NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, বুধবার, জুন ১৭, ২০২৬ | ৩ আষাঢ় ১৪৩৩
ব্রেকিং নিউজ
৫৩ বছর পর আবার গৌরবের প্রত্যাবর্তন: নিউ ইয়র্ক নিক্সকে ঘিরে এক শহরের স্বপ্ন, এক জাতির উচ্ছ্বাস - আকবর হায়দার কিরন রোকেয়া হায়দার: যে কণ্ঠস্বর পেরিয়েছে মহাসাগর - আকবর হায়দার কিরন রবিন খুদা: ঢাকা থেকে বিশ্ব প্রযুক্তির শীর্ষে এক বাংলাদেশির বিস্ময়কর যাত্রা -আকবর হায়দার কিরন কুলাউড়ার সন্তান যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী আবু সাইদ আহমদ কেন্দ্রীয় যুবদলের সহ-সভাপতি মনোনীত নিউইয়র্ক ষ্টেট অ্যাসেম্বলী ডিষ্ট্রিক্ট-৩০’র প্রাইমারী নির্বাচন শামসুল হকের সমর্থনে জ্যামাইকায় ফান্ড  রেইজিং SHAIDAI & STARDOM – Sahar Hashmi and Feroze Khan's Unmissable On-Screen Magic- Akbar Haider Kiron Bangladesh Secures Historic Victory in United Nations General Assembly UNGA Presidency দুই দিনে অভিবাসী ভিসার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস কোরবানীর ত্যাগের মহিমায় নিউইয়র্কে ঈদুল আজহা পালিত মুসলিম উম্মার ঐক্য, সৌহার্দ্য-সমৃদ্ধি  কামনা প্রধানমন্ত্রী বেরিয়ে দেখলেন রাস্তায় কুরবানির বর্জ্য, দুই কর্মকর্তা বরখাস্ত
Logo
logo

সভ্যতার আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি সভ্যতা সমৃদ্ধ করতে পারে


ছাই উইয়ে : প্রকাশিত:  ১৭ জুন, ২০২৬, ০৩:১৭ পিএম

সভ্যতার আদান-প্রদানের মাধ্যমে প্রতিটি সভ্যতা সমৃদ্ধ করতে পারে

 


চলতি বছর ড্রাগন নৌকা উৎসব উপলক্ষ্যে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন ধরণের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। আর এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিদেশীদের সামনে চীনা ঐতিহ্যগত সংস্কৃতিকে তুলে ধরা হয় এবং বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির প্রয়াস নেওয়া হয়। 

সম্প্রতি পাকিস্তানে চীনা দূতাবাস ও চীনা প্রবাসী সমিতি যৌথভাবে ইসলামাবাদে ড্রাগন নৌকা উৎসব উপলক্ষ্যে সুস্বাদু খাবারের উৎসব আয়োজন করে। স্থানীয় বিভিন্ন চীনা রেস্তোরাঁ রান্না করা সুস্বাদু খাবার নিয়ে এবারের উৎসবে অংশ নেয়। উৎসবে এসে চীনা প্রবাসী ও স্থানীয় বাসিন্দারা ড্রাগন নৌকা উৎসবের ঐতিহ্যবাহী খাবার চুংজির স্বাদ গ্রহণ করেন। 

পাকিস্তানে চীনা প্রবাসী সমিতির চেয়ারম্যান লা চিয়ে লিয়ান বলেন, এবারের খাদ্য উৎসবের উদ্দেশ্য হলো, চীনা ঐতিহ্যগত সংস্কৃতি ও সভ্যতা প্রচার করা। 

