NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, জুলাই ৩০, ২০২৬ | ১৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
প্রথমবার ঢাকা সফরে আসছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর 'আমার ভেতরে বিচিত্রা এখনও প্রতি সপ্তাহেই প্রকাশিত হয় ' ‘আজ শুধু প্রেমের কথা হবে: তপুর গান’ – নিউইয়র্কে এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবির মাঝে বাবার ছবি দেখে থমকে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী দূরত্বের ভার বহন করতো যে চিঠি আকবর হায়দার কিরণের দ্য স্মেল অব লেটার্স কবিতার ইতিবাচক পাঠ সানিসাইডের কবিতার মঞ্চে কবিতায়, কথায় ও শিকড়ের স্মৃতিতে মনিজা রহমান বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন
Logo
logo

বেইজিংয়ে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সি’র আনুষ্ঠানিক বৈঠক


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ৩০ জুলাই, ২০২৬, ০২:৩১ এএম

বেইজিংয়ে স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সি’র আনুষ্ঠানিক বৈঠক

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং, ২৮ জুলাই, (মঙ্গলবার) সকালে বেইজিংয়ের গণমহাভবনে, স্লোভাকিয়ার প্রেসিডেন্ট পিটার পেলেগ্রিনি’র সঙ্গে এক বৈঠকে মিলিত হন। 

বৈঠকে সি চিন পিং বলেন, স্লোভাকিয়া সবচেয়ে আগে নয়াচীনের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপনকারী দেশগুলোর অন্যতম। দু’দেশের বন্ধুত্বের শিকড় অনেক গভীরে প্রথিত। ২০২৪ সালে দু’দেশের সম্পর্ক কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্কে উন্নীত হয়। দু’পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টায়, দ্বিপক্ষীয় পারস্পরিক আস্থা ধারাবাহিকভাবে গভীরতর হচ্ছে এবং সহযোগিতায় অর্জিত হচ্ছে সাফল্য। 

তিনি জোর দিয়ে বলেন, আগামী পর্যায়ে মূলত ৪টি দিকে কাজ করতে হবে: এক. পারস্পরিক কৌশলগত আস্থা সুসংহত করে, দৃঢ়তার সাথে একে অপরকে সমর্থন করে যেতে হবে; দুই. পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা গভীরতর করে, অভিন্ন উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হবে; তিন. মানুষে মানুষে বন্ধন জোরদার এবং ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে; চার. আন্তর্জাতিক ন্যাযতা ও ন্যায়বিচার রক্ষা করে, বিশ্ব প্রশাসন-ব্যবস্থা সংস্কার ও সম্পূর্ণ করতে হবে। 

সি বলেন, বিশ্ব দ্রুত পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে; চীন-ইউরোপ সম্পর্ক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সম্মুখীন হচ্ছে। পাশাপাশি, চ্যালেঞ্জও অনেক। চ্যালেঞ্জকে সুযোগে পরিণত করতে, পরামর্শের ভিত্তিতে কাজ করে যেতে হবে। চীন সবসময় ইউরোপীয় ইউনিয়নকে অংশীদার হিসেবে দেখে এবং ইউরোপের সাথে সরল বিশ্বাস ও সদিচ্ছার ভিত্তিতে সম্পর্ক আরও জোরদারে আগ্রহী। 

তিনি আশা করেন, স্লোভাকিয়া চীন-ইউরোপ ঐকমত্যের ওপর ফোকাস করতে ইইউ-কে প্রভাবিত করে, যথাসাধ্য দ্বন্দ্ব ও মতভেদ দূর করার মাধ্যমে, চীন-ইউরোপ সম্পর্কের সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে গঠনমূলক ভূমিকা পালন করে যাবে। 

জবাবে পেলেগ্রিনি বলেন, তার দেশ দু’দেশের কৌশলগত অংশীদারিত্বের সম্পর্ককে মূল্যায়ন করে; দৃঢ়ভাবে ‘এক-চীননীতি’ অনুসরণ করে। তিনি চীনের সাথে পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা বাড়ানো, সহযোগিতা জোরদার করা, বন্ধুত্ব গভীরতর করা, নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারণ করা, এবং আর্থ-বাণিজ্যিক, এআই, ডিজিটাল অর্থনীতি, রোবট ও নতুন জ্বালানি খাতে আরও বেশি সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। 

তিনি আরও বলেন, ইইউ’র সদস্যদেশ হিসেবে, স্লোভাকিয়া ইতিবাচকভাবে ইউরোপ-চীন সহযোগিতা ত্বরান্বিত করে, সংলাপ ও পরামর্শের মাধ্যমে মতভেদ দূর করতে চায়। স্লোভাকিয়া চীনের আন্তর্জাতিক অবস্থা ও প্রভাবের ওপর উচ্চ গুরুত্ব দেয় ও এর প্রশংসা করে এবং চীনের সাথে বহুপক্ষবাদে অবিচল থেকে, জাতিসংঘ সনদের লক্ষ্য ও আন্তর্জাতিক আইন রক্ষা করতে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি ও স্থিতিশীলতা ত্বরান্বিত করতে ইচ্ছুক। স্লোভাকিয়া পুরোপুরিভাবে, সদ্যসমাপ্ত বিশ্ব এআই সম্মেলনে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের উত্থাপিত ধারণা ও উদ্যোগের সাথে একমত, যা সত্যিকার অর্থে মানবজাতির জন্য কল্যাণ সৃষ্টি করতে চায়। 

সূত্র:প্রেমা-আলিম-ছাই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।