NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo

প্রেমের টানে সাভারে এসে বিয়ে করলেন সাইপ্রাসের তরুণী


এম আব্দুর রাজ্জাক প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪৬ পিএম

প্রেমের টানে সাভারে এসে বিয়ে করলেন সাইপ্রাসের তরুণী

এম আব্দুর রাজ্জাক, বগুড়া থেকে : এবার প্রেমের টানে সাইপ্রাসের এক তরুণী ঢাকার সাভারে এসেছেন। আন্থি তেলেবান্থু নামের ওই তরুণী বাংলাদেশে এসে বিয়ে করেছেন প্রেমিক শামীম আহমেদকে। শুক্রবার (১ ডিসেম্বর) তাদের বিবাহোত্তর সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এর আগে, গত ৩০ নভেম্বর ঢাকা জজকোর্টে বিয়ে করেন আন্থি ও শামীম। তারও আগে, গত ২৭ নভেম্বর আশুলিয়ায় শামীমের বাড়িতে আসেন আন্থি তেলেবান্থু।

জানা যায়, ২০১৫ সালে স্টুডেন্ট ভিসায় সাইপ্রাসে যান শামীম। সেখানে পড়ালেখার পাশাপাশি একটি প্রতিষ্ঠানে পার্টটাইম চাকরি নেন। একই প্রতিষ্ঠানে কাজের সুবাদে আন্থির সঙ্গে পরিচয় হয় শামীমেম। এক সময় দুইজনের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে।শামীম আহমেদ বলেন, সাইপ্রাসের লিমাসোল শহরে আন্থির বাসায় আমার আসা-যাওয়া ছিল। একপর্যায়ে ওর পরিবারের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে আসলে আমি দেশে ফিরে আসি। তারপরও আন্থি এবং আমার মধ্যে অনলাইনে যোগাযোগ হতো। আমার পরিবারের সঙ্গে ভিডিও কলে কথা বলত। গত ২৭ নভেম্বর সে বাংলাদেশে চলে আসে। এরপর উভয় পরিবারের সম্মতিতে আমরা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হই।

সাইপ্রাসের তরুণী আন্থি তেলেবান্থু বলেন, আমরা দুজন একসঙ্গে কাজ করেছি, তারপর বন্ধু হয়েছি। তাকে ব্যক্তিগতভাবে একজন ভালো মানুষ হিসেবে জানি। সে অসহায় মানুষদের সাহায্য করতে পছন্দ করে। এসব কারণে আস্তে আস্তে তার প্রেমে পড়ে যাই। আমার পরিবারও শামীমকে অনেক পছন্দ করে। তারাও আমাদের এই সম্পর্ককে মেনে নিয়েছে।শামীমের চাচা ফরিদ উদ্দিন বলেন, বিদেশি মেয়ে হলেও ওর সঙ্গে আমাদের পারিবারিক সম্পর্ক হয়ে গেছে। গত তিনদিন যখনই আমার সামনে এসেছে, বাঙালি মেয়েদের মতো ঘোমটা পরে আসছে। পুত্রবধূকে নিয়ে খুব আনন্দে আছি।