NYC Sightseeing Pass
ঢাকা, শনিবার, মার্চ ৭, ২০২৬ | ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২
ব্রেকিং নিউজ
The US plan seeks to eliminate Iran's Supreme Leader to control the Middle East, while Israel aims to dismantle the Gulf for Greater Israel-Dr Pamelia Riviere স্টেট অ্যাসেম্বলীর ২০ হাজার ডলার অনুদান পেলো  বাংলাদেশ সোসাইটি  নিউইয়র্ক যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় ইরানের শীর্ষ ৪৮ নেতা নিহতের দাবি ট্রাম্পের যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে যে বার্তা দিলেন ইরানের নির্বাসিত প্রিন্স মক্কা-মদিনায় আটকা পড়েছেন হাজারো বাংলাদেশি নিউইয়র্কস্থ বাংলাদেশ কনস্যুলেট জেনারেলে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদ্‌যাপিত Bangladesh Permanent Mission to the UN observed the ‘International Mother Language Day’ সাখাওয়াত মুখ খুললেন , ইউনূসের উপদেষ্টা পরিষদের একটা কিচেন কেবিনেট ছিল একুশে বইমেলা উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী The Politics of a “Golden Age”: Trump’s Address and America’s Deepening Divide - Akbar Haider Kiron
Logo
logo
বঙ্গবন্ধু এবং মুক্তিযুদ্ধের শহিদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের আহ্বান রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরানের

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫৩তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত


খবর   প্রকাশিত:  ০৭ মার্চ, ২০২৬, ০৯:৪৫ পিএম

ওয়াশিংটনে বাংলাদেশ দূতাবাসে ৫৩তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপিত

ওয়াশিংটন ডিসি, ২৬ মার্চ, ২০২৩ -

 সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, এবং মহান মুক্তিযুদ্ধে শহিদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার নতুন শপথের মাধ্যমে ওয়াশিংটন ডিসিতে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে আজ (রবিবার) যথাযোগ্য মর্যাদায় ৫৩তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত হয়েছে।

 দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে দূতাবাস বিস্তারিত কর্মসূচির আয়োজন করে। যার মধ্যে ছিল জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ, তথ্যচিত্র প্রদর্শন এবং আলোচনাসভা।

 সকালে দূতাবাস প্রাঙ্গণে যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ ইমরান কর্তৃক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়। এসময় মিশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে রাষ্ট্রদূত দূতাবাসের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আবক্ষ মূর্তিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

 দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে মহামান্য রাষ্ট্রপতি মো: আবদুল হামিদ, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ.কে. আবদুল মোমেন এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মোঃ শাহরিয়ার আলম প্রদত্ত বাণী পাঠ করে শোনানো হয়। ডেপুটি চীফ অব মিশন ফেরদৌসী শাহরিয়ার, মিনিস্টার (কনস্যুলার) মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, কাউন্সেলর (পাবলিক ডিপ্লোমেসি) আরিফা রহমান রুমা এবং কাউন্সেলর ও দূতালয় প্রধান মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান এই বাণী পাঠ করে শোনান। পরে দূতাবাসের বঙ্গবন্ধু মিলনায়তনে স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়।

 আলোচনায় অংশ নিয়ে রাষ্ট্রদূত ইমরান মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসকে বাংলাদেশের সবচেয়ে গৌরবময় ও স্মরণীয় দিন হিসেবে অভিহিত করেন এবং এ উপলক্ষে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত সকল বাঙালিকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান।

তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী ত্রিশ লাখ শহিদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান।

 রাষ্ট্রদূত ইমরান বলেন ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ রাতে ঢাকায় নিরস্ত্র বাঙালিদের ওপর পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বর্বরোচিত হামলার পরিপ্রেক্ষিতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

 তিনি বলেন জাতির পিতার আহ্বানে সাড়া দিয়ে এদেশের মুক্তিকামী জনতা মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন এবং বঙ্গবন্ধুর অবিসংবাদিত নেতৃত্বে বাংলাদেশ পাকিস্তানের বিরুদ্ধে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর দীর্ঘ প্রতিক্ষীত স্বাধীনতা অর্জন করে।

 রাষ্ট্রদূত বলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ সোনার বাংলায় রূপান্তরের জন্য সারাজীবন সংগ্রাম করেছেন। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের কালো রাতে স্বাধীনতাবিরোধীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ায় বঙ্গবন্ধু তার লালিত স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারেননি।

তিনি বাংলাদেশকে ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশে পরিণত করে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধে শহিদের স্বপ্ন বাস্তবায়নে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। রাষ্ট্রদূত ইমরান গত ১৪ বছরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অর্জিত বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন ও অগ্রগতি বিদেশের মাটিতে তুলে ধরার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি অনুরোধ জানান।

ডিফেন্স অ্যাটাচে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ শাহেদুল ইসলামও আলোচনায় অংশ নেন এবং মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন। তিনি স্বাধীনতা সংগ্রামে সশস্ত্র বাহিনীর বীর সেনানীদের গুরত্বপূর্ণ অবদান সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

পরে জাতির পিতা ও মুক্তিযুদ্ধে জীবনদানকারী সকল শহিদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করে এক বিশেষ মোনাজাতের আয়োজন করা হয়। কর্মসূচি পরিচালনা করেন ফার্স্ট সেক্রেটারি মোঃ আতাউর রহমান।