NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, সোমবার, এপ্রিল ২৭, ২০২৬ | ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
The Obama Nuclear Deal: A Legacy of Hope and a Challenge for Trump and Netanyahu - Dr. Pamelia Riviere ঐতিহাসিক সিরাকিউস শহরে লায়ন্স ক্লাব ডিস্ট্রিক্ট-২০এ শাহ নেওয়াজ প্রথম ভাইস গভর্নর নির্বাচিত নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে
Logo
logo

কোনো নেতার ভাষণ বাজানোর জন্য কাউকে হয়রানি করা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী


আকবর হায়দার কিরণ   প্রকাশিত:  ২৭ এপ্রিল, ২০২৬, ০৩:৫৪ পিএম

কোনো নেতার ভাষণ বাজানোর জন্য কাউকে হয়রানি করা উচিত নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

 কোনো নেতার ভাষণ বাজানো বা শোনানোর কারণে কাউকে হয়রানি করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বুধবার (১১ মার্চ) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্র–এ ‘জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ, ২০২৫: নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা’ শীর্ষক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সংলাপটির আয়োজন করে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সবাইকে দায়িত্বশীল আচরণ করতে হবে। তিনি ইঙ্গিত করেন, কোনো নেতার ভাষণকে কেন্দ্র করে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটুক—এমনটি সরকার চায় না।   তিনি বলেন, “ফজলু ভাই যে বিষয়টি বলেছেন, এখনো একটি বক্তৃতার বিষয় নিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘনের কথা শোনা যাচ্ছে। আমাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক সংস্কৃতি ধীরে ধীরে উন্নত করার চেষ্টা করছি। তবে রাতারাতি শতভাগ গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলা সম্ভব নয়।”  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান–এর ভাষণকে কেন্দ্র করে যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে সে বিষয়েও তিনি সতর্ক থাকার আহ্বান জানান।  

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা বিভিন্ন অধ্যাদেশের বেশিরভাগই সরকার গ্রহণ করবে। কিছু অধ্যাদেশ হুবহু গ্রহণ করা হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে সংশোধন এনে সংসদে বিল আকারে পাস করা হবে।  তিনি বলেন, “কোনো কিছু জোরজবরদস্তি করে করা জাতির জন্য ভালো ফল বয়ে আনে না। অন্তর্বর্তী সরকারের অনেক অধ্যাদেশ আমরা গ্রহণ করতে পারবো, আবার কিছু বিষয়ে আলোচনা প্রয়োজন।” তিনি আরও বলেন, মানবাধিকার কমিশন সংক্রান্ত অধ্যাদেশটিও সংসদে আলোচনায় আসবে এবং বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতিকে আন্তর্জাতিক মানের কাছাকাছি নেওয়ার চেষ্টা করা হবে।  স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের প্রতিটি অক্ষর বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি রয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, কিছু বিষয়ে বিভিন্ন দলের ‘নোট অব ডিসেন্ট’ থাকলেও জনগণের ম্যান্ডেট অনুযায়ী সরকার তার নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের পথেই এগোবে।