের একাধিক রাজ্যের সংস্কৃতি ও উৎসব নিয়ে একটি সার্ভে শুরু করে ইউনেস্কো। সেই সার্ভে অনুয়ায়ী হেরিটেজের তালিকায় স্থান দেওয়া হল বাংলার দুর্গাপুজোকে। বাঙালির অন্যতম এক প্রধান উৎসব এই পুজো। গোটা দেশ থেকে মানুষজন পুজোর সময়ে চলে আসেন এই উৎসবে সামিল হতে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে, যেখানেই বাঙালি রয়েছে সেখানেও ছড়িয়ে পড়েছে এই উৎসব।

এবছর অগাস্ট মাসে দুর্গাপুজোকে হেরিটেজের স্বীকৃতি দিতে ইউনেস্কোর কাছে আবেদন করে রাজ্য সরকার। বছর দুয়েক আগে বাঙালির এই উৎসবকে 'মেগা ফেস্টিভ্যাল' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক চ্যানেল। এমনকী, ‘বৈচিত্র্যের মাঝে ঐক্য’-র ভাবনা নজর কেড়েছিল UNESCO কর্মকর্তাদের। ইউনেসকোর ওয়েবসাইটে উল্লেখ করা হয়েছে, “দুর্গা পুজাকে ধর্ম ও শিল্পের সর্বজনীন মিলন ক্ষেত্রের সর্বোত্তম উদাহরণ হিসাবে দেখা হয় এবং সহযোগী শিল্পী ও ডিজাইনারদের জন্য একটি সমৃদ্ধ ক্ষেত্র হিসাবে দেখা হয়। এই উৎসব শহুরে এলাকায় বড় আকারের পালিত হয় এবং মণ্ডপগুলির পাশাপাশি রয়েছে বাংলার ঐতিহ্যবাহী ঢাক এবং দেবীর পূজা।” উৎসব চলাকালীন সব শ্রেণি, ধর্ম এবং জাতিগত বিভাজন ভেঙে দর্শকদের ভিড়ের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে এবং এই গোটা প্রক্রিয়াই ভীষণভাবে প্রশংসিত হয়েছে UNESCO দরবারে। উল্লেখ্য, এর আগে ২০১০ সালে পুরুলিয়ার ছৌ নাচকে স্বীকৃতি দিয়েছে ইউনেস্কো। একইসঙ্গে স্বীকৃতি দেওয়া হয় কেরলের মুদিয়েট্টু লোকনৃত্যকে। এছাড়া ২০১৭ সালে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল এই বাংলার বিশেষ ধর্মীয় মেলা কুম্ভমেলাকে।