NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুলাই ২৮, ২০২৬ | ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
‘আজ শুধু প্রেমের কথা হবে: তপুর গান’ – নিউইয়র্কে এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা সাবেক সেনাপ্রধানদের ছবির মাঝে বাবার ছবি দেখে থমকে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী দূরত্বের ভার বহন করতো যে চিঠি আকবর হায়দার কিরণের দ্য স্মেল অব লেটার্স কবিতার ইতিবাচক পাঠ সানিসাইডের কবিতার মঞ্চে কবিতায়, কথায় ও শিকড়ের স্মৃতিতে মনিজা রহমান বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড
Logo
logo

‘আজ শুধু প্রেমের কথা হবে: তপুর গান’ – নিউইয়র্কে এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৮ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৯ এএম

‘আজ শুধু প্রেমের কথা হবে: তপুর গান’ – নিউইয়র্কে এক মনোমুগ্ধকর সন্ধ্যা

 নিউইয়র্ক, ২৬ জুলাই ২০২৬: ‘আজ শুধু প্রেমের কথা হবে: তপুর গান’ – শিরোনামেই যেন সব বলা হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু অনুষ্ঠানটি যে এতটুকু নয়, তা বুঝতে দর্শকদের বেশি সময় লাগেনি। নিউইয়র্কের উডসাইডের কুইন্স প্যালেসে প্রিমাভেরার আয়োজনে ও গোল্ডেন এজ হোম কেয়ারের প্রধান পৃষ্ঠপোষকতায় অনুষ্ঠিত এই সন্ধ্যা হয়ে উঠেছিল আবেগ, রসিকতা আর গানের এক অভিন্ন মিলনমেলা।  অনুষ্ঠানের প্রাণ ছিলেন উপস্থাপক শামীম শাহেদ। তবে আসল ম্যাজিক শুরু হয় যখন তাঁর আহ্বানে মঞ্চে উঠলেন তিন অগ্রজ সাংবাদিক তাদের সহধর্মিণীদের নিয়ে – মনজুর আহমেদ ও রেখা আহমেদ, হাসান ফেরদৌস ও রানু ফেরদৌস এবং ইব্রাহিম চৌধুরী খোকন ও নাসিমা সুলতানা ফ্লোরা। দর্শকের ধারণা ছিল, 'আজকের আয়োজন রুচির মাত্রায় কিছুটা এগিয়ে থাকবে' – আর তা সত্যি প্রমাণিত হলো। প্রেমের সংজ্ঞা খোঁজার চেষ্টায় মিলনায়তনে নেমে আসে পিন-পতন নিস্তব্ধতা। কিন্তু সেই গম্ভর মুহূর্তটুকু বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি; অগ্রজ সাংবাদিকদের রসিকতায় ধীরে ধীরে গড়াতে থাকে হাসির রোল। সেই হাসি পৌঁছে যায় খালেদ মুহিউদ্দীন হয়ে নাভিদ মাহবুব পর্যন্ত, আর সেখানেই কমেডি পর্ব উপহার দেয় এক অমূল্য প্রহর।  এরপর মঞ্চে এলেন বন্যা মির্জা প্রেমের কবিতা নিয়ে। গিটারের সেতু তখন তার প্রশংসায় কুঁড়াতে শুরু করে। সঙ্গীতের প্রথম অংশে তপুর দুইটি গান পরিবেশন করেন নিউইয়র্কের জনপ্রিয় শিল্পী টিনা রাসেল ও চন্দ্রা রায়। আর ঠিক তার পরপরই মঞ্চে প্রদর্শিত হয় পাঁচ মিনিটের একটি ডকুমেন্টারি, যেখানে আয়োজক চেষ্টা করেন তপুর গোটা জীবনটাকে ধরে রাখার – আর তাতেই দর্শক পেয়ে যান এক অনন্য উপহার।  এত আয়োজনের পর মঞ্চে উঠলেন স্বয়ং তপু। গাইলেন তার নিজের গান। কিন্তু মিলনায়তনে তখন অন্য এক দৃশ্য – তপুর গানের চেয়েও বেশি গাইলেন দর্শকেরা! প্রতিটি গানে মোবাইল ফোন তোলা হাতে সবাই ধারণ করছেন সেই মুহূর্ত। এক মনোমুগ্ধকর পরিবেশ সৃষ্টি হলো পুরো হলে। শেষ লগ্নে উপস্থাপক শামীম শাহেদ বারবার কৃতজ্ঞতা জানান পৃষ্ঠপোষকদের প্রতি – গোল্ডেন এজ হোম কেয়ার, অ্যাটর্নি মঈন চৌধুরী, প্রো-হেলথ হোম কেয়ার, অ্যাটর্নি রুমা জান্নাতুল, প্রেমস কালেকশন্স, গুড শেফার্ড হোম কেয়ার, ড্রিম কটেজ রিয়েলটি, কেপ্টর হোম হেলথ কেয়ার সার্ভিস, খলিল বিরিয়ানি, ভাট্টা ল অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটস, নিহার সিদ্দিকী এবং কুইন্স প্যালেস-কে ধন্যবাদ দিয়ে তাঁর ভাষণ শেষ করেন।  অনুষ্ঠান শেষে দর্শকের মুখে শুধু একটি কথা – ‘এই আয়োজন যেন স্বপ্নের মতো’। আর বিদায় সময় তপুকে বলতে শোনা যায়, ‘আবার আসবেন’ – যেন ফেরার প্রতীক্ষায় বাঁধা পড়ে গেল সবার মন।