আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত: ১৫ মে, ২০২৬, ০৪:৩৯ পিএম

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং বেইজিংয়ের গণ-মহাভবনে চীন সফররত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সম্মানে
১৪মে (বৃহস্পতিবার) রাতে স্বাগত ভোজসভার আয়োজন করেন গণ-মহাভবনের সোনালি হলের উজ্জ্বল আলোয় দু’দেশের শীর্ষনেতা পর পর ভাষণ দেন।
জনাব সি চিন পিং বলেন, চলতি বছর চীনের ‘পঞ্চদশ পাঁচসালা পরিকল্পনার’ সূচনা বছর। ১৪০ কোটি চীনা মানুষ ৫০০০ বছরের বেশি পুরানো চীনা সভ্যতার গভীর ভিত্তিতে দাঁড়িয়ে উচ্চমানের উন্নয়নের মাধ্যমে চীনাশৈলীর আধুনিকীকরণের সার্বিক অগ্রগতি সাধন করছে। চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতার ২৫০তম বার্ষিকীও পালিত হচ্ছে। ৩০ কোটিরও বেশি মার্কিন জনগণ দেশপ্রেম, উদ্ভাবন ও অগ্রণী চেতনাকে পুনরুজ্জীবিত করছে এবং মার্কিন উন্নয়নের নতুন অভিযানে যাচ্ছেন। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ মহান জনগণ। চীনা জাতির মহান পুনরুজ্জীবন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে পুনরায় মহান করে তোলা– এই দুটি লক্ষ্য পুরোপুরি সহাবস্থান করতে পারে, একে অপরের পরিপূরক হতে পারে এবং বিশ্বের জন্য উপকার বয়ে আনতে পারে।
সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বিকাশের প্রক্রিয়া দেখে বোঝা যায়, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং উভয়ের জন্য লাভজনক সহযোগিতা করা হচ্ছে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের স্থিতিশীল উন্নয়নের চাবিকাঠি। চীন-মার্কিন সম্পর্কের ওপর ১৭০ কোটিরও বেশি মানুষের কল্যাণ নির্ভর করে এবং বিশ্বের ৮০০ কোটিরও বেশি মানুষের স্বার্থের সঙ্গে তা জড়িত। দু’পক্ষের উচিত যৌথভাবে এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করা এবং চীন-মার্কিন সম্পর্কের বিশাল জাহাজটিকে মসৃণভাবে সঠিক পথে চালিত করা।
জনাব ট্রাম্প তাঁর চীন সফরে উষ্ণ অভ্যর্থনা দেবার জন্য প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন- আজ একটি সুন্দর দিন। এটা একটি গুরুত্বপূর্ণ সফর। দু’পক্ষের মধ্যে সক্রিয় ও গঠনমূলক সংলাপ হয়েছে। মার্কিন ও চীনা জনগণ পরস্পরকে সম্মান ও শ্রদ্ধা করে; এই মৈত্রী সুদীর্ঘদিনের। মার্কিন-চীন সম্পর্ককে বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উল্লেখ করে তিনি বলেন- বিশ্বের সুন্দর ভবিষ্যত সৃষ্টির উদ্দেশ্যে দু’দেশের সহযোগিতা আরও জোরদার হবে।
সূত্র:আনন্দী-তৌহিদ,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।