NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

বেইজিংয়ে পৌঁছালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ১২:৫২ পিএম

বেইজিংয়ে পৌঁছালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী, চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর

কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি চার দিনের সফরে গত ১৪ই জানুয়ারি (বুধবার) বেইজিং ক্যাপিটাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছেছেন। আট বছরের মধ্যে এটি কোনো কানাডিয়ান প্রধানমন্ত্রীর প্রথম চীন সফর।

চীন-কানাডা সম্পর্কের আরও উন্নতি ও উন্নয়নের জন্য নতুন কৌশলগত দিকনির্দেশনা দিতে প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং প্রধানমন্ত্রী কার্নির সঙ্গে বৈঠক করবেন। এ ছাড়া চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং এবং ন্যাশনাল পিপলস কংগ্রেসের স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান চাও ল্যচি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও অভিন্ন উদ্বেগের বিষয়গুলো নিয়ে তাঁর সঙ্গে বিশদ ও গভীর মতবিনিময় করবেন।

গত বছর থেকে উভয় পক্ষের যৌথ প্রচেষ্টার ফলে চীন-কানাডা সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নত ও বিকশিত হয়েছে। প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং দক্ষিণ কোরিয়ার গিয়ংজুতে প্রধানমন্ত্রী কার্নির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছিলেন, যা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের পরিবর্তন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিময় ও সহযোগিতা পুনরুদ্ধারের পথ সুগম করেছিল।

গত মঙ্গলবার চীনের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বলেন, চীন কানাডার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদার এবং বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি। তিনি আরও বলেন, কানাডা ও চীনের মধ্যে বাস্তবসম্মত ও গঠনমূলক সম্পর্ক প্রশান্ত মহাসাগরের উভয় প্রান্তে বৃহত্তর স্থিতিশীলতা, নিরাপত্তা ও সমৃদ্ধি বয়ে আনবে। চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী কার্নির সঙ্গে পররাষ্ট্র, শিল্প, কৃষি, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য খাতের বেশ কয়েকজন মন্ত্রী রয়েছেন।

এর আগে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছিলেন, চীন-কানাডা সম্পর্কের সুস্থ ও স্থিতিশীল উন্নয়ন উভয় দেশ ও তাদের জনগণের সাধারণ স্বার্থে এবং বিশ্বশান্তি, স্থিতিশীলতা, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। চীন আশা করে, প্রধানমন্ত্রী কার্নির এই সফর সংলাপ ও যোগাযোগ জোরদার, রাজনৈতিক পারস্পরিক আস্থা বৃদ্ধি, বাস্তবসম্মত সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং পার্থক্যগুলো সঠিকভাবে মোকাবিলার সুযোগ হিসেবে কাজ করবে। এটি চীন-কানাডা সম্পর্কের ইতিবাচক গতিকে সুসংহত করবে এবং উভয় দেশের জনগণের জন্য কল্যাণকর হবে।

সূত্র:জিনিয়া-তৌহিদ-ফেই,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।