NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৫৩ বছর পর আবার গৌরবের প্রত্যাবর্তন: নিউ ইয়র্ক নিক্সকে ঘিরে এক শহরের স্বপ্ন, এক জাতির উচ্ছ্বাস - আকবর হায়দার কিরন রোকেয়া হায়দার: যে কণ্ঠস্বর পেরিয়েছে মহাসাগর - আকবর হায়দার কিরন রবিন খুদা: ঢাকা থেকে বিশ্ব প্রযুক্তির শীর্ষে এক বাংলাদেশির বিস্ময়কর যাত্রা -আকবর হায়দার কিরন কুলাউড়ার সন্তান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
Logo
logo

গণতন্ত্রে জোর, আঞ্চলিক ও ভূরাজনীতি নিয়ে আলোচনা বাইডেন-মোদির


খবর   প্রকাশিত:  ১৭ জুন, ২০২৬, ০৩:২১ পিএম

গণতন্ত্রে জোর, আঞ্চলিক ও ভূরাজনীতি নিয়ে আলোচনা বাইডেন-মোদির

আঞ্চলিক ও ভূ-রাজনৈতিক বিষয়ে হোয়াইট হাউজে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে হোয়াইট হাউজের সবুজ লনে অসাধারণ অভ্যর্থনা দেয়া হয় মোদিকে। ১৯টি গান স্যালুট দেয়া হয়। এরপর তারা যৌথ সংবাদ সম্মেলন করেন হোয়াইট হাউজের লনে।    বাইডেনের সঙ্গে কি নিয়ে আলোচনা হয়েছে তা জানান মোদি। এ সময় ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, করোনা পরবর্তী সময়ে বিশ্ব বদলে গিয়েছে। সেখানে যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারত মিত্রতা করে একসঙ্গে কাজ করছে। অংশীদারিত্ব শক্তিশালী হয়েছে। এটা হলো গণতন্ত্রের শক্তি। এ সময় তিনি বলেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্র অভিন্ন গণতন্ত্রকে অনুসরণ করে। আমরা যে সিদ্ধান্ত নেবো, তার ওপর ভবিষ্যত নির্ভর করবে।  বিজ্ঞাপন  শুরুতেই বক্তব্য রাখেন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক সংজ্ঞায়িত করবে একবিংশ শতাব্দীকে। স্বাস্থ্য, জলবায়ু পরিবর্তন এবং নিরাপত্তার ক্ষেত্রে দুই দেশ এক হয়ে কাজ করবে।  এ সময় তিনি অবাধ ও মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিকের জন্য অকাসের গুরুত্ব তুলে ধরেন। বলেন, অভিন্ন মূল্যবোধে দুই দেশ কাজ করবে। উত্থাপন করেন কোয়াড প্রসঙ্গ। বলেন, খাদ্য, জ্বালানি সঙ্কট সমাধানে এবং শান্তিপূর্ণ বিশ্বের জন্য একসঙ্গে কাজ করবে দুই দেশ। জো বাইডেন বলেন, আমি যখন ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলাম তখন থেকেই আমরা একসঙ্গে দীর্ঘ সময় কাটিয়েছি। আমি প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর আস্থার ওপর ভিত্তি করে আমরা সম্পর্ক স্থাপন করেছি। বৈশ্বিক অবস্থার প্রেক্ষিতে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রকে একসঙ্গে কাজ করা অত্যাবশ্যক।    মোদিকে হোয়াইট হাউজে অভ্যর্থনা জানাতে এদিন নজরকাড়া আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের ফার্স্ট লেডি জিল বাইডেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিস, পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন, প্রতিরক্ষামন্ত্রী লয়েড অস্টিন, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর প্রমুখ। হোয়াইট হাউজ ঘিরে ছিলেন ভারতীয়রা এবং ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিনিরা। তারা একের পর এক মোদি মোদি স্লোগান দিচ্ছিলেন। ভয়েস অব আমেরিকার ব্যুরো প্রধান প্যাটসি জানান, হোয়াইট হাউজে এদিনের মতো এত সাংবাদিক আগে দেখা যায়নি কখনো।    নরেন্দ্র মোদি তার বক্তব্যে দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তাকে যে সম্মান জানানো হয়েছে তা ১৪০ কোটি ভারতীয়ের, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী ৪০ লাখ ভারতীয়ের।

তিনি আরও বলেন, তিন দশক আগে বাইরে থেকে হোয়াইট হাউজ দেখেছিলেন। বৃহস্পতিবার সেই হোয়াইট হাউজে প্রবেশ করেছেন। বলেন, ভারতীয়দের জন্য এদিন থেকে হোয়াইট হাউজের দরজা খুলে দেয়া হয়েছে। ভারতীয়দের মেধা, কর্মে নিষ্ঠার প্রসঙ্গ তুলে ধরেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, তার এই অর্জন এনে দিয়েছেন এসব ভারতীয়। নরেন্দ্র মোদি বলেন, ‘আমরাই জনগণ’ এই শব্দগুলো দিয়ে উভয় দেশের সংবিধান শুরু হয়েছে। বৈচিত্রের জন্য উভয় দেশই গর্বিত।    ওদিকে প্রতিরক্ষা থেকে শুরু করে মহাকাশ গবেষণা পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। দুই নেতার এই দ্বিপক্ষীয় আলোচনার পর মার্কিন কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ভাষণ দেয়ার কথা নরেন্দ্র মোদির।