NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুন ১৩, ২০২৬ | ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
রোকেয়া হায়দার: যে কণ্ঠস্বর পেরিয়েছে মহাসাগর - আকবর হায়দার কিরন রবিন খুদা: ঢাকা থেকে বিশ্ব প্রযুক্তির শীর্ষে এক বাংলাদেশির বিস্ময়কর যাত্রা -আকবর হায়দার কিরন কুলাউড়ার সন্তান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত মসজিদগুলোতে বেহেশতের টিকিট বিক্রির জন্য ইমাম নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে: আইনমন্ত্রী
Logo
logo
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীতে চীনা পররাষ্ট্র


মশিউর আনন্দ প্রকাশিত:  ১২ জুন, ২০২৬, ১০:৫১ পিএম

মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীতে চীনা পররাষ্ট্র
চীনা রাষ্ট্রীয় কাউন্সিলর ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ২ সেপ্টেম্বর ভিডিও লিঙ্কের মাধ্যমে জাতিসংঘের মহাসাগর আইন চুক্তি স্বাক্ষরের ৪০তম বার্ষিকীর এক আলোচনাসভার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন।  ওয়াং ই বলেন, ১৯৮২ সালে জাতিসংঘের মহাসাগর আইন চুক্তির জন্ম হয়েছে, যা বিশ্বজুড়ে মহাসাগর প্রশাসনের নতুন অধ্যায় সৃষ্টি করেছে।  এ চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া, লক্ষ্য ও অনুশীলনের দিকে ফিরে তাকালে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে মহাসাগর প্রশাসনের জন্য তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দিক পাওয়া যায়: বহুপক্ষবাদের সম্প্রসারণ, ন্যায্যতা ও সমতা বেগবান করা, এবং উন্মুক্তকরণ ও অগ্রগতিতে অবিচল থাকা।  ওয়াং ই বলেন, উন্নয়নশীল মহাসাগরের বড় দেশ হিসেবে চীন নিজের বৈধ স্বার্থের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সমাজের পুরো স্বার্থকে যুক্ত করেছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোর পাশে থেকে চীন সম্পূর্ণভাবে সে চুক্তির বৈঠকে অংশগ্রহণ করেছে এবং অন্যতম প্রথম চুক্তি স্বাক্ষরকারী হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছে।  তিনি বলেন, চীন বরাবরই চুক্তি মেনে চলে এবং চুক্তি অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করার পাশাপাশি চুক্তির সম্পূর্ণতা ও কর্তৃত্ব রক্ষা করে চলে।  ওয়াং ই আরও বলেন, ‘নতুন যুগ-সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আমাদের উচিত অভিন্ন স্বার্থসংশ্লিষ্ট কমিউনিটি গঠনের চেতনায় মহাসাগরের টেকসই উন্নয়ন বেগবান এবং বৈঠক ও সংলাপের  ভিত্তিতে মহাসাগরের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষা করা।’   বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে আরও উচ্চমানের বৈশ্বিক মহাসাগরের প্রশাসন ও মানব জাতির মহাসাগরীয় স্বার্থ বৃদ্ধির জন্য আরও অবদান রাখতে চীন ইচ্ছুক বলে জানান তিনি।  সূত্র:সিএমজি