চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের আমন্ত্রণে তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমান ১১ মে (সোমবার), বিকেলে বেইজিং পৌঁছেছেন। এর মাধ্যমে তাঁর চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফর শুরু হলো।
বর্তমানে চীন ও তাজিকিস্তানের মধ্যকার সম্পর্ক ইতিহাসের সেরা পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশের রাষ্ট্রপ্রধানরা ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ও কৌশলগত সংলাপ বজায় রেখেছেন এবং এর মাধ্যমে দৃঢ় পারস্পরিক বিশ্বাস ও গভীর বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন। তাঁদের কৌশলগত নির্দেশনায় চীন-তাজিকিস্তানের নতুন যুগের 'সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারিত্ব' সব ক্ষেত্রেই স্থিতিশীল উন্নয়ন বজায় রেখেছে। সম্পর্কটি নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে এবং শক্তিশালী গতিশীলতা ধরে রেখেছে। চীন ও তাজিকিস্তানের রাজনৈতিক পারস্পরিক বিশ্বাস নতুন উচ্চতায় উন্নীত হয়েছে, বাণিজ্যের প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে, আন্তর্জাতিক সমন্বয় ফলপ্রসূ হয়েছে এবং জনগণের মধ্যকার বন্ধুত্ব আরও দৃঢ় হয়েছে- যা প্রকৃত অর্থেই দেশ দুটিকে একটি সর্বাত্মক কৌশলগত অংশীদারে পরিণত করেছে।
তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট এমোমালি রহমান এ পর্যন্ত ২২ বার চীন সফর করেছেন। সর্বশেষ তিনি ২০২৫ সালের আগস্টের শেষ ও সেপ্টেম্বরের শুরুর দিকে চীন সফর করেন। সেসময় তিনি শাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে এবং চীনা জনগণের প্রতিরোধ যুদ্ধ ও বিশ্ব ফ্যাসিবিরোধী যুদ্ধে জয়ের ৮০তম বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন।
সূত্র:স্বর্ণা-তৌহিদ-লিলি,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
