NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, জুন ১৫, ২০২৬ | ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৫৩ বছর পর আবার গৌরবের প্রত্যাবর্তন: নিউ ইয়র্ক নিক্সকে ঘিরে এক শহরের স্বপ্ন, এক জাতির উচ্ছ্বাস - আকবর হায়দার কিরন রোকেয়া হায়দার: যে কণ্ঠস্বর পেরিয়েছে মহাসাগর - আকবর হায়দার কিরন রবিন খুদা: ঢাকা থেকে বিশ্ব প্রযুক্তির শীর্ষে এক বাংলাদেশির বিস্ময়কর যাত্রা -আকবর হায়দার কিরন কুলাউড়ার সন্তান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
Logo
logo

ড্রোন পরিবহনের প্রসারে আকাশপথে গড়ে উঠছে ডিজিটাল অবকাঠামো


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ১৫ জুন, ২০২৬, ১২:৪৯ এএম

ড্রোন পরিবহনের প্রসারে আকাশপথে গড়ে উঠছে ডিজিটাল অবকাঠামো

শেনচেনের একটি ব্যস্ত বাণিজ্যিক এলাকায় কয়েকটি ড্রোনকে দেখা গেল নতুন উড়ানপথ পরীক্ষা করতে। শহরটিতে এখন এ ধরনের প্রায় ৬০টি লজিস্টিক রুট আছে। আগামী দুই বছরে এই সংখ্যা দশগুণ বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তখন এর পেছনের যোগাযোগ নেটওয়ার্কের ওপরও চাপ ও চাহিদা দুটোই উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়বে।

মেইথুয়ানের ড্রোন উড়ান পরীক্ষার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লি মিংইয়াং বলেন, এলাকায় কাচের দেয়ালযুক্ত ভবন বেশি থাকায় সিগনালে প্রভাব পড়ে। পরীক্ষার সময় কিছু ‘সিগন্যাল ব্লাইন্ড স্পট’ বা শূন্য-সংকেত অঞ্চল চিহ্নিত হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, ঘনবসতিপূর্ণ বাণিজ্যিক এলাকার নিম্ন-উচ্চতার আকাশসীমায় ড্রোন পরিচালনা করা বেশ জটিল কাজ।

মেইথুয়ানের ড্রোন জনবিষয়ক বিভাগের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইয়ান ইয়ান বলেন, ছুটির দিন ও ব্যস্ত সময়ে যোগাযোগ নেটওয়ার্কের ব্যান্ডউইথ পর্যাপ্ত থাকে না। অনেক সময় নেটওয়ার্ক অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়ে।

এসব কারণে আরও বেশি ব্যান্ডউইথ, কম বিলম্ব (ল্যাটেন্সি) এবং উচ্চ ঘনত্বে বেশি পরিমাণে ড্রোন পরিচালনার সক্ষমতা প্রত্যাশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।এ বছর থেকে শেনচেনের ১২০ মিটারের নিচের আকাশসীমার ৭০ শতাংশেরও বেশি অংশ উন্মুক্ত করা হয়েছে। ফলে একই আকাশসীমায় বিভিন্ন ধরনের উড়ো-যান পরিচালিত হচ্ছে।

কুয়াংতোং-হংকং-ম্যাকাও গ্রেটার বে এরিয়া ডিজিটাল ইকোনমি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের নিম্ন উচ্চতার অর্থনীতি বিভাগের পরিচালক লি শিপেং বলেন, এত বিপুল সংখ্যক ফ্লাইং কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একটি সমন্বিত সেবা ব্যবস্থা অপরিহার্য। এর অন্যতম ভিত্তি হলো যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, যা উড়ন্ত যানগুলোর অবস্থান ও কার্যক্রমের তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে সরবরাহ করতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, নিম্ন-উচ্চতার আকাশপথ অনেকটা স্থলপথের যানবাহন ব্যবস্থার মতো। যত বেশি ফ্লাইট, তত বেশি সমন্বয় ও নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হবে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে শুধু শেনচেনেই লজিস্টিক ড্রোন উড়েছে ৩ লাখ ৮৩ হাজার বার, যা গতবছরের একই সময়ের তুলনায় ৩৮ দশমিক ৫ শতাংশ বেশি।

সেই সঙ্গে ভূমিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রকে সবসময় জানতে হবে আকাশে থাকা ড্রোনগুলোর অবস্থান, গতিপথ ও সম্ভাব্য ঝুঁকির তথ্য। এ জন্য প্রয়োজন আরও দ্রুত, নির্ভরযোগ্য ও পূর্ণাঙ্গ যোগাযোগ অবকাঠামো। বিশেষজ্ঞদের মতে, বহুমুখী সক্ষমতাসম্পন্ন নতুন প্রজন্মের যোগাযোগ নেটওয়ার্কই এ চাহিদা পূরণের মূল ভিত্তি।


চায়না মোবাইল কুয়াংতোং কোম্পানি শেনচেন শাখার নেটওয়ার্ক বিশেষজ্ঞ উ তি বলেন: প্রচলিত বেস স্টেশনগুলো মূলত ভূমির দিকে সংকেত সরবরাহের জন্য তৈরি করা হয়েছিল। এখন নিম্ন উচ্চতার আকাশসীমার চাহিদা মেটাতে নতুন নির্মিত ৫জি-এ সেন্সর সমন্বিত বেস স্টেশনের কভারেজ ভূমি থেকে আকাশে বিস্তৃত করা হয়েছে। একটি একক বেস স্টেশন প্রায় শতাধিক উড়ো-যানকে সেবা দিতে পারে।
শেনচেনে এখন এ ধরনের ২২০টি ‘বহুমুখী’ বেস স্টেশন নির্মাণ করা হয়েছে। পাশাপাশি, বিদ্যমান ১০ হাজারেরও বেশি ৫জি বেস স্টেশনকে উচ্চ ব্যান্ডউইথ সক্ষমতায় উন্নীত করা হয়েছে।

চিহাং ড্রোনের প্রতিষ্ঠাতা চিন লিয়াং বলেন, ভবিষ্যতে উড়োযান আরও দূরে ও উঁচুতে চলবে। তাদের পাহাড়, সমুদ্রসহ নানা জটিল পরিবেশ অতিক্রম করতে হবে। তাই আকাশ, ভূমি, মহাকাশ ও সমুদ্রকে একীভূত করে পরিচালনাযোগ্য যোগাযোগ ব্যবস্থাই ভবিষ্যতের লক্ষ্য।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ভবিষ্যতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ উন্নত প্রযুক্তির সমন্বয়ে শহরের আকাশে এক লাখেরও বেশি উড়ন্ত যন্ত্রকে নিরাপদ ও দক্ষভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হবে।

লি শিপেং বলেন, নতুন প্রজন্মের নিম্ন-উচ্চতার যোগাযোগ নেটওয়ার্ক গড়ে উঠলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান সহজেই এতে সংযুক্ত হয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে। এর ফলে উড়ান ব্যবস্থা আরও নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও কার্যকর হয়ে উঠবে।

সূত্র: জিনিয়া-ফয়সল-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।