NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

মার্কিন নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ


আন্তর্জাতিক ডেস্ক : প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

মার্কিন নীতি আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ

সম্প্রতি মার্কিন সরকার বিদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস ও কনস্যুলেটগুলোকে শিক্ষার্থী-ভিসার সাক্ষাৎকার স্থগিত রাখার নির্দেশ দেয় এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন পোস্ট পর্যালোচনা করার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানায়। চায়না মিডিয়া গ্রুপ (সিএমজি)-র সিজিটিএন এ সম্পর্কে বিশ্বজুড়ে নেটিজেনদের জন্য একটি জনমত জরিপ চালায় সম্প্রতি। 

জরিপের ফল অনুসারে, ৮২.১ শতাংশ উত্তরদাতা একাডেমিক স্বাধীনতার ওপর মার্কিন প্রশাসনের হস্তক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা ও নিন্দা জানান। তাঁরা বিশ্বাস করেন যে, এটি শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার গুরুতর লঙ্ঘন ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পক্ষপাতদুষ্ট ও বৈষম্যপূর্ণ আচরণ। এ ছাড়া, আদর্শ ও জাতীয় নিরাপত্তার অজুহাতে অযৌক্তিকভাবে চীনা ছাত্র-ছাত্রীদের ভিসা বাতিল করার বিষয়টিরও তীব্র সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা। ৮৩ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন পদক্ষেপ চীনা শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার ও স্বার্থকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং দুই দেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়ে বাধা সৃষ্টি করেছে।

জরিপ অনুসারে, ৮২.৫ শতাংশ উত্তরদাতা সামাজিক সংগঠনগুলোর বিরুদ্ধে চরম চাপ প্রয়োগ ও প্রতিশোধ নেওয়ার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের জন্য মার্কিন সরকারের সমালোচনা করেন; ৮২.৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, এই ডিক্রিগুলো মার্কিন উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার ভিত্তিকে মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করেছে এবং কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা, একাডেমিক স্বাধীনতা ও বাকস্বাধীনতাকে সীমিত করেছে; ৮৮.৯ শতাংশ উত্তরদাতারা মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর নিজস্ব ও শিক্ষার্থীদের বৈধ অধিকার এবং স্বার্থ রক্ষার জন্য আইনি অস্ত্র ব্যবহার করার বিষয়টিকে সমর্থন করেন।

এ ছাড়া, ৮৬.৭ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন সরকারের বারবার বিশ্ববিদ্যালয় ও আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য করে নীতি ও বিবৃতি মার্কিন বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনাম এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি তাদের আকর্ষণকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করবে; ৮৮.৫ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞাগুলো স্পষ্টতই রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও এটি তাদের ‘স্বাধীনতা ও উন্মুক্ততা’ নীতির লঙ্ঘন। 

জরিপটি সিজিটিএন-এর ইংরেজি, স্প্যানিশ, ফরাসি, আরবি এবং রুশ ভাষা প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত হয়। প্রকাশের ২৪ ঘন্টার মধ্যে মোট ৬৮৮৬ জন বিদেশী নেটিজেন জরিপে অংশগ্রহণ করেন। সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান, চায়না মিডিয়া গ্রুপ।