NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রোকেয়া হায়দার: যে কণ্ঠস্বর পেরিয়েছে মহাসাগর - আকবর হায়দার কিরন রবিন খুদা: ঢাকা থেকে বিশ্ব প্রযুক্তির শীর্ষে এক বাংলাদেশির বিস্ময়কর যাত্রা -আকবর হায়দার কিরন কুলাউড়ার সন্তান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী
Logo
logo

দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল চীন-মার্কিন সম্পর্ক গড়ার আহ্বান


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ১৩ জুন, ২০২৬, ০৪:৩৭ পিএম

দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীল চীন-মার্কিন সম্পর্ক গড়ার আহ্বান

২৬ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার), চীনের প্রধানমন্ত্রী লি ছিয়াং নিউইয়র্কে, যুক্তরাষ্ট্রের একাধিক বন্ধুত্বপূর্ণ গ্রুপের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন। মার্কিন-চীন ব্যবসা পরিষদ, মার্কিন-চীন সম্পর্ক সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি, মার্কিন চেম্বার অফ কমার্স, এবং বৈদেশিক সম্পর্ক কাউন্সিলের প্রতিনিধি, শিক্ষাবিদ, ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা এ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। 

মার্কিন বন্ধুদের বক্তৃতা মনোযোগ সহকারে শোনার পর লি ছিয়াং বলেন, চীন-মার্কিন সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক। দুটি দেশ পরস্পরের অংশীদার ও বন্ধু হতে পারে এবং হওয়া উচিত। দুটি প্রধান বিশ্বশক্তি হিসেবে, চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের একে অপরকে সম্মান করা, শান্তিপূর্ণভাবে সহাবস্থান করা, পারস্পরিক সুবিধার জন্য সহযোগিতা করা, এবং পারস্পরিক সাফল্যের মাধ্যমে সাধারণ সমৃদ্ধি অর্জন করা উচিত। 

তিনি বলেন, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের বাজার কাঠামোতে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য এবং তাদের শিল্প কাঠামোতে শক্তিশালী পরিপূরকতা রয়েছে। আন্তর্জাতিক শিল্প-শৃঙ্খলে উভয় দেশই গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যি সহযোগিতা জোরদার করা পারস্পরিকভাবে লাভজনক ও বিশ্বের জন্য  কল্যাণকর।  

লি ছিয়াং আরও বলেন, স্থিতিশীল ও সুস্থ অর্থনৈতিক উন্নয়ন বজায় রাখার এবং মার্কিন কোম্পানিসহ বিশ্বজুড়ে কোম্পানিগুলোর জন্য আরও সুযোগ সৃষ্টি করার জন্য চীনের সদিচ্ছা ও সক্ষমতা রয়েছে। প্রথমত, চীন সর্বদা একটি গঠনমূলক ও দায়িত্বশীল মনোভাব বজায় রাখবে এবং চীন-মার্কিন অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্কের স্থিতিশীলতা ও উন্নতির জন্য সমতা, শ্রদ্ধা ও পারস্পরিক সুবিধার ভিত্তিতে কাজ করে যাবে; দ্বিতীয়ত, চীন সর্বদা উন্নয়নের ওপর মনোনিবেশ করবে এবং স্থিতিশীল অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য কাজ করবে। চীনা অর্থনীতি একটি অনন্য ও স্থিতিশীল অপারেটিং ব্যবস্থা নিয়ে গর্ব করে, যার বাজার সম্ভাবনা দ্রুত প্রকাশিত হচ্ছে, উদ্ভাবন অব্যাহত প্রবৃদ্ধিকে উত্সাহিত করছে এবং অর্থনৈতিক প্রাণশক্তি ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে; তৃতীয়ত, চীন সর্বদা তার প্রতিশ্রুতিগুলোকে সম্মান করবে এবং অটলভাবে বহির্বিশ্বের জন্য উন্মুক্তকরণ প্রসারিত করবে। 

বৈঠকে মার্কিন অংশগ্রহণকারীরা সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং সামাজিক উন্নয়নে চীনের প্রশংসনীয় সাফল্যের কথা ব্যক্ত করেন। যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কের বৈশ্বিক প্রভাব রয়েছে। তাঁরা আশা প্রকাশ করেন যে, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন উচ্চ-স্তরের বিনিময় বজায় রাখবে, বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংলাপ সম্প্রসারণ করবে, পারস্পরিক কল্যাণকর সহযোগিতা জোরদার করবে, এবং জনগণের সাথে জনগণের বিনিময় বৃদ্ধি করবে, যাতে দীর্ঘমেয়াদী ও স্থিতিশীল যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্ক গড়ে তোলা যায়। 

সূত্র :রুবি-আলিম-সুবর্ণা,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।