জলবায়ু পরিবর্তনসংক্রান্ত প্যারিস চুক্তির দশম বার্ষিকী উপলক্ষ্যে, চায়না মিডিয়া গ্রুপের সিজিটিএন কর্তৃক আয়োজিত এক অনলাইন জরিপে অংশগ্রহণকারী নেটিজেনরা, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ গ্রহণ এবং আন্তর্জাতিক সমাজের একযোগে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
জরিপে অংশগ্রহণকারী বিশ্বের ৪৮টি দেশের ৩৩ হাজার নেটিজেনের ৯১ শতাংশ মনে করেন, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় বিশ্বব্যাপী চরম আবহাওয়াসংশ্লিষ্ট ঘটনার ফ্রিকোয়েন্সি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে; ৮৯.২ শতাংশ মনে করেন, চরম আবহাওয়ার ঘটনার ক্রমবর্ধমান ফ্রিকোয়েন্সি বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিস্থিতির দ্রুত অবনতির প্রতিফলন; ৯০ শতাংশ মনে করেন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা জরুরি এবং জলবায়ু সমস্যা মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সমাজের কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
জরিপে অংশগ্রহণকারী ৮৫ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, আন্তঃরাষ্ট্রীয় সহযোগিতা জোরদার করা হল আরও কার্যকর বৈশ্বিক জলবায়ু শাসন অর্জনের পদ্ধতি; ৭৫.১ শতাংশ উত্তরদাতা উন্নত দেশগুলোর বিশ্বব্যাপী জলবায়ু শাসনে আন্তরিকতা ও পদক্ষেপের অভাবের সমালোচনা করেন; ৮৬.৪ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, উন্নত দেশগুলো মানবসৃষ্ট জলবায়ু পরিবর্তন সংকটের জন্য একটি অদম্য ঐতিহাসিক ও নৈতিক দায়িত্ব বহন করে এবং তাদের আরও পদক্ষেপ নেওয়ার ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত; গ্লোবাল সাউথ দেশগুলোর ৯৪.৬ শতাংশ উত্তরদাতা বলেন, তাঁরা আচরণ ও জীবনে সম্পদ সংরক্ষণ ও কার্বন নির্গমন হ্রাসকে একীভূত করতে ইচ্ছুক, যা উন্নত দেশগুলোর তুলনায় ১৪.৯ শতাংশ বেশি।
এ ছাড়াও, ৭৬.৭ শতাংশ উত্তরদাতা বিশ্বাস করেন, চীন কার্যকরভাবে গ্রিনহাউস গ্যাস নির্গমন নিয়ন্ত্রণ করেছে; ৭৯.৯ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, চীনের জলবায়ু শাসন পদ্ধতি অন্যান্য দেশের জন্য একটি কার্যকর রেফারেন্স প্রদান করেছে; ৭৫.৮ শতাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, জলবায়ু শাসনসংক্রান্ত বিষয়ে চীন একটি প্রধান শক্তি হিসেবে দৃঢ় সংকল্প ও দায়িত্ব প্রদর্শন করেছে।
জরিপটি সিজিটিএন চীনের রেনমিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিচালনা করে। জরিপে অংশগ্রহণকারীদের সবাই ১৮ বছর বা তারচেয়ে বেশি বয়সী সাধারণ নাগরিক।
সূত্র:ছাই-আলিম-ওয়াং হাইমান,চায়না মিডিয়া গ্রুপ।
