NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, জুলাই ২৫, ২০২৬ | ৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
বাংলাদেশে ৫৫ বছরে ২২ প্রেসিডেন্ট পদত্যাগ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ছুপ্পু '৩৫ দেশে ভিসামুক্ত ভ্রমণ': বাংলাদেশি পাসপোর্টের প্রকৃত চিত্র ও বাস্তবতা : কাজী আসমা আজমেরী আর্জেন্টিনাকে কাঁদিয়ে বিশ্বচ্যাম্পিয়ন স্পেন "Bangladesh Must Face Huge Challenges Ahead: The Country's Politics Has Not Been Set Right, It Is Controlled by Others" মাত্র ৭ মিনিটের আর্জেন্টিনা ঝড়ে বিধ্বস্ত ইংল্যান্ড আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে বহিষ্কারের পিটিশন, ৯৮ লাখের বেশি স্বাক্ষর ফ্রান্সকে উড়িয়ে ১৬ বছর পর বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেন কিংবদন্তী নজরুলসংগীত শিল্পী শবনম মুশতারী বার্ধক্যজনিত শারীরিক নানান জটিলতার সঙ্গে ডিমেনশিয়ায় ভুগছেন ৯ আগস্ট নিউইয়র্কে সাউথ এশিয়ান  ইউনিটি প্যারেড
Logo
logo

চীন-মার্কিন সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক; চীনা প্রেসিডেন্ট


ইয়ু কুয়াং ইউয়ে আনন্দী : প্রকাশিত:  ২৫ জুলাই, ২০২৬, ০১:১৫ এএম

চীন-মার্কিন সম্পর্ক বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক; চীনা প্রেসিডেন্ট

 

 




১৫ই নভেম্বর চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোর ফিলোলি গার্ডেনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। 

সি চিন পিং উল্লেখ করেন যে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাথে আমার শেষ বৈঠক ইন্দোনেশিয়ার বালিতে হয়েছে। ইতোমধ্যে  এক বছর পার হয়েছে। গত এক বছরে অনেক কিছু ঘটেছে। বিশ্ব কোভিড-১৯ মহামারী থেকে মুক্তি পেয়েছে, তবে মহামারীর ব্যাপক প্রভাব রয়ে গেছে। বিশ্বের অর্থনীতি পুনরুদ্ধার শুরু হয়েছে, কিন্তু এর চালিকাশক্তির অভাব রয়েছে, শিল্প চেইন আর সরবরাহ চেইন ব্যাহত হয়েছে, সুরক্ষাবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই সমস্যাগুলো খুব প্রকট ছিল । বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক হিসাবে, চীন-মার্কিন সম্পর্ককে বিশ্বের শত বছরব্যাপী পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে বিবেচনা ও পরিকল্পনা করতে হবে, যাতে দু’দেশের জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে এবং মানবজাতির প্রতি দায়িত্ব প্রদর্শন করতে পারে। 

শি চিন পিং আরো বলেন, বিগত ৫০ বছরে, চীন-মার্কিন সম্পর্ক কখনোই মসৃণ ছিল না। সবসময়ই কোন না কোন সমস্যা থেকে যায় এবং আঁকাবাঁকা পথে অগ্রসর হতে থাকে । এমন দু'টি বড় দেশের পক্ষে একে অপরের সাথে যোগাযোগ না করা অসম্ভব। একে অপরকে পরিবর্তন করাও অবাস্তব। সংঘর্ষের ফল কেউ সহ্য করতে পারে না।


আমি এখনও একই মত পোষণ করি। বড় রাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এই যুগের মূল সুর নয়। তা দিয়ে চীন, যুক্তরাষ্ট্র এবং বিশ্বের সম্মুখীন নানা সমস্যার সমাধান হবে না। এই পৃথিবীর বিভিন্ন সৃষ্ট সমস্যা চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে একে অপরের প্রতি সম্মান রেখে সমাধান করতে হবে। আমাদের নিজ নিজ সাফল্য একে অপরের সুযোগও বটে। চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহাসিক সংস্কৃতি, সাংস্কৃতিক ব্যবস্থা আর উন্নয়নের পথ ভিন্ন, এটাই একটি বস্তুনিষ্ঠ বাস্তবতা। তবে যদি দুই পক্ষই পারস্পরিক সম্মান, শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান এবং সহযোগিতার মাধ্যমে উভয়ের জয় লাভ মেনে চলে, তাহলে মতভেদ অতিক্রম করতে পারে এবং দুই বড় রাষ্ট্র একে অপরের সাথে সঠিকভাবে থাকার উপায় খুঁজে বের করতে পারবে। আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, চীন-মার্কিন সম্পর্কের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট এবং আমি চীন-মার্কিন   সুসম্পর্ক, বিশ্বের জনগণ আর ইতিহাসের জন্য বৃহৎ দায়িত্ব বহন করি। আমি আশা করি, আজকে প্রেসিডেন্টের সঙ্গে চীন-মার্কিন সম্পর্কের কৌশলগত ও সামগ্রিক দিকনির্দেশকের পাশাপাশি বিশ্বশান্তি ও উন্নয়নের সাথে সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে গভীরভাবে মতবিনিময় করবো এবং নতুন মতৈক্যে পৌঁছাতে পারবো।
সূত্র:চায়না মিডিয়া গ্রুপ।