NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬ | ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড
Logo
logo

খেলা লিটন-শান্তর ব্যাটে সিরিজে ফিরলো বাংলাদেশ


খবর   প্রকাশিত:  ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০৯:২২ এএম

খেলা লিটন-শান্তর ব্যাটে সিরিজে ফিরলো বাংলাদেশ

 প্রথম ম্যাচে অসাধ্য সাধনের কাছে এসেও পারেনি। জাকের আলী অনিকের দূর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ ম্যাচ হেরেছিল ৩ রানে। বাঁচামরার দ্বিতীয় টি- টোয়েন্টিতেই দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ালো বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কাকে রীতিমত নাকাল করে দাপুটে এক জয় তুলে নিলো নাজমুল হোসেন শান্তর দল। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের এই জয়ে তিন ম্যাচ সিরিজে ১-১ সমতা ফিরিয়েছে স্বাগতিকরা।  এদিন শ্রীলঙ্কার ছূঁড়ে দেয়া ১৬৬ রান তাড়ায় ভালো শুরু করেন সৌম্য সরকার আর লিটন দাস। লিটনকে বেশ আত্মবিশ্বাসী দেখালেও সৌম্য অবশ্য শুরু থেকেই নড়বড়ে ছিলেন। বারকয়েক বেঁচে যান আউট থেকে। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে তো আম্পায়ার আউট দিয়েই বসেছিলেন। বিনুরা ফার্নান্দোর শর্ট লেংথের বলে পুুল করেছিলেন সৌম্য। বল চলে যায় উইকেটরক্ষকের হাতে। 

শ্রীলঙ্কার আবেদনে সাড়া দিয়ে আম্পায়ার গাজী সোহেল আঙুল তুলে দেন। সৌম্য সঙ্গে সঙ্গে রিভিউ নিয়ে নেন। আল্ট্রা এজে স্পাইক দেখা যায়। কিন্তু তৃতীয় আম্পায়ার মাসুদুর রহমান নটআউট ঘোষণা করেন সৌম্যকে। বল আর ব্যাটের মধ্যে যথেষ্ট ফাঁক ছিল দাবি করেন আম্পায়ার। স্পাইকও বল ব্যাট পেরিয়ে যাওয়ার পর এসেছে, জানানো হয়। যে আউট নিয়ে মাঠে অনেকটা সময় খেলা বন্ধ করে রেখেছিলেন লঙ্কান ক্রিকেটাররা।  ওপেনিং জুটিতে আসে ৪১ বলে ৬৮ রান। সৌম্য সুযোগ পেয়ে যে খুব কাজে লাগাতে পেরেছেন, তা না। ১৪ রানে জীবন পেয়েছিলেন, এরপর ২২ বলে ২৬ করে পাথিরানার বলে ম্যাথিউসকে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। পাথিরানা নিজের পরের ওভারে এসে তুলে নেন লিটনকেও। ২৪ বলে ৫ বাউন্ডারি আর ১ ছক্কায় লিটনের ব্যাট থেকে আসে ৩৬।  সেখান থেকে তৃতীয় উইকেট জুটিতে ম্যাচ বের করে নিয়ে আসেন তাওহীদ হৃদয় আর নাজমুল হোসেন শান্ত। হৃদয় ৩২ রানে আর শান্ত ক্যারিয়ারের চতুর্থ হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়ে অপরাজিত থাকেন ৫৩ রানে।     এর আগে শ্রীলঙ্কাকে ৫ উইকেটে ১৬৫ রানে আটকে রাখে বাংলাদেশ। সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। শরিফুল ইসলাম বোলিং ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে শুরু করেন মেইডেন দিয়ে। প্রথম ওভারে এক রানও নিতে পারেনি শ্রীলঙ্কা। দ্বিতীয় ওভারে তাসকিন আহমেদও সেই চাপ ধরে রাখেন। ৫ রান দিয়ে তুলে নেন আভিষ্কা ফার্নান্ডোর উইকেট। ৭ বলে ০ করা ফার্নান্ডো ঝুঁকি নিতে গিয়ে বল তুলে দিয়েছিলেন আকাশে, তাসকিন নিজেই নেন ক্যাচ।

১ রানে প্রথম উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। তবে শুরুর সেই চাপ ধরে রাখতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারে তাসকিন দেন ১৭ রান, পঞ্চম ওভারে শেখ মেহেদি ৯। পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে মোস্তাফিজুর রহমান বল হাতে নিয়ে বিলিয়ে দেন ১৫ রান। ফলে প্রথম ৬ ওভারে ১ উইকেটেই ৪৯ রান তুলে ফেলে লঙ্কানরা। দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ বলে ৬৬ রান যোগ করেন কুশল মেন্ডিস আর কামিন্দু মেন্ডিস। অবশেষে সৌম্য সরকারকে বোলিংয়ে এনে এই জুটিটি ভাঙেন অধিনায়ক। ২২ বলে ৩৬ করে কুশল মেন্ডিস ক্যাচ দেন উইকেটরক্ষককে।  কামিন্দু মেন্ডিস মারমুখী হয়ে উঠছিলেন ক্রমেই। দারুণ বোলিং করা রিশাদ হোসেনকে মেরেছিলেন ছক্কা। তবে পরের বলেই সঙ্গীর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রানআউটের ফাঁদে পড়তে হয় তাকে। ২৭ বলে করেন ৩৭। এরপর সাদিরা সামারাবিক্রমাকে আটকে দেন মোস্তাফিজুর রহমান। ১১ বলে ৭ করে মোস্তাফিজের কাটারে বিভ্রান্ত হয়ে ফিরতি ক্যাচ দিয়ে আসেন সাদিরা।

১৪তম ওভারে জোড়া ছক্কা খেয়ে চারিথ আসালাঙ্কাকে বোল্ড করেন শেখ মেহেদি। আসালাঙ্কা ১৪ বলেই দুইশ স্ট্রাইকরেটে করেন ২৮। ১১২ রানে ৫ উইকেট হারায় শ্রীলঙ্কা। শেষদিকে ৩৬ বলে ৫২ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটি গড়ে লঙ্কানদের লড়াকু পুঁজি এনে দেন দাসুন শানাকা আর অ্যাঞ্জেলো ম্যাথিউস। শানাকা ১৮ বলে ২০ আর ম্যাথিউস ২১ বলে করেন ৩২ রান। শরিফুল উইকেট না পেলেও ৪ ওভারে মাত্র ২০ রান খরচ করেন। সবচেয়ে খরুচে ছিলেন শেখ মেহেদি। ৪ ওভারে ৩৯ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন এই অফস্পিনার। মোস্তাফিজ ৪ ওভারে ৪২ এবং তাসকিন ৩৮ রান দিয়ে নেন একটি করে উইকেট। সৌম্য সরকার ১ ওভারে ৫ রানে নেন এক উইকেট।