NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, রবিবার, মে ৩, ২০২৬ | ২০ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
শুভেন্দুকে দেখেই ‘জয় বাংলা’ ও ‘চোর চোর’ স্লোগান, উত্তাল কালীঘাট The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক
Logo
logo

‘এক চীন নীতি’তে অবিচল সিয়েরা লিওন, সিজিটিএনকে জানালেন প্রেসিডেন্ট বায়ো


আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত:  ০৩ মে, ২০২৬, ০৭:১৬ পিএম

‘এক চীন নীতি’তে অবিচল সিয়েরা লিওন, সিজিটিএনকে জানালেন প্রেসিডেন্ট বায়ো

সম্প্রতি নিউইয়র্কে চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র চায়না গ্লোবাল টেলিভিশন নেটওয়ার্ক (সিজিটিএন)-কে একটি একান্ত সাক্ষাৎকার দেন সিয়েরা লিওনের প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস মাদা বায়ো।

প্রেসিডেন্ট জুলিয়াস সাক্ষাৎকারে বলেন, সিয়েরা লিওন ও চীনের মধ্যকার সম্পর্ক সুদৃঢ় ও মজবুত, যার মূল স্তম্ভ হলো পারস্পরিক শ্রদ্ধা। চীন সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপের মাধ্যমে নিজেকে একজন নির্ভরযোগ্য বন্ধু হিসেবে প্রমাণ করেছে।

তিনি বলেন, সিয়েরা লিওনে দশ লক্ষেরও বেশি মানুষ সরাসরি মত্স্য  শিকারের কাজে নিয়োজিত। চীন আমাদের জন্য একটি সম্পূর্ণ সুসজ্জিত মৎস্য বন্দর নির্মাণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যা মৎস্যজীবীদের উচ্চতর মুনাফা অর্জনে সক্ষম করবে এবং একই সাথে সরকারকেও আরও বেশি রাজস্ব আয়ে সহায়তা করবে। চীনা প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং আমাকে জানান, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য অবকাঠামো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চীন একটি বিরাট বাজার। চীন নিজের উন্নয়ন অর্জন করার পাশাপাশি, বন্ধুদেরকে নিয়ে সামনে এগিয়ে যাচ্ছে। এটি বিশ্বকে আরো শান্তিপূর্ণ পরিবর্তন করতে পারে।
প্রেসিডেন্ট বলেন, সিয়েরা লিওন বরাবরই ‘এক চীন নীতি’তে অবিচল থাকবে। তাইওয়ান হলো চীনের একটি অংশ।

খাদ্যশস্যের নিরাপত্তার বিষয়ে তিনি বলেন, সংঘাতের ক্ষেত্রে, নিরাপত্তা পরিষদের উচিত সমগ্র বিশ্বের প্রতিনিধিত্ব করে, নৈতিক উচ্চ অবস্থানে থেকে এটি নিশ্চিত করা। কোনো ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, রাষ্ট্র বা পক্ষ যুদ্ধকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করে, কৃষিজমি ধ্বংসের মাধ্যমে ক্ষুধা সৃষ্টি করতে বা খাদ্য নিরাপত্তাহীনতা বাড়িয়ে তুলতে পারে না।
আফ্রিকার পরিস্থিতি নিয়ে তিনি বলেন, আমরা একই মহাদেশে বাস করি এবং তাদের ওপর নেমে আসা যেকোনো দুর্যোগ আমাদেরকেও প্রভাবিত করতে পারে। তাই, এই আন্তর্জাতিক হুমকি যৌথভাবে মোকাবিলার জন্য আমরা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের মাধ্যমে বৈশ্বিক সহযোগিতার আহ্বান জানাই।

সূত্র:ছাই-আলিম-প্রেমা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।