এইচএসসি সম্পূরক পরীক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

শিক্ষা ৩ নভেম্বর ২০২৬ ২৮৫০

এইচএসসিতে অকৃতকার্যদের সম্পূরক পরীক্ষার সুবিধার কারণে বিশ্ববিদ্যালয ও মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন উপাচার্যরা। তবে কত দিন পেছাবে সে সিদ্ধান্ত পরে জানানো হবে।

এইচএসসি সম্পূরক পরীক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত

উচ্চমাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের জন্য সম্পূরক পরীক্ষার আয়োজন করায় বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে নীতিগতভাবে সম্মত হয়েছেন উপাচার্য ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা। তবে ভর্তি পরীক্ষা ঠিক কত দিন পেছানো হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি।

গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ‘এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬-এর উত্তরপত্র পুনর্মূল্যায়ন এবং সাপ্লিমেন্টারি পরীক্ষা গ্রহণ সংক্রান্ত’ বিষয়ে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। অন্যান্যদের মধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেক, ইউজিসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম এবং মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল এতে অংশ নেন।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে উপাচার্যদের অনুরোধ করেন শিক্ষামন্ত্রী। শুরুতে কয়েকজন আপত্তি জানালেও শেষ পর্যন্ত তারা প্রাথমিক সম্মতি দেন। ভর্তি কার্যক্রম কত দিন পিছিয়ে দেওয়া সম্ভব, তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে পরবর্তী সময়ে জানাবে।

উল্লেখ্য, ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় প্রায় ৬ লাখ পরীক্ষার্থী অকৃতকার্য হন। এতে পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২.১২ শতাংশ, যা বিগত ২২ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে এক বা দুই বিষয়ে অনুত্তীর্ণ চার লাখেরও বেশি শিক্ষার্থীকে প্রথমবারের মতো সম্পূরক পরীক্ষায় বসার সুবিধা দেওয়া হচ্ছে। আগামী ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে পরীক্ষা নিয়ে ওই মাসের শেষেই ফল প্রকাশের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে তারা চলতি শিক্ষাবর্ষেই উচ্চশিক্ষায় প্রবেশের সুযোগ পান।

পূর্বনির্ধারিত সময়সূচি অনুসারে, আগামী ৪ ডিসেম্বর মেডিকেল ও ডেন্টাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এর পরদিন ৫ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষা এবং ডিসেম্বর থেকে পরবর্তী বছরের মার্চ মাস পর্যন্ত অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা আয়োজনের সূচি স্থির করা হয়েছিল।

আপনার প্রতিষ্ঠানের প্রচারের জন্য বিজ্ঞাপন দিন