NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড
Logo
logo

মার্কিন নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০৩:২২ এএম

মার্কিন নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ

সম্প্রতি মার্কিন সরকার বিদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোকে শিক্ষার্থী-ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পোস্ট পর্যালোচনা করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানায়। চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র সিজিটিএন এ সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের জন্য একটি জনমত জরিপ চালায় সম্প্রতি। 

জরিপের ফল অনুসারে, ৮২.১ শতাংশ উত্তরদাতা একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর মার্কিন প্রশাসনের হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা ও নিন্দা জানান। তাঁরা বিশ্বাস করেন যে, এটি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ। এ ছাড়া, আদর্শ ও জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে অযৌক্তিকভাবে চীনা ছাত্র-ছাত্রীদের ভিসা বাতিল করার বিষয়টিরও তীব্র সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা। ৮৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন পদক্ষেপ চীনা শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বাধা সৃষ্টি করেছে।

জরিপ অনুসারে, ৮২.৫ শতাংশ উত্তরদাতা সামাজিক সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চরম চাপ প্রয়োগ ও প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মার্কিন সরকারের সমালোচনা করেন; ৮২.৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই ডিক্রিগুলো মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা, একাডেমিক স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতাকে সীমিত করেছে; ৮৮.৯ শতাংশ উত্তরদাতারা মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব ও শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য আইনি অস্ত্র ব্যবহার করার বিষয়টিকে সমর্থন করেন।

এ ছাড়া, ৮৬.৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন সরকারের বারবার বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে নীতি ও বিবৃতি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনাম এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আকর্ষণকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে; ৮৮.৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো স্পষ্টতই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এটি তাদের ‘স্বাধীনতা ও উন্মুক্ততা’ নীতির লঙ্ঘন। 

জরিপটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি এবং রুশ ভাষা প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে মোট ৬৮৮৬ জন বিদেশী নেটিজেন জরিপে অংশগ্রহণ করেন। সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।