NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, এপ্রিল ২৫, ২০২৬ | ১২ বৈশাখ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
নিউ ইয়র্কে ১৪ এপ্রিল ‘বাংলা নববর্ষ’ ঘোষণার ঐতিহাসিক রেজুলেশন প্রেমের এক বৈশ্বিক মহাকাব্য হুমায়ূন কবীর ঢালীর কাব্যসংকলন ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বের প্রেমের কবিতা’ People-Centered Presence  Where are the connections with the diaspora, Bangladesh’s informal envoys? স্টুডেন্ট ভিসাধারীদের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের কঠোর বার্তা Questions in the Diaspora Over Bangladesh’s Representation at the United Nations জাতিসংঘে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব নিয়ে প্রবাসে প্রশ্ন কানাডার রাজনীতিতে ডলি বেগমের চমক 'মারকুইস হু’স হু' ফাইন্যান্স খাতে দক্ষতার জন্য বাংলাদেশী আমেরিকান মলি রহমানকে সম্মানিত করেছে সিএনএনের প্রতিবেদন ‘গেম অব চিকেন’: সংঘাতের বিপজ্জনক মোড়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান, অস্থির বিশ্ব অর্থনীতি শহীদ ডাঃ শামসুদ্দিন আহমেদ : একটি আলোকবর্তিকা -  ডাঃ জিয়াউদ্দিন আহমেদ
Logo
logo
কোটা আন্দোলন

'তারে কেনো গুলি করে মারলো, সে তো আন্দোলনে যায় নাই'


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:২০ পিএম

'তারে কেনো গুলি করে মারলো, সে তো আন্দোলনে যায় নাই'

 'আমার জান্নাত-আলামিন এতিম হয়ে গেলো রে। আমি কার কাছে স্বামী হত্যার বিচার চাবো? তারে কেন গুলি করে মারলো? হোটেলে যাচ্ছিলো, সে তো আন্দোলনে যায় নাই' এ ভাবেই আহাজারি করছিলেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার বাসিন্দা ঢাকায় নিহত আব্দুল গণি শেখের স্ত্রী লাকী আক্তার।      লাকী আক্তার বলেন, গত শুক্রবার (১৯ জুলাই) গুলশান-২ নম্বর শাহজাদপুর বাঁশতলা হয়ে তার স্বামী আব্দুল গণি শেখ (৪৫) কর্মস্থল সিক্সসিজন নামক আবাসিক হোটেলে যাচ্ছিলো। এ সময় কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের মধ্যে পড়ে যায়। তখন আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটলে তার স্বামী গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন।   নিহত আব্দুল গণি রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের নতুন বাজার এলাকার আব্দুল মজিদ শেখের ছেলে।

 জানা গেছে, শুক্রবার সকালে গুলশান ২ নম্বর এলাকার কর্মস্থল আবাসিক হোটেল সিক্সসিজন থেকে জরুরী ফোন পেয়ে গোপীবাগ উত্তর বাড্ডার বাসা থেকে বের হন আব্দুল গণি শেখ। যাবার পথে তিনি শাহজাদপুর বাঁশতলা এলাকায় কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে যান। আন্দোলন চলাকালীন সময়ে তার মাথার ডান পাশে গুলি লেগে অপর পাশ দিয়ে বের হয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তিনি মারা যান। নিহত আব্দুল গণি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে ঢাকায় হোটেলে কাজ করতেন।    

এ ঘটনায় গণির গ্রামের বাড়িতে চলছে শোকের মাতম। ছেলে, মেয়ে ও স্ত্রী লাকী আক্তারকে সান্ত্বনা দেওয়ায় ভাষা তারা খুঁজে পাচ্ছেন না স্বজনরা।  নিহতের স্ত্রী লাকি আক্তার বলেন, ঘটনার দিন বেলা ১১টার দিকে ঢাকা থেকে এক স্বজন বাড়িতে ফোন করে জানান, গুলিবিদ্ধ হয়ে আব্দুল গণি মারা গেছেন। ওই দিন সকালে মোবাইল ফোনে তার স্বামী জানিয়েছিলেন, কোটা সংস্কারের দাবিতে ঢাকার আন্দোলনের পরিস্থিতি ভালো না। তাই গ্রামের বাড়ী রাজবাড়ীতে চলে আসবেন। এ সময় দ্রুত হোটেলে যেতে তার অফিস থেকে ফোন করা হয়। আর তিনি হোটেলে যাওয়ার পথে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। এ হত্যার দায় কে নিবে, এখন আমার ছেলে-মেয়ে আর সংসারের দায়িত্ব নিবে কারা? আমি স্বামী হত্যার বিচার চাই।