NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, মঙ্গলবার, জুন ৯, ২০২৬ | ২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী ৩৫তম নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২০২৬: উৎসব, আবেগ আর শিকড়ের টানে বর্ণাঢ্য সমাপ্তি ৩০ মে শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষে জ্যাকসন হাইটস এলাকাবাসীর বিশেষ আয়োজন জ্যাকসন হাইটসে জমজমাট আয়োজনে বাংলাদেশী আমেরিকান ফাউন্ডেশন অ্যাওয়ার্ড ২০২৬ সম্পন্ন
Logo
logo

চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইতিবাচক পথে: দুই নেতার মূল্যায়ন


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৯ জুন, ২০২৬, ০১:৩০ এএম

চীন-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ক ইতিবাচক পথে: দুই নেতার মূল্যায়ন

চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেইজিং সময় ২৩ নভেম্বর, (সোমবার) রাতে, ফোনে কথা বলেন। 

এ সময় সি চিন পিং বলেন, “গত মাসে আমরা দক্ষিণ কোরিয়ার বুসানে বৈঠক করি এবং বিভিন্ন ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্যে পৌঁছাই, যা চীন-মার্কিন সম্পর্ক উন্নয়নে নতুন চালিকাশক্তি যুগিয়েছে এবং বিশ্বের কাছে ইতিবাচক সংকেত পাঠিয়েছে। বুসান বৈঠকের পর থেকে চীন-মার্কিন সম্পর্ক মূলত  স্থিতিশীল আছে ও তা ভালোর দিকে যাচ্ছে এবং দু’দেশ ও আন্তর্জাতিক সমাজ এ প্রবণতাকে স্বাগত জানিয়েছে। এতে প্রমাণিত হয় যে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতা করলে উভয়ের লাভ এবং লড়াই করলে উভয়েরই ক্ষতি। চীন ও যুক্তরাষ্ট্র পরস্পরকে সাফল্য ও সমৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা করতে পারে, যা একটি বাস্তবতা। দু’পক্ষের উচিত, এ প্রবণতা বজায় রেখে  সামনের দিকে এগিয়ে যাওয়া; সাম্য এবং পারস্পরিক সম্মান ও কল্যাণের ভিত্তিতে, সহযোগিতা বাড়ানো ও সমস্যা কমানো, আর অগ্রগতি অর্জন করা; এবং দু’দেশের মানুষ ও বিশ্বের মানুষের জন্য কল্যাণ বয়ে আনা।” 

ফোনালাপে তাইওয়ান ইস্যুতে সি চিন পিং চীনের অবস্থান আবারও তুলে ধরে বলেন, চীনের কোলে তাইওয়ানের প্রত্যাবর্তন  দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক শৃঙ্খলার গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ। ফ্যাসিবাদ ও সামরিকবাদের বিরুদ্ধে চীন ও যুক্তরাষ্ট্র একসময় একসাথে লড়াই করেছিল এবং দু’পক্ষের উচিত, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অর্জনকে রক্ষা করা।  

জবাবে ট্রাম্প বলেন, প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মহান একজন নেতা এবং বুসানে দু’জনের বৈঠক ছিল মনোরম। দু’দেশের সম্পর্ক নিয়ে প্রেসিডেন্ট সি’র সাথে তিনি সম্পূর্ণ একমত হন। 

ট্রাম্প বলেন, বুসান বৈঠকের গুরুত্বপূর্ণ মতৈক্য বাস্তবায়ন করছে দু’পক্ষ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বিজয়ে চীন বড় অবদান রেখেছে এবং চীনের কাছে তাইওয়ান ইস্যুর গুরুত্ব আমেরিকা বোঝে। 

এ সময় দু’নেতা ইউক্রেন সংকট নিয়েও কথা বলেন। সি চিন পিং জোর দিয়ে বলেন, শান্তি অর্জনের সকল প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে চীন এবং আশা করা যায়, সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলো মতভেদ কমিয়ে যত দ্রুত সম্ভব একটি ন্যায্য, স্থায়ী ও কার্যকর চুক্তি স্বাক্ষরের মাধ্যমে বিদ্যমান সংকটের সমাধান করবে। 

সূত্র:শিশির-আলিম-মুক্তা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।