ড্রাগন নৌকা উৎসব উপলক্ষ্যে ব্রাজিলের সাও পাওলোয় চীনের চেচিয়াং চেম্বার অফ কমার্স স্থানীয় বাসিন্দাদের চুংজি উপহার দেয়। চেচিয়াং চেম্বার অফ কমার্সের চেয়ারম্যান চেং সিয়া মাও বলেন, আশা করা যায়, এর মাধ্যমে আরও বেশি ব্রাজিলীয় চীনের ঐতিহ্যগত রীতিনীতি বুঝতে পারবেন। 
মালয়েশিয়ায় চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, সেদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণালয় যৌথভাবে মালাক্কা শহরের কেন্দ্রস্থলে অবস্থিত মালাক্কা নদীতে ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতা হলো এ উৎসবের ঐতিহ্যগত প্রথা। এর মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা চীনা ঐতিহ্যগত সংস্কৃতি সম্পর্কে আরো বেশি জেনেছেন। 
ইংল্যান্ডের ম্যানচেস্টারের নদীতেও ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়।

ম্যানচেস্টার মিউজিয়ামের পরিচালক এসমে ওয়ার্ড এ সম্পর্কে বলেন, ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতা বিভিন্ন বয়সের ও বিভিন্ন মহলের লোক ও সংগঠনকে একত্রিত করেছে। ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতা দলীয় প্রচেষ্টার প্রতীক ও চীনা সংস্কৃতির বাহক। 
এ ছাড়া, জার্মানির ডুইসবার্গের অভ্যন্তরীণ হারবারে, ক্রোয়েশিয়ার জারুন হ্রদে, ডেনমার্কের কোপেনহেগেন দক্ষিণ বন্দরে, এবং রুমানিয়ার বোর্দেই হ্রদেও ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতা আয়োজিত হয়েছে। 

সুইডেনের স্টকহোমে চীনা সংস্কৃতিকেন্দ্রে ড্রাগন নৌকা উৎসবের অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়। সুইডেনে চীনা রাষ্ট্রদূত ছুই আই মিন অতিথিদেরকে উৎসবের ইতিহাসের সাথে পরিচয় করিয়ে দেন। তিনি বলেন, ড্রাগন নৌকা প্রতিযোগিতায় সবাই যেমন একসঙ্গে একটি নৌকাকে সামনে এগিয়ে নিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে সফল হতে পারে, তেমনি বিভিন্ন দেশ একসঙ্গে কাজ করে অগ্রগতি অর্জন করতে পারে। তিনি আশা করেন, সুইজারল্যান্ডের বন্ধুরা চীনের সঙ্গে সেদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ বিনিময়ে আরও বেশি অবদান রাখবে। 

কম্বোডিয়ার রাজকীয় একাডেমির কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট ও চায়না কাউস্ট্রাকশন গোষ্ঠীর তৃতীয় ব্যুরো যৌথভাবে স্থানীয় বিদ্যালয়ে ড্রাগন নৌকা উৎসবের অনুষ্ঠান আয়োজন করে। কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের চীনা প্রধান ওয়াং ফেং বলেন, চীনা ঐতিহ্যগত উৎসব হলো বিশ্বের সামনে চীনা সংস্কৃতিকে তুলে ধরার জানালা। নিয়মিত এ ধরণের অনুষ্ঠান আয়োজনের মাধ্যমে স্থানীয় মানুষের সামনে চীনা ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হবে।

ব্রাজিলের রিও ডি জেনিরোর ক্যাথলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট তথ্যচিত্র প্রচার ও সাংস্কৃতিক পরিদর্শনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদেরকে ড্রাগন নৌকা উৎসবের রীতিনীতি সম্পর্কে অবহিত করে। 
বিভিন্ন সভ্যতার মধ্যে আদান-প্রদান প্রতিটি সভ্যতাকে সমৃদ্ধ করতে পারে। কোনো সভ্যতাই শ্রেষ্ঠ নয়, সকল সভ্যতারই ভালো দিক আছে। প্রতিটি সভ্যতা একে অপরের কাছ থেকে শিখতে পারে। এটাই হচ্ছে চীনা দৃষ্টিভঙ্গি। এই দৃষ্টিভঙ্গি মানবজাতিকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। 
সূত্র: চায়না মিডিয়া গ্রুপ।