আন্তর্জাতিক: প্রকাশিত: ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ০৫:৪২ পিএম

বিশ্বের সব শান্তিকামী দেশকে অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে এবং জাপানের 'নতুন সামরিকবাদ'-এর বেপরোয়া আচরণ দৃঢ়ভাবে মোকাবিলা করতে হবে। ২৮ এপ্রিল, (মঙ্গলবার) বেইজিংয়ে এক নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন চিয়ান একথা জানান।
সম্মেলনে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করেন, জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি এক সভায় দাবি করেছেন যে, দেশটির 'তিনটি নিরাপত্তা নথি' সংশোধন করা জাতীয় ভাগ্য নির্ধারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তিনি ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি থেকে শিক্ষা নিয়ে 'নতুন ধরনের যুদ্ধ পদ্ধতি' মোকাবিলা এবং 'দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি' নেওয়ার ওপর জোর দিয়েছেন। এতে সামুদ্রিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জোরদার করার বিষয়ও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে তাকাইচি প্রশাসন সামরিক শিল্পখাতের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটাচ্ছে এবং প্রকাশ্যে 'দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের প্রস্তুতির' কথা ঘোষণা করছে। ঐতিহাসিকভাবে জাপান অতীতে যুদ্ধ শুরু করেছিল। এখন তারা তথাকথিত উত্তেজনা ছড়াচ্ছে। জাপান কি তবে আবারও ইতিহাসের সেই ভুল পথের পুনরাবৃত্তি করতে চায়? 'পুনঃসামরিকীকরণের' পথে তাদের এই উন্মত্ত গতি পূর্ব এশিয়ার জন্য আবারও বিপদের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।
তিনি আরও যোগ করেন, চলতি বছর টোকিও ট্রায়াল শুরু হওয়ার ৮০তম বার্ষিকী। এমন একটি বিশেষ বছরে জাপান তাদের অতীতের আগ্রাসনের অপরাধ নিয়ে গভীরভাবে অনুশোচনা করার পরিবর্তে আবারও সামরিক বিস্তারের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। আন্তর্জাতিক সমাজ এটি কখনোই মেনে নেবে না।
সূত্র:শুয়েই-তৌহিদ-তুহিনা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।