NYC Sightseeing Pass
Logo
logo

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২০ মে, ২০২৬, ১০:০২ এএম

নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যতিক্রমী উদ্যোগ

বাংলাদেশের টেকসই বিদ্যুৎ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রতি তরুণদের আগ্রহ বৃদ্ধি করতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে একটি ব্যতিক্রমধর্মী সেমিনার। ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের আয়োজনে “Renewable Energy Based Solar Photovoltaic System: A Sustainable Solution to Mitigate Load Shedding in Bangladesh” শীর্ষক এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে।  ১৮ মে ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা, আধুনিক সৌর প্রযুক্তির কার্যকারিতা এবং বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সংকট মোকাবেলায় সোলার ফটোভোল্টাইক সিস্টেমের ভূমিকা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়। শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অতিথিদের উপস্থিতিতে পুরো অনুষ্ঠানটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।  সেমিনারের মূল বক্তা ছিলেন ইউনিভার্সিটি অব ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রভাষক ইফতেখার হায়দার নূরেন। তার উপস্থাপনায় উঠে আসে সৌরবিদ্যুতের বাস্তব প্রয়োগ, বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান চ্যালেঞ্জ এবং ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার বিভিন্ন দিক। তিনি অত্যন্ত সাবলীল ও অনুপ্রেরণামূলক ভাষায় শিক্ষার্থীদের বোঝান, কীভাবে সৌরবিদ্যুৎ শুধু বিকল্প শক্তি নয়, বরং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের টেকসই উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি হতে পারে।  তিনি আরও তুলে ধরেন, বর্তমান সময়ে সোলার সিস্টেম ব্যবহার করে শুধু নিজস্ব বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণই নয়, অতিরিক্ত উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিড লাইনে সরবরাহ করাও সম্ভব।

নেট মিটারিং ব্যবস্থার মাধ্যমে একজন সাধারণ গ্রাহকও বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এতে যেমন বিদ্যুৎ বিল কমানো সম্ভব, তেমনি জাতীয় বিদ্যুৎ ব্যবস্থার ওপর চাপও অনেকাংশে হ্রাস পাবে।  তার বাস্তবধর্মী উদাহরণ, প্রযুক্তিগত বিশ্লেষণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করে। পুরো উপস্থাপনাজুড়ে তিনি পরিবেশবান্ধব ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে নবায়নযোগ্য জ্বালানির গুরুত্ব বিশেষভাবে তুলে ধরেন।  অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. সৈয়দ সামসুদ্দিন আহমেদ এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রেজিস্ট্রার প্রফেসর এ. এস. এম. শফিকুল্লাহ। তারা এ ধরনের সময়োপযোগী আয়োজনের প্রশংসা করেন এবং শিক্ষার্থীদের গবেষণা ও উদ্ভাবনী কাজে আরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।