NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, জুলাই ২৬, ২০২৬ | ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
দূরত্বের ভার বহন করতো যে চিঠি আকবর হায়দার কিরণের দ্য স্মেল অব লেটার্স কবিতার ইতিবাচক পাঠ সানিসাইডের কবিতার মঞ্চে কবিতায়, কথায় ও শিকড়ের স্মৃতিতে মনিজা রহমান বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন
Logo
logo

৩ বিঘা জমিজুড়ে ২২০ বছরের প্রাচীন গাছ, এবারও ৪০০ মণ আমের আশা


খবর   প্রকাশিত:  ২৬ জুলাই, ২০২৬, ০২:৫৩ পিএম

৩ বিঘা জমিজুড়ে ২২০ বছরের প্রাচীন গাছ, এবারও ৪০০ মণ আমের আশা

উত্তরবঙ্গ প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁওয়ে ২২০ বছরের প্রাচীন সেই বিশাল বিস্ময়কর গাছটিতে ঝুলছে থোকা থোকা আম। ৩ বিঘা জমিজুড়ে বিস্তৃত এ গাছটি থেকে এবারও ৪০০ মণ আমের আশা করছেন এর মালিক সাইদুর মোল্লা।৩ বিঘা জমিজুড়ে ২২০ বছরের প্রাচীন গাছ, এবারও ৪০০ মণ আমের আশাসরেজমিনে বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার সীমান্তঘেঁষা গ্রাম হরিণামারীর সুবিশাল ওই সূর্যপুরী আমগাছ এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, অন্যান্য বছরের মতো এবারও মুকুলে ছেয়ে আছে গাছটি। এখন গাছজুড়ে ঝুলছে থোকা থোকা আম। ফলবতী গাছটি দেখতে ভিড় করছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লোকজন।

দর্শনার্থীরা জানান, একটি আম গাছ যে এতো বড় হয়, তা না দেখলে বিশ্বাসই হবে না। গাছটি দেখতে দূর-দূরান্ত থেকে প্রকৃতিপ্রেমীরা আসছেন পরিবার-পরিজন নিয়ে। তবে গাছটি ঘিরে পুরো এলাকাটির আরও সৌন্দর্য বর্ধন করা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা।গাছের মালিক সাইদুর মোল্লা জানান, ফলন্ত গাছটির পর্যাপ্ত পরিচর্যা চলছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও ভালো ফলন আশা করা হচ্ছে। গুঁটির যে অবস্থা, তাতে এবার ৪০০ মণের মতো আমের ফলন হতে পারে। প্রতিদিন গাছটি দেখতে আসেন দর্শনার্থীরা। এতে এটি পরিচিতি পেয়েছে পর্যটন স্থান হিসেবে। এখন প্রয়োজন সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা।

এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গীর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলী আসলাম জুয়েল জানান, গাছটি ঘিরে এলাকাটি দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে। কীভাবে এর সৌন্দর্য বর্ধন করা যায়, সে বিষয়ে প্রদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে এবং আশা করি, দ্রুতই তা বাস্তবায়ন হবে।গ্রামটিতে তেমন কোনো সুযোগ-সুবিধা না থাকলেও শুধুমাত্র প্রাচীন এ আমগাছটির জন্য প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী ভিড় করেন এখানে।