NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুলাই ৬, ২০২৬ | ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্কে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন, সম্মাননা পেলেন দুই কৃতি অ্যালামনাই Uncovering the Cover of Researcher Ahmed H. Khan's Remarkable Book 'Pursuit of Divine Insight' গবেষক আহমেদ এইচ. খানের ব্যতিক্রমী গ্রন্থ ‘পারস্যুট অব ডিভাইন ইনসাইট’র মোড়ক উন্মোচন অবসান হলো বাংলাদেশের পুতুলনাট্য ও টেলিভিশন শিল্পের এক সোনালী অধ্যায়ের আলোর দিশারী- মুস্তাফা মনোয়ার দুটি ইতিহাসের মিলন: ২৫০ বছরের আমেরিকা, বাংলার উত্তরাধিকার এবং ভবিষ্যতের সংলাপ-আকবর হায়দার কিরন আড়াইশো বছরের বৃদ্ধ ঈগল - মোস্তফা সারওয়ার অস্ট্রেলিয়াকে হালকাভাবে নিচ্ছে না যুক্তরাষ্ট্র ৫৩ বছর পর আবার গৌরবের প্রত্যাবর্তন: নিউ ইয়র্ক নিক্সকে ঘিরে এক শহরের স্বপ্ন, এক জাতির উচ্ছ্বাস - আকবর হায়দার কিরন রোকেয়া হায়দার: যে কণ্ঠস্বর পেরিয়েছে মহাসাগর - আকবর হায়দার কিরন রবিন খুদা: ঢাকা থেকে বিশ্ব প্রযুক্তির শীর্ষে এক বাংলাদেশির বিস্ময়কর যাত্রা -আকবর হায়দার কিরন
Logo
logo

জনগণের স্বার্থ রক্ষাই সিপিসির মূল বৈশিষ্ট্য: লি চুনরু


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ০৫ জুলাই, ২০২৬, ১১:৩১ পিএম

জনগণের স্বার্থ রক্ষাই সিপিসির মূল বৈশিষ্ট্য: লি চুনরু

চীনের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিসির ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিশিষ্ট চীনা বিশেষজ্ঞ বলেছেন যে, প্রকৃতি ও উদ্দেশ্যের দিক থেকে সিপিসি পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো থেকে মৌলিকভাবে ভিন্ন। এক শতাব্দীর বেশি সময় ধরে দলটির টিকে থাকা এবং এর গতিশীলতা বজায় রাখার বিষয়টি নির্ভর করে এর মূল আকাঙ্ক্ষা ও প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যের প্রতি অবিচল এবং জনগণের বিশাল অংশের স্বার্থ রক্ষায় নিবেদিত থাকার ওপর।
সিপিসি’র কেন্দ্রীয় কমিটির পার্টি স্কুলের সাবেক ভাইস প্রেসিডেন্ট লি চুনরু 'দ্য পাওয়ার অফ আইডিয়াস' শীর্ষক অনুষ্ঠানে দলের মূল বৈশিষ্ট্যগুলো তুলে ধরেন। চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্কের (সিজিটিএন) এই বিশেষ বক্তৃতা-মালার মূল লক্ষ্য হলো চীনের উন্নয়ন ও বৈশ্বিক শাসনব্যবস্থাকে রূপদানকারী বিভিন্ন ধারণা বা চিন্তাধারা নিয়ে আলোচনা করা।
সিপিসি’র ১০৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর ঠিক আগের দিন, অর্থাৎ মঙ্গলবার প্রচারিত সিজিটিএনের ওই অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তৃতায় লি দলটির ঐতিহাসিক উৎপত্তি এবং এর স্বতন্ত্র রাজনৈতিক পরিচিতি সম্পর্কে বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করেন।

তিনি উল্লেখ করেন যে, পশ্চিমা রাজনৈতিক দলগুলো মূলত ক্ষমতার লড়াইয়ে লিপ্ত হওয়ার নির্বাচনী হাতিয়ার হিসেবে কাজ করে; অন্যদিকে সিপিসি সম্পূর্ণ ভিন্ন প্রকৃতির একটি দল।

তিনি বলেন, "জাতীয় জাগরণ ও নবজাগরণের প্রেক্ষাপটে মার্কসবাদ- লেনিনবাদের সাথে চীনা শ্রমিক আন্দোলনের সমন্বয়ের মধ্য দিয়ে সিপিসির জন্ম হয়েছিল। ঐতিহাসিকভাবেই চীনা জনগণ 'দল' বলতে এমন কোনো গোষ্ঠীকে বোঝাতে অভ্যস্ত নয় যা কেবল মুষ্টিমেয় কিছু মানুষ নিজেদের রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিল ও ক্ষমতার লড়াইয়ের জন্য গঠন করে। 'কমিউনিস্ট ইশতেহার'-এর নীতিমালার ভিত্তিতে সিপিসি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার লক্ষ্য ছিল জনগণের বিশাল অংশের কল্যাণ সাধন। একইসাথে দলটির প্রতিষ্ঠার মূল নীতিগুলো চীনের চমৎকার ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতির শিক্ষার সাথেও গভীরভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল। যদিও সিপিসির ইংরেজি অনুবাদে 'পার্টি' (দল) শব্দটি ব্যবহার করা হয়, তবুও এর অন্তর্নিহিত অর্থ বা তাৎপর্য সম্পূর্ণ ভিন্ন।"
লি জোর দিয়ে বলেন যে, জনগণের কাছে দলের দীর্ঘস্থায়ী শক্তি ও বিশ্বাসযোগ্যতা বজায় রাখার স্বার্থে, দলের সদস্যদের মধ্যে ক্ষমতা ও বিশেষ সুবিধার যে ক্ষতিকর প্রলোভন কাজ করে, তার বিরুদ্ধে লড়াই করার দৃঢ় সংকল্প সিপিসি’র থাকতে হবে।
তিনি বলেন, "চীনা জনগণের সুখ ও চীনা জাতির পুনরুজ্জীবন নিশ্চিত করাই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়নার মূল লক্ষ্য ও প্রতিষ্ঠার আদর্শ। একই সাথে, সিপিসির সদস্যরা ভালোভাবেই জানেন যে সামনের পথ ঝুঁকি ও চ্যালেঞ্জে পূর্ণ। ক্ষমতাসীন দল হিসেবে, দলের সদস্য ও কর্মকর্তাদের মধ্যে ক্ষমতা ও ব্যক্তিগত লাভের যে দ্বৈত ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকা এখন আরও বেশি জরুরি। তাই, সাধারণ সম্পাদক সি চিন পিং যেমনটি বলেছেন- কেবল নিজেদের মূল লক্ষ্যের প্রতি অবিচল থেকে, প্রতিষ্ঠার আদর্শকে দৃঢ়ভাবে মনে রেখে এবং নিরলসভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার মাধ্যমেই কমিউনিস্ট পার্টি অফ চায়না চিরকাল তারুণ্যদীপ্ত ও প্রাণবন্ত থাকতে পারে।"

তথ্য ও ছবি: সিসিটিভি